বাজারের চাহিদা অনলাইন ভিডিও গেমস | অন্বেষণ | DW | 05.07.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

বাজারের চাহিদা অনলাইন ভিডিও গেমস

সিডি বা ডিভিডি নয়, যুগের দাবি মেনে ও বাজার সম্প্রসারণ করতে কম্পিউটার ভিডিও গেমস স্থান পাচ্ছে অনলাইনে৷ বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে বসেই সেই সব খেলার নাগাল পাওয়া যাচ্ছে৷

বার্লিনের এক স্টুডিওতে গেমস-এর ডাবিং চলছে৷ তাও কৃত্রিম ‘ড্র্যাকানিয়ান' ভাষায়৷ মাইকের সামনে এ ভাষায় কথা বলে, পরে তা চরিত্রগুলির কণ্ঠে ফুটিয়ে তোলা হয়৷ ‘ড্র্যাকেনস্যাং' নামের এই কম্পিউটার গেম আজকাল আর ডিভিডি হিসেবে পাওয়া যায় না৷ কারণ এর স্রষ্টা বার্লিনের বিগপয়েন্ট কোম্পানি শুধু অনলাইন গেম হিসেবেই এটি তৈরি করে৷ সরাসরি ইন্টারনেট থেকেই সেটি ডাউনলোড করে নেওয়া যায়৷

প্রথমে বিনামূল্যেই খেলা যায়৷ তারপর খেলার সময় যে অস্ত্রশস্ত্র বা ঘোড়ার প্রয়োজন হয়, তা একে একে কিনে নিতে হয়৷ বিগপয়েন্ট কোম্পানির ডেভেলপমেন্ট প্রধান ব্যার্ন্ট বায়রয়টার বলেন, ‘‘অনেকে গেম-এর পেছনে মাসে ১ বা ২ ইউরো খরচ করে৷ অনেক গেমার আছে, যারা শুধু বিনামূল্যেই খেলে যায়৷ আরেকদল কিন্তু অনেক টাকা ঢালে, এমনকি মাসে ১০০ ইউরো পর্যন্ত৷''

এভাবেই বিগপয়েন্টের ব্যবসা চলছে৷ গোটা বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ এই অনলাইন গেম খেলে৷ ইচ্ছে করলেই তারা অ্যামেরিকা বা জাপানের গেমসও খেলতে পারে৷ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জার্মানরা তাই নিজেদেরই নিয়ম ভাঙছে৷ গেম-এর মধ্যে ঐতিহাসিক তথ্য কিছুটা বিকৃত করছে৷ ব্যার্ন্ট বায়রয়টার বলেন, ‘‘দেখুন, জার্মানিতে মধ্যযুগ নিয়ে কল্পনা করলে সেখানে কামান বা সেপলিন উড়োজাহাজ থাকতে পারে না৷ আজকাল কিন্তু আমরাও এসব করছি৷ বাকিরা তো কবে থেকেই করছে৷ এতে বেশ একটা নতুনত্ব আসে৷ তাই আমরা সাহস করে এমন রোমাঞ্চকর এক কাল্পনিক জগত গড়ে তোলার প্রেরণা পাচ্ছি৷''

Gamescom Köln 2011

মোবাইলেও অনলাইন গেমস খেলার প্রবণতা বাড়ছে

সারাদিন ধরে খেলা বা নতুন আইডিয়া কাজে লাগানো – শুনতে বেশ রোমাঞ্চকর লাগে৷ কিন্তু বিগপয়েন্ট সহ অনেক কোম্পানি যথেষ্ট কর্মী খুঁজে পাচ্ছে না৷ শিল্পের শাখা হিসেবে কম্পিউটর গেমস শুধু জার্মানিতেই বছরে প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে উঠছে৷ প্রায় দুশো কোটি ইউরোর লেনদেন হচ্ছে৷ অর্থাৎ গেমস ডেভেলাপার হলে আর কাজ নিয়ে চিন্তা নেই৷ বার্লিনে গেমস অ্যাকাডেমি-তে সেই সুযোগ রয়েছে৷

এখানে অনেক ছাত্রছাত্রীই নিজেদের কোম্পানি খুলেছে৷ কম্পিউটার বা গেমস কনসোল নয় – স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য তারা গেমস তৈরি করছে৷ যে কোনো জায়গায়, যে কোনো সময়ে খেলার সুযোগ থাকতে হবে – এটাই সময়ের দাবি৷ হেলস্টর্ম ইন্টাব়্যাক্টিভ কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস্টিনে বারলেবেন বলেন, ‘‘অনেক মোবাইল গেমস কম সময়ের জন্য খেলা হয়৷ তবে টানটান উত্তেজনা সত্ত্বেও মানুষ দ্রুত তা ভুলে যায়৷ আগ্রহ টিকিয়ে রাখাই আসল কৌশল৷ নতুন নতুন উপকরণ ও গুণাগুণ যোগ করে, নতুন গেমিং লেভেল, নতুন ‘স্কিন' চালু করে গেমার-দের আকর্ষণ করতে হয়৷ গেমস আকর্ষণীয় রাখতে অনেক কিছুই করা সম্ভব৷''

নিজের কোম্পানি খোলা বা অন্যের হয়ে কাজ করা – মোটকথা ছাত্রছাত্রীদের রুজি-রোজগার নিয়ে ভাবতে হয় না৷ শুধু বার্লিন শহরেই প্রায় ১৪০টি কোম্পানি কম্পিউটার গেমস তৈরি করে৷

এসবি/ডিজি

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন