‘বাংলাদেশ পুলিশ ইচ্ছা করলেই সব পারে′ | পাঠক ভাবনা | DW | 06.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘বাংলাদেশ পুলিশ ইচ্ছা করলেই সব পারে'

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে এমন বই পুলিশকে দিয়ে স্ক্যান করতে দেয়াকে ভালো উদ্যোগ বলে মনে করছেন বহু পাঠক৷ তবে ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় কেউ কেউ ভিন্ন মতও প্রকাশ করেছেন৷

‘‘অবশ্যই ভালো উদ্যোগ৷ লেখক-প্রকাশক ভিন্ন কথা বলতেই পারে৷ তাতে দৃষ্টিপাত করার কোনো দরকার নাই৷ পুলিশের এই কাজকে পূর্ণ সমর্থন করলাম৷'' এই মন্তব্য পাঠক পল্লব দেবনাথের৷

বইমেলা শুরুর আগের দিন পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কোনো বই কেউ প্রকাশ করছে কিনা, সেটা অনুসন্ধান করে দেখবে পুলিশ৷ কোনো বই ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি করছে খবর পেলে সেই বই জব্দ করা হবে৷ তাছাড়া যারা সেই বই প্রকাশ করবেন ও বিক্রি করবেন তাদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ৷''

পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়ার এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ইঞ্জিনিয়ার মাজেদ ভুইয়ার মন্তব্য: ‘‘বাংলাদেশ পুলিশ ইচ্ছা করলেই সব পারে, এটা প্রায় শতভাগ মানুষই বিশ্বাস করে৷ তবে পুলিশের পক্ষে এত বড় দায়িত্বগ্রহণ বাস্তবে কি সম্ভব? তবু অতি প্রাচীন ও শতভাগ প্রমাণিত প্রবাদ দিয়ে শেষ করতে চাই, সব ভালো তার শেষ ভাল যার৷''

এছাড়া রাসেল ভুইয়া এবং ফজলুর রহমান, সাগর আহমেদ, সুজনসহ অনেকেই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে এমন বই পুলিশকে স্ক্যান করতে দেয়ার উদ্যোগকে ভালো উদ্যোগ বলেই মনে করছেন৷

 পাঠক মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিনও এই উদ্যোগকে সমর্থন করেন৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি পুলিশকে ভালোবাসি৷''

ডয়চে ভেলের ফেসবুর পাতায় মঈন আহমেদ মন্তব্য, ‘‘বই জ্ঞানের উৎস, সেটা কেন দাঙ্গা-হাঙ্গামার উৎস হবে?''

পাঠক ইমরোজ আহমেদ অবশ্য মনে করেন না যে পুলিশের বই স্ক্যান করা উচিত৷ তাঁর মতে, এমন বই যাঁদের পড়া উচিত নয়, তাঁরা না পড়লেই তো হয়৷ স্ক্যান করে বন্ধ করে দেওয়ার অর্থ কী? বাংলাদেশ কি ইসলামিক রিপাবলিক হয়ে গেছে? এ ব্যাপারে ইমরোজ আহমেদের সাথে পাঠক ইকবুল হোসেন পুরোপুরি একমত৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন