বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট: নিরাপত্তা নয়, উদ্বেগ বৃষ্টি নিয়ে | বিশ্ব | DW | 26.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

খেলাধুলা

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট: নিরাপত্তা নয়, উদ্বেগ বৃষ্টি নিয়ে

রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দুই টেস্ট সিরিজের প্রথমটি৷ ভিভিআইপি নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলকে৷ তবে টেস্ট চলাকালীন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস৷

প্রথম টেস্ট শুরুর ৯ দিন আগে বাংলাদেশে এসেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট দল৷ প্রতিদিনই মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছেন তারা৷ ভিভিআইপির মর্যাদা দিয়ে সেখানে তাদের নিয়ে যাচ্ছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা৷ একই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্টেডিয়াম থেকে হোটেলে ফিরেছেন৷ শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা নিয়ে নিজেদের সন্তুষ্টির কথাও বলেছেন স্মিথরা৷ তিন দিন আগে স্টেডিয়ামে নিরাপত্তা মহড়া দিয়েছে কমান্ডো বাহিনী৷

নিরাপত্তা নিয়ে নানা আলোচনার পর অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে আসায় সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী৷ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ কমলেও শঙ্কা রয়েছে বৃষ্টি নিয়ে৷ আবহাওয়া দফতর থেকে বলা হচ্ছে, আগামী ৫ দিন থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে৷ রবিবার-সোমবার এক থেকে দুই বার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা আছে৷ আর পরের তিনদিন এর থেকেও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস৷ ফলে ৫দিনের এই টেস্টে বৃষ্টি বিপত্তি যে থাকবে সেটা বলাই যায়৷

অডিও শুনুন 01:22

‘আশার কথা- এই বৃষ্টি দীর্ঘ সময় ধরে হবে না’

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তা আব্দুর রহমান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আগামী ৫ দিন স্বস্তিতে কাটবে সেটা বলা যাচ্ছে না৷ টেস্ট চলাকালেই বৃষ্টি কয়েক দফা হানা দিতে পারে৷ তবে আশার কথা- এই বৃষ্টি দীর্ঘ সময় ধরে হবে না৷ আধা ঘণ্টা-এক ঘণ্টা হলেও থেমে যাবে৷ এরপরই রোদ উঠবে৷ ফলে বৃষ্টি বাধা থাকলেও খেলা একেবারে বন্ধ হবে না৷''

প্রথম টেস্ট শুরু হচ্ছে রবিবার থেকে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে৷ আর দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ৪ঠা সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে৷ ঢাকার মতো করে চট্টগ্রামেও খেলার সময় নিরাপত্তা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের৷ হোটেল থেকে শুরু করে স্টেডিয়াম পর্যন্ত পুরো রাস্তায় থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা৷

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘নিখুঁত পরিকল্পনার সাথে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজিয়েছি৷ প্রতিটি মানুষের চলাফেলা আমরা সতর্কতার সঙ্গে দেখছি৷

অডিও শুনুন 01:26

‘সবগুলো বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে’

হোটেল থেকে শুরু করে স্টেডিয়াম পর্যন্ত কোথাও নিরাপত্তায় ফাঁক রাখা হয়নি৷ স্টেডিয়ামকে ঘিরে আমাদের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে৷ বেশ কিছু নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে৷ সেখানে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ রয়েছে, যেখান থেকেই পুরো বিষয়টি মনিটরিং করা হবে৷ শুধু পুলিশ নয়, সবগুলো বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে৷ এর আগে আমরা স্টেডিয়াম ঘিরে মহড়া দিয়েছি৷ পুরো প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে৷''

এদিকে ২২শে আগস্ট থেকে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও ফতুল্লা স্টেডিয়াম খেলার অনুপযুক্ত থাকায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়৷ পাশাপাশি বাংলাদেশের দল ঘোষণা নিয়ে এবার তৈরি হয়েছে চরম নাটকীয়তা৷ গত ১৯শে আগস্ট প্রথম টেস্টের জন্য ১৪ সদস্যের দল ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), সেখানে বাদ দেয়া হয়েছিল মুমিনুল হককে৷ দেশজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পরদিন দল থেকে মোসাদ্দেক হোসেনকে বাদ দিয়ে দলে নেয়া হয় মুমিনুলকে৷

মুমিনুলের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু তখন বলেছিলেন, ‘‘মোসাদ্দেক হোসেনের পরিবর্তে মুমিনুলকে নেওয়া হয়েছে৷ মোসাদ্দেকের চোখের অবস্থা ভালো নয়৷ সূর্যের নিচে আগামী ৭ থেকে ১০দিন সে কাজ করতে পারবে না, শুধুমাত্র ইনডোরে কাজ করতে পারবে৷ এ কারণে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে৷ মোসাদ্দেকের সমস্যা বেশ আগে থেকেই ছিল৷''  দল ঘোষণার সময় বিষয়টি নিয়ে কেন ভাবা হয়নি প্রশ্নে নান্নু বলেছেন, ‘‘আমরা ভেবেছিলাম ওর চোখ ঠিক হয়ে যাবে৷ কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে খেলালে ভবিষ্যতে ওর সমস্যা হতে পারে৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন