বাতিল বিমান রিসাইক্লিং করতে নতুন ভাবনা | অন্বেষণ | DW | 20.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

বাতিল বিমান রিসাইক্লিং করতে নতুন ভাবনা

কথায় বলে ‘মরা হাতির দাম লাখ টাকা'৷ কিন্তু মরা বিমান, মানে যার আয়ু শেষ হয়ে গেছে, তা থেকে কত আয় করা যায়? এক ইউরোপীয় প্রকল্পের আওতায় বিমানের যন্ত্রাংশগুলির পুনর্ব্যবহারের আরও উন্নত পথের খোঁজ চলছে৷

কোনো বিমান শেষবারের মতো জমি স্পর্শ করার পর কী ঘটে? কয়েক লক্ষ মাইল চলার পর বিশাল উড়োজাহাজ আবর্জনার পাহাড়ে পরিণত হয়৷ এবার শুধু টুকরোগুলি ফেলার অপেক্ষা৷

এক ইউরোপীয় গবেষণা উদ্যোগ এই প্রক্রিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর করার পথ খুঁজছে৷ এক্ষেত্রে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে৷ সবার আগে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ শনাক্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব বিমানের নক্সায় সেগুলি সামিল করতে হবে৷ প্রকল্পের সমন্বয়ক আইচে চেলিকেল বলেন, ‘‘যে সব অ্যালয় ও ধাতু উদ্ধার করা হয়, তার মধ্যে টাইটানিয়াম খুঁজতে হয়৷ সেটি অ্যালুমিনিয়ামের চেয়েওদামী৷ আমরা বিমানের গোটা জীবনকাল বিশ্লেষণ করে এই সব সমস্যা ছাড়াই বিমান ডিজাইন করতে চাই৷ ভবিষ্যতে অনেকটা রিসাইক্লিং-এর প্রয়োজন অনুযায়ী এমন ডিজাইন সৃষ্টি হবে৷''

ভিডিও দেখুন 03:25
এখন লাইভ
03:25 মিনিট

বাতিল বিমান কাজে লাগানো

গোটা বিশ্বে বিমানের সংখ্যা বেড়ে চলেছে৷ আগামী ২০ বছরে ইউরোপে প্রায় ৬,০০০ বিমানের আয়ু শেষ হয়ে যাবে৷ তাই সেগুলি ভেঙে কাজে লাগানোর প্রক্রিয়াকে লাভজনক করা অত্যন্ত জরুরি৷ পরিবেশের উপর তার প্রভাবও বড় দুশ্চিন্তার কারণ৷ শাতোরু বিমানবন্দর কর্মকর্তা মারত্যাঁ ফ্রেসিন বলেন, ‘‘বিমানের আয়ু শেষ হবার পর ব্যবস্থাপনার বিষয়টি অতি সম্প্রতি শিল্পজগতের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে৷ তাই আমাদের আচরণবিধি ও সেরা সমাধানসূত্রগুলি স্থির করতে হবে৷ কড়া পরিবেশগত বিধিনিয়মের আওতায় যন্ত্রাংশ খুলে উপকরণ রিসাইক্লিং করতে হবে৷''

ক্ষতিকর তরল ও তেজস্ক্রিয় পদার্থ দূর করার পর বিমান টুকরো করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে৷ এই পর্যায়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি৷ তাই সুসংহতভাবে তার সন্ধান শুরু করতে হয়৷ ভালিয়ে এভিয়েশন কোম্পানির ওলিভিয়ে দিয়ো বলেন, ‘‘আমরা সব মূল্যবান যন্ত্রাংশ উদ্ধার করি৷ ল্যান্ডিং গিয়ার, ইঞ্জিন, এভিয়নিক্স, এয়ার কন্ডিশনিং ইত্যাদি৷ এ সব সেকেন্ডহ্যান্ড বাজারে বিক্রি করা যায়৷''

একটি বিমানে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত অ্যালুমিনিয়াম, ১৫ শতাংশ ইস্পাত এবং ১০ শতাংশ ‘প্রেশাস মেটাল' থাকে, যেমন টাইটানিয়াম৷ এই প্রক্রিয়ার কিছু অংশ কতটা লাভজনক, তা নিয়ে আলোচনা চলছে এবং অবশ্যই এর সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন