বার্লিনে শলৎস-মোদী বৈঠক | জার্মানি | DW | 02.05.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

বার্লিনে শলৎস-মোদী বৈঠক

দুই বছর পর তিন দিনের বিদেশ সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ সোমবার রাজধানী বার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন তিনি৷

ইউরোপে ভারতের বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার জার্মানি৷ জার্মানির সঙ্গে ভারতের ব্যবসার পরিমাণ প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার৷ ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও অংশ নেন এই বৈঠকে৷ দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে জার্মানির সঙ্গে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করা নিয়ে কথা হয়েছে বলে টুইটে জানিয়েছেন মোদী৷

ইউক্রেনে রুশ হামলার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশ রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে৷ তবে মস্কোবিরোধী কোনো অবস্থান নেয়নি ভারত৷ ভারতের বেশিরভাগ সামরিক সরঞ্জাম রাশিয়া থেকে আমদানি করা হয়৷  জার্মানি যদিও চায়, ইউরোপের সংস্থাগুলি ভারতের কাছে অস্ত্র বিক্রি করুক, এর ফলে রুশ নির্ভরতা অনেকটা কমবে৷ রুশ আগ্রাসনের পরই একাধিক গণতান্ত্রিক দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন শলৎস৷

 

দীর্ঘসময় ধরে পশ্চিমা দুনিয়া এবং মস্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে ভারত৷ রাজনৈতিক এই সফরের আগে মোদী এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, তিনি যে সময় ইউরোপে সফর করছেন, সে সময় এই মহাদেশ একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে৷ বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়টিকে জোরদার করতে চান৷ ভারতের শান্তি ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলির জরুরি ভূমিকা রয়েছে, এমনও বলা হয়েছিল বিবৃতিতে৷ বার্লিনে পৌঁছেও মোদী টুইট করে আশা প্রকাশ করেছিলেন, তার এই সফরের পর জার্মানি এবং ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব আরো জোরদার হবে৷

আগামী ২৬ থেকে ২৮ জুন জার্মানির বাভারিয়ান আল্পসে জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির বৈঠক হওয়ার কথা৷ ব্লুমবার্গে প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, জার্মান চ্যান্সেলর ওই বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ করবেন মোদীকে৷ রাশিয়ার বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে জি-৭ গোষ্ঠী মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর বিশেষ ছাড়ে রাশিয়া থেকে তেল কিনেছে ভারত৷ ইউক্রেন ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান পাল্টাননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ যদিও এ পদক্ষেপের সমালোচনার প্রেক্ষিতে বলা হয়েছিল, রাশিয়ার থেকে আমদানি করা জ্বালানি পণ্যের উপর ইউরোপ অনেক বেশি নির্ভরশীল৷

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিনয় কোয়াত্রা রোববার বলেছিলেন, সংকটের পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান গভীরভাবে উপলব্ধি করছে ইউরোপের দেশগুলি৷ মোদীর ইউরোপ সফরের মূল উদ্দেশ্য, বাণিজ্য, শক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলচোনা এবং ভারতের সঙ্গে ইউরোপের দেশগুলির সম্পর্ককে আরো বেশি মজবুত করে তোলা৷

তিন দিনের সফরে জার্মানি থেকে আগামিকাল অর্থাৎ ৩ মে ডেনমার্কে যাবেন মোদী৷ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তার যোগ দেয়ার কথা রয়েছে৷ ওই বৈঠকে ডেনমার্কের প্রতিনিধি ছাড়াও ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে এবং আইসল্যান্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন৷ ৪ মে ফ্রান্সের পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন নরেন্দ্র মোদী৷

আরকেসি/এসিবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন