বিক্ষোভের মধ্যেই অলিম্পিক মশাল নিল চীন | বিশ্ব | DW | 21.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

বিক্ষোভের মধ্যেই অলিম্পিক মশাল নিল চীন

বুধবার গ্রিস থেকে অলিম্পিক মশাল এল বেজিংয়ে। ২০২২-এর শীতকালীন অলিম্পিকের আসর বসবে বেজিংয়ে। 

অলিম্পিক মশাল জ্বালাচ্ছেন চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক।

অলিম্পিক মশাল জ্বালাচ্ছেন চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক।

গত সোমবার গ্রিসের অলিম্পিয়া স্টেডিয়ামে অলিম্পিক মশাল নিয়েছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক কাই কি। তবে গ্রিসে মশাল-গ্রহণ অনুষ্ঠানে রীতিমতো বিক্ষোভ হলো। চীনমানবাধিকার ভঙ্গ করছে, এই অভিযোগ করে বেশ কয়েকটি সংগঠন অনুষ্ঠান বয়কটের ডাক দিয়েছিল। কয়েকটি সংগঠন বিক্ষোভ দেখিয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)-র প্রেসিডেন্ট এই মশাল-অনুষ্ঠানে বারবার তার বিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তিনি মনে করেন, চীনে রাজনীতি নিরপেক্ষ মাঠে অলিম্পিকের আসর বসবে।

২০২২ সালের ৪ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি এই গেমস হওয়ার কথা।

বেজিংয়ের রেকর্ড

এই শীতকালীন অলিম্পিক গেমসের পর বেজিং হবে একমাত্র শহর যেখানে সামার ও উইন্টার অলিম্পিক হয়েছে।

অধিকাররক্ষা কর্মীরা অবশ্য বেজিংকে বেছে নেয়া নিয়ে রীতিমতো সোরগোল তুলেছেন। তাদের দাবি, এই বাছাই নিয়েও বেনিয়ম হয়েছে। কিন্তু উত্তর অ্যামেরিকা ও ইউরোপের শহরগুলি এই দায়িত্ব নিতে চায়নি। তাই আইওসি-র সামনেও খুব বেশি বিকল্প ছিল না। নরওয়েও জানিয়ে দেয়, তারা গেমসের আয়োজন করতে পারবে না। তখন বেজিং এবং কাজাখস্তানের নুর-সুলতানের মধ্যে একটা শহরকে বেছে নেয়ার প্রশ্ন ছিল। তারা বেজিংকে বেছে নেয়।

কিন্তু কিছু মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠনের দাবি, আইওসি-র এই সিদ্ধান্তের অর্থ হলো, চীন যে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে তা মেনে নেয়া। ২০০৮ সালে চীনে সামার অলিম্পিক হয়েছে। বিশেষ করে উইগুর মুসলিম ও তিব্বতীদের সঙ্গে চীন যে ব্যবহার করছে, তা নিয়ে সোচ্চার এই সংগঠনগুলি। তারা হংকংয়ে যেভাবে গণতন্ত্রপন্থিদের বিক্ষোভ জোর করে থামাচ্ছে, তা নিয়েও ক্ষুব্ধ মানবাধিকার সংগঠনগুলি। তারা বিভিন্ন দেশ ও অ্যাথলিটদের অলিম্পিক বয়কট করার আবেদন জানিয়েছে। 

চীন সরকার জানিয়ে দিয়েছে, করোনার জন্য বিদেশ থেকে কোনো দর্শককে এই গেমস দেখার অনুমতি দেয়া হবে না।

জিএইচ/এসজি (এপি, ডিপিএ)