বাবরকে অবৈধ সম্পদের মামলায় আট বছরের কারাদণ্ড | বিশ্ব | DW | 12.10.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বাবরকে অবৈধ সম্পদের মামলায় আট বছরের কারাদণ্ড

সাবেক বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় মোট আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত৷

ঢাকার ৭ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম মঙ্গলবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বলে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়৷ দুটি ধারায় বাবরকে পাঁচ ও তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে রায়ে৷

২০০৭ সালের ২৬ জুলাই থেকে এ মামলায় কারাগারে থাকা বাবরের অনেক আগেই সাজার সময় পার হয়ে গেছে৷ তার নামে দুটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঝুলছে৷ রায়ের পর বাবর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘‘সাজার মেয়াদ পার হয়ে গেলেও যেহেতু এই রায়ে অপরাধী বলে সাব্যস্ত হলাম, আমি অবশ্যই আপিল করব৷'' এ মামলার আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন বাবর গত ২১ সেপ্টেম্বর৷ বাবরের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. আমিনুল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল৷

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর ২০০৭ সালের ২৮ মে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হন৷ দুদক ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা দায়ের করে৷

এ মামলার বাদী দুদকের জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ জুলাই দুদকের উপসহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন৷ বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়৷

বাবর দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন বলা হয় অভিযোগপত্রে৷ প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুটি এফডিআরে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকার তথ্য তিনি গোপন করেন বাবর৷ 

২০০৮ সালের ১২ আগস্ট বাবরের বিরুদ্ধে আদালত বিচার শুরুর আদেশ দেয় তবে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে মামলার বিচার দীর্ঘদিন আটকে ছিল৷ হাইকোর্ট গত বছর ৩০ দিনের মধ্যে এ মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়৷ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায় হয় গত ৪ অক্টোবর৷

নেত্রকোনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বাবর ১৯৯১ সাল থেকে ৩ বার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন৷ ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন৷সাবেক বিএনপি নেতা বাবরকে ২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলা এবং ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়