বিদ্রোহীদের ওপর গাদ্দাফি বাহিনীর হামলা অব্যাহত | বিশ্ব | DW | 08.03.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিদ্রোহীদের ওপর গাদ্দাফি বাহিনীর হামলা অব্যাহত

লিবিয়ায় বিদ্রোহীদের ওপর মঙ্গলবারও হামলা চালিয়েছে গাদ্দাফি বাহিনী৷ তাদের হামলার শিকার হয়েছে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িও৷ এদিকে দেশটির উপর উড়াল নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে খসড়া প্রস্তাব তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে৷

default

একজন বিদ্রোহী

সর্বশেষ পরিস্থিতি

লিবীয় শহর রাস লানুফের উপর চারবার বিমান হামলা করেছে গাদ্দাফি বাহিনী৷ এসময় বিমান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে মারা হয়৷ তবে প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি৷ এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু বিদ্রোহীরা হলেও শহরের আবাসিক এলাকায়ও হামলার খবর পাওয়া গেছে৷ এমনই এক হামলায় একটি দ্বিতল ভবনের দেয়াল ধসে যায়৷

বিদ্রোহীদের সঙ্গে আপোসের খবর

দুটি আরব পত্রিকা ও আল জাজিরা এ ধরনের খবর দিয়েছিল৷ কিন্তু পরে সেটা লিবিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে৷ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এই খবরকে ‘পুরোপুরি বানোয়াট' বলেছেন৷ এদিকে বিরোধীদের নিয়ে গড়া জাতীয় পরিষদের প্রধান মুস্তাফা আবদেল জলিল বার্তা সংস্থা এএফপি'কে বলেছেন, গাদ্দাফি নিজে কাউকে আলোচনার জন্য পাঠায়নি৷ রক্তপাত থামাতে কয়েকজন আইনজীবী নিজেরা এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন৷ এছাড়া জলিল বলেছেন গাদ্দাফি যদি ৭২ ঘন্টার মধ্যে সরে দাঁড়ায় তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হবেনা৷ অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে তিনি অবস্থার একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান চান৷

উড়াল নিষেধাজ্ঞা

ফ্রান্স আর ব্রিটেন মিলে এ বিষয়ে একটা খসড়া তৈরি করছে৷ যেটা নিয়ে ন্যাটোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা বৃহস্পতিবার আলোচনা করবেন৷ এদিকে ওআইসি'র মহাসচিব একমেলেদ্দিন ইহসানুগলো এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার পক্ষে তাঁর সমর্থন জানিয়েছেন৷ এছাড়া সমর্থন জানিয়েছে গল্ফ রাষ্ট্রগুলোও৷ তারা আরব লিগের একটা জরুরি বৈঠক ডাকার আহ্বান জানিয়েছে৷ যেটা হবে এই শুক্রবারে৷

উড়াল নিষেধাজ্ঞা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে৷ তবে লিবিয়ার ক্ষেত্রে যেটা পরিকল্পনা করা হচ্ছে সেটা হলো, এর ফলে দেশটির আকাশের একটা নির্দিষ্ট সীমানার উপর দিয়ে কোনো কিছু উড়তে পারবে না৷ এর মানে হলো গাদ্দাফি বাহিনী বর্তমানে যে বিমান থেকে হামলা করছে সেটা বন্ধ হবে৷ কিন্তু সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা এসব করেও গাদ্দাফিকে থামানো যাবে না৷ এর আগে ১৯৯১ সালে ইরাকের আকাশে এবং ৯৪-৯৫ সালে বসনিয়ার যুদ্ধের সময় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

বিজ্ঞাপন