বাংলাদেশ থেকে আবারো জনশক্তি নেবে আরব আমিরাত | বিশ্ব | DW | 19.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে আবারো জনশক্তি নেবে আরব আমিরাত

২০১২ সালের আগস্ট থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের কাজ করার জন্য ভিসা দেয়া বন্ধ ছিল৷ কিন্তু এবার সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের ফলে সেখানে বাংলাদেশিদের ভিসা সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক অধ্যায়ের সূচনা হলো৷

২০১২ সালের আগস্ট থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের কাজ করার জন্য ভিসা দেয়া বন্ধ ছিল৷ কিন্তু এবার সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের ফলে সেখানে বাংলাদেশিদের ভিসা সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক অধ্যায়ের সূচনা হলো৷

বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত৷ স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে দুবাইয়ে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন৷

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী নাসের বিন থানি জুমা আল-হামলি ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব নমিতা হালদার ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান উপস্থিত ছিলেন৷

আরব আমিরাতের ফেডারেল সরকারের মন্ত্রী নাসের বিন থানি জুমা আল-হামলি জানান, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র বিশেষ করে আরব আমিরাতে দক্ষ জনশক্তি আমদানির ক্ষেত্রে দু'দেশের মধ্যে সন্তোষজনক বোঝাপাড়া রয়েছে৷

এ জনশক্তি আমদানি দুই দেশের আইন ও নীতিমালার ভিত্তিতেই বাস্তবায়িত হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি৷ এতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের নিয়ম-নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে৷ দেশটিতে গৃহকর্মী নিয়োগের কাজ করবে সরকার অনুমোদিত তদবীর সার্ভিস সেন্টার৷ বাংলাদেশেরও শুধু নিবন্ধিত ও সনদধারী বেসরকারি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিগুলো সেখানে কাজ করতে ইচ্ছুকদের তালিকা পাঠাতে পারবে৷

নিয়োগপত্রে কাজের বিবরণ, বেতন, অন্যান্য সুবিধা, খাবার, আবাসন ও প্রয়োজনে পরিবহণের ব্যবস্থার কথা উল্লেখ থাকবে৷ ওয়েজেস প্রটেকশন সিস্টেমের আওতায় বেতন দেওয়া হবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ডোমেস্টিক ওয়ার্কার্স শ্রেণিতে শ্রমিক, নাবিক, ওয়াচম্যান, মেষপালক, সহিস, পাখিপালক, হাউজকিপার, বাবুর্চি, আয়া, কৃষক, বাগানকর্মী, প্রাইভেট টিউটর, প্রাইভেট ট্রেইনার, ফার্ম সুপারভাইজার ও গাড়িচালক নেওয়া হবে৷

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বাংলাদেশের অন্যতম অনলাইন পত্রিকা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘‘এ চুক্তি স্বাক্ষর ভিসা সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক অধ্যায়ের সূচনা করল৷ এটা শুরু মাত্র৷ আমরা আশা করি আস্তে আস্তে সব সংকটের একটা সুরাহা হবে৷''

এর আগে গত ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি ৮ বছর পর সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের মধ্যকার যৌথ কমিশনের চতুর্থ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷

২০১২ সালের আগস্ট মাসের মাঝামাঝি থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের কাজ করার জন্য সব ধরনের ভিসা দেয়া বন্ধ রয়েছে৷ তাই এবার, জনশক্তি আমদানিতে এ সমঝোতা চুক্তি আমিরাত সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক বলে মনে করছেন দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা৷

এইচআই/ডিজি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন