‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধের জন্য দায়ী′ | পাঠক ভাবনা | DW | 23.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধের জন্য দায়ী'

নুসরাতের মায়ের মতো ডয়চে ভেলের অনেক পাঠকও নুসরাতের হত্যাকারীর বিচারের দাবি করেছেন৷ তবে এই দাবি পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তাঁরা ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷

‘‘নুসরাতের পরিবারের যেমন দাবি, তেমনি ষোল কোটি মানুষের দাবি, দোষীদের শাস্তি হোক, দ্রুতই হোক! কিন্তু এ দাবি কি পূরণ হবে? এই বিরাট প্রশ্নচিহ্ন এখন সবার মনে! অতীতে অনেক হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় মানুষের মনে এই আশঙ্কা থাকতেই পারে! নুসরাতের মতো অনেক মেয়ে, শিশু প্রতিনিয়তই ধর্ষিত হচ্ছে, তাদের হত্যা করা হচ্ছে! কিন্তু বিচার হচ্ছে না একটারও! বিচারের দাবি নিভৃতে কাঁদছে! যতদিন এসব অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে না, ততদিন ‘বিচার চাই, বিচার চাই' বলে লাভ হবে না৷  স্কুল, মাদ্রাসাগুলো মেয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর পুরুষ শিক্ষকের লালসা মিসৃত আচরণ৷'' এই মতামত কাজী আফরিনের৷  তবে তিনি মনে করেন যৌন হয়রানি বন্ধ করার জন্য ছেলে-মেয়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করতে হবে, যেখানে মেয়েদের জন্য শুধুমাত্র মেয়ে শিক্ষক আর ছেলেদের জন্য হতে হবে শুধুমাত্র ছেলে শিক্ষক!

পাঠক এমএ হাসান দুঃখ করে লিখেছেন, ‘‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি স্বাধীনতার চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক অথচ এই চেতনা আজ ঘুমন্ত৷ বিবেক মরে গেছে মানুষের৷''

ডয়চে ভেলের ফেসবুকবন্ধু রুহুল আমিন সজীব তো আরো হতাশ৷ নুসরাত হত্যার বিচার হবে তা বিশ্বাসই করেন না তিনি৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘নুসরাতরা প্রতিনিয়ত মরবে আর তাদের মায়েরা কেঁদে যাবে, এটাই বাংলাদেশের সিস্টেম..!''

ভিডিও দেখুন 02:51

এখনো কাঁদছেন নুসরাতের মা

আর পাঠক মোহাম্মদ ফখরুলের মন্তব্য এরকম, ‘‘এখনো ওসিকে অ্যারেস্ট করা হয় নাই, কারণ, পুলিশ পুলিশের পক্ষ নিচ্ছে৷'' আর তাই তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে৷ তিনি লিখেছেন,‘‘ দয়া করে আমাদের মা শেখ হাসিনা বিষয়টি দেখবেন৷''

‘‘অপরাধীরা ভাবে তারা পার পেয়ে যাবে, তাই অপরাধগুলো ঘটে৷ বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধের জন্য দায়ী, '' এ মন্তব্য মোহাম্মদ শামসুল আরিফের৷

তবে আশাবাদী পাঠক আবু আজাদ, তিনি নুসরাতের মায়ের কান্না শুনে লিখেছেন, ‘‘মা, তোমার কান্না বৃথা যাবেনা, ইনশাল্লাহ!''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও