বাংলার ঐতিহ্য বৈশাখী মেলা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 14.04.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

বাংলার ঐতিহ্য বৈশাখী মেলা

বিদায় নিলো বাংলা বর্ষ ১৪১৮, আর আগমন ঘটলো নতুন বছর ১৪১৯ এর৷ নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয়ে রঙ্গীন ও বর্ণিল হয়ে বাঙালি বরণ করে নিয়েছে নতুন বছরকে৷

পহেলা বৈশাখ, বাঙালির সংস্কৃতির পরিচয়৷ সম্রাট আকবরের আমলে ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে যে ইলাহী সন চালু হয়েছিলো, তা-ই বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে৷ কৃষকশ্রেণির সেই ফসলি সন এখন বাঙালি সংস্কৃতির প্রতীক হয়ে উঠেছে৷ খ্রিষ্টাব্দের আগমনে বাঙালি উৎফুল্ল হয়, কিন্তু বঙ্গাব্দের আগমনে বাঙালি আনন্দের জোয়ারে ভাসে৷ রমনার বটমূল বৈশাখী আয়োজনের কেন্দ্র বিন্দু৷ কিন্তু এই বৈশাখীর রং লাগে গোটা দেশে, গোটা বিশ্বের আনাচে কানাচে যেখানে বাঙালি বসত করে৷ নববর্ষের রঙের ঢেউ তাই এখনও বিশ্বের আনাচে কানাচে খেলা করছে৷

বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ বৈশাখী মেলা৷ আবহমান বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য এই মেলা৷ কেবল বাংলাদেশেই বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে অন্তত দুই শতাধিক বৈশাখী মেলার আয়োজন বসে৷ সেখানে নানা স্বাদের মুড়ি-মুড়কি আর পিঠা-পুলি তো রয়েছেই, সেই আদিকাল থেকে জনপ্রিয় পুতুল নাচের আসরও এই মেলার অন্যতম আকর্ষণ৷ আর নাগরদোলায় হাওয়ায় ভেসে নববর্ষের নতুন মুহূর্তগুলোকে উপভোগ করার অনুভুতি যেন একেবারেই ভিন্ন৷ এছাড়া রয়েছে হরেক রকমের কুটির শিল্প আর হস্ত শিল্পের বাহারি প্রদর্শনী৷ দেখা মেলে বাংলার ঐতিহ্য মাটির তৈরি বিভিন্ন পণ্যেরও৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন