বিএনপি নেতাদের দ্রুত বিচার আইনে বিচার শুরু | বিশ্ব | DW | 26.08.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিএনপি নেতাদের দ্রুত বিচার আইনে বিচার শুরু

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ জোটের ১৪৭ জন নেতা-কর্মীর দ্রুত বিচার আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ সোমবারই আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়৷ গত বছর সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল৷

default

বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ভাঙচুর ও বিস্ফোরণের ঘটনায় নেতা-কর্মীদের বিচার হচ্ছে

বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধানসহ বিএনপি জোটের ১৪৭ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সোমবার অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা মহানগর দ্রুত বিচার আদালতের হাকিম তারেক মাইনুল ইসলাম ভূঁইয়া৷ পল্টন থানায় এই মামলাটি দায়ের করা হয় গত বছরের ১১ই মার্চ৷

ঐ দিন নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জোটের সমাবেশে ভাঙচুর এবং বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ তখন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে৷ ঐ ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি মামলা হয়৷

এর মধ্যে ভাঙচুর, বোমাবাজি ও ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা মামলাটির বিচার শুরু হলো সোমবার৷ গত বছরের ২৪শে মার্চ ১৪৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পত্র দেয় পুলিশ৷ কিন্তু অভিযোগ গঠনে ওমর ফারুক নামে একজনের এরই মধ্যে মৃত্যু হওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত৷

আসামিদের মধ্যে রিজভী, ফারুক, আমান, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মোহাম্মদ শাজাহান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধাসহ ৯৯ জন সোমবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন৷ তাঁরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে সুবিচার প্রার্থনা করেন৷ আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে৷

আসামিদের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার ডয়চে ভেলের কাছে দাবি করেন, ‘‘পল্টন থানার এই মামলাটির কোনো ভিত্তি নেই৷ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলাটি দায়ের করা হয় বিরোধী নেতা-কর্মীদের হয়ারানি করতে৷ আর বিএনপি জোট সামনে সরকার বিরোধী আন্দোলন জোরদার করার ঘোষণা দেয়ায় মামলাটি আবার চাঙ্গা করা হলো৷''

তিনি মনে করেন, ‘‘ন্যায় বিচার হলে এই মামলার আসামিরা খালাস পাবেন৷ কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য-প্রমাণ নেই৷''

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু বলেছেন, ‘‘আইন তাঁর নিজস্ব গতিতে চলছে৷ রাজনৈতিক কারণে কাউকে এই মামলায় আসামি করা হয়নি৷'' তিনি বলেন, মামলায় আদালতেই প্রমাণ হবে কে দোষী আর কে নির্দোষ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়