বাংলাদেশ বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ‘ওয়ানডে না খেলা′ আবু জায়েদ | বিশ্ব | DW | 16.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্বকাপ ২০১৯

বাংলাদেশ বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ‘ওয়ানডে না খেলা' আবু জায়েদ

বিশ্বকাপের জন্য ১৫ জনের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয়েছে৷ সাকিব আল হাসান ফিরেছেন দলে৷ দলে ডাক পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন এবং এখনো কোনো ওয়ানডে না খেলা পেসার আবু জায়েদ চৌধুরী৷ 

বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলে আছেন মাশরাফি বিন মোর্তজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, তামিম ইকবাল, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিঠুন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন এবং আবু জায়েদ চৌধুরী৷

মিরপুর শের-এ-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন৷ তাঁর মতে, এটাই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী দল৷ নিউজিল্যান্ড সফরের দল থেকে বাদ পড়েছেন পেসার শফিউল ইসলাম ও অফ স্পিনার নাঈম হাসান৷

ফিরেছেন সাকিব

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিপিএলে ফাইনালে খেলার সময় আঙুলে চোট পাওয়ায় নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়া হয়নি সাকিবের৷ চোট কাটিয়ে আইপিএল দিয়ে ক্রিকেটে ফিরেছেন বাংলাদেশ সহ-অধিনায়ক৷ আগামী সপ্তাহে বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডারের বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দেয়ার কথা৷

তাসকিনের বদলে আবু জায়েদ

গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছিলেন আবু জায়েদ চৌধুরী৷ সেবার কোনো ম্যাচে খেলার সুযোগ না পাওয়া এই পেসার ডাক পেয়েছেন বিশ্বকাপ দলে৷ বিপিএলে খেলার সময় চোট পাওয়ায় নিউজিল্যান্ড সফরের দল থেকে বাদ পড়েন তাসকিন আহমেদ৷ চোটের সঙ্গে লড়াইয়ে জিতে মাঠে ফিরলেও তাঁর ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্ট নন নির্বাচকরা৷ তাই তাঁর জায়গায় স্থান হয়েছে আবু জায়েদের৷

অভিজ্ঞতায় সেরা

এই বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতায় সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ৷  দলে আছেন সিনিয়র এমন পাঁচ ক্রিকেটার যাঁরা প্রত্যেকেই দশ বছরের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন৷ মাশরাফি, সাকিব, তামিম আর মুশফিক খেলতে যাচ্ছেন চতুর্থ বিশ্বকাপ৷ মাহমুদউল্লাহ খেলবেন তাঁর তৃতীয় বিশ্বকাপ৷

ধারণা করা হচ্ছে, এবারের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে উইকেট থাকবে ব্যাটিংবান্ধব৷ আগে ব্যাট করলে বড় পুঁজি দাঁড় করাতে হবে, পরে ব্যাট করলে ডিঙাতে হবে রানের পাহাড়৷ বাংলাদেশের টপ অর্ডারে এমন কিছু ব্যাটসম্যান দরকার ছিল, যাঁরা বল দ্রুত আসে এমন উইকেটে মেরে খেলতে পারেন৷ সাম্প্রতিক ফর্ম বাদ দিলেও এই জায়গায় সৌম্য সরকার (স্ট্রাইকরেট ৯৮.৬০) ও লিটন দাস (স্ট্রাইকরেট ৭৯.৭৪), ইমরুল কায়েসের ( স্টাইকরেট ৭১.১০) চেয়ে এগিয়ে ছিলেন৷ সহজাত স্ট্রোক খেলার সামর্থ্য তাঁদের দুজনেরই বড় শক্তির জায়গা৷

যেহেতু এক প্রান্তে তামিমের দায়িত্ব থাকবে ইনিংস ধরে রাখা, অন্য প্রান্তে দরকার চালিয়ে খেলার৷ তাই সৌম্য বা লিটন যে-ই খেলুন কিংবা দুজনেই খেললেও রানরেটের চাপ না বাড়িয়ে খেলার ভরসা তাঁদের উপর সঙ্গত কারণেই করছে টিম ম্যানেজমেন্ট৷

পেস আক্রমণ

ধারণা করা হচ্ছে এটাই মাশরাফি শেষ বিশ্বকাপ৷ ফলে এই বিশ্বকাপকে তিনি স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন৷ রুবেল হোসেন গতি, শর্ট বল আর রিভার্স সুয়িং করানোর সামর্থ্য দিয়ে প্রভাব ফেলতে পারেন৷ কিন্তু সবচেয়ে বেশি যাঁকে নিয়ে আশা, সেই মুস্তাফিজুর রহমান কেমন করবেন তা নিয়ে আছে সংশয়৷ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বোলিং এখন আগের চেয়ে ধারালো, সেই সঙ্গে শেষ দিকে তাঁর ব্যাটিংটাও বাড়তি পাওনা৷

পেসার আবু জায়েদ রাহী এগিয়ে গিয়েছেন কন্ডিশনের কারণে৷ দুই দিকে বল স্যুয়িং করানোর সহজাত সামর্থ্য আছে তার৷ ইংলিশ কন্ডিশনে রাহীর স্যুয়িং কাজে লাগাতে চায় দল৷

স্পিনার

স্পিনার হিসেবে সাকিবের সঙ্গে আছেন মিরাজ৷ ওয়ানডে দলে যে-কোনো বিচারে এই দুজনই বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের মূল শক্তি৷ প্রতিপক্ষ আর পরিস্থিতি বিবেচনায় মিরাজের বিকল্প হতে পারেন মোসাদ্দেক৷ ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফর্ম করার পুরস্কার অবশ্য ইয়াসির পেয়েছেন আয়ারল্যান্ড ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে সু্যোগ পেয়ে৷

এপিবি/এসিবি (সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ডেইলিস্টার)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন