বাস চাপায় দুই পোশাক শ্রমিক নিহত, গাড়ি ভাঙচুর | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 01.01.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বাস চাপায় দুই পোশাক শ্রমিক নিহত, গাড়ি ভাঙচুর

রাজধানীর মালিবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় দু'জন পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন৷ ঘটনার প্রতিবাদে সে এলাকার পোশাক শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসেন৷ বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা এ সময় পঞ্চাশটির মতো গাড়ি ভাঙচুর করেন৷

দুপুরে মালিবাগ রেলগেট থেকে আবুল হোটেলের মাঝামাঝি জায়গায় ‘সুপ্রভাত' পরিবহনের একটি বাসের চাপায় দুই নারী পোশাক শ্রমিক নিহত হন বলে রামপুরা থানার ওসি এনামুল হক ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান৷

নিহতরা হলেন নাহিদ পারভীন পলি (১৯) ও মীম (১৩)৷বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের খবর অনুযায়ী, পলির গ্রামের বাড়ি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায়৷ মীম বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাসিন্দা৷ মালিবাগের পদ্মা সিনেমা হলের বিপরীতে অবস্থিত এমএইচ গার্মেন্ট কারখানায় তাঁরা কাজ করতেন৷ 

নিহতদের এক সহকর্মীর বরাত দিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়, দুপুরের খাবার খেতে বাসায় যাচ্ছিলেন পলি ও মীম৷ রাস্তা পার হওয়ার সময় সদরঘাট থেকে গাজীপুরগামী একটি বাসের নীচে চাপা পড়লে দুর্ঘটনাস্থলেই মারা যান মীম৷

এ সময় সেখানে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট গুরুতর আহত অবস্থায় পলিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন৷ শ্রমিকদের চাপা দেওয়া বাসটি জব্দ এবং তার চালককে গ্রেপ্তার করেছে৷

এদিকে সহকর্মীদের নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে আশপাশের কয়েকটি গার্মেন্টসের কয়েকশ' শ্রমিক রাস্তায় নেমে আসেন৷ এ সময় তাঁরা মালিবাগ থেকে রামপুরা অভিমুখী সড়কে অর্ধশতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করেন৷

এদিকে বিক্ষোভের মধ্যে ওই এলাকার একটি বাসায় ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুন নাহার আটকা পড়েন৷ সন্ধ্যার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়৷ তবে তাঁকে বের করে নেয়ার সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন৷ এ সময় ইটের আঘাতে নাজমুন নাহারের এক চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ চিকিৎসার জন্য তাঁকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে৷

আরআর/এসিবি

বিজ্ঞাপন