বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় ডিজিটাল স্টার্টআপ | আলাপ | DW | 22.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় ডিজিটাল স্টার্টআপ

বাংলাদেশে প্রযুক্তিখাতের নতুন ব্যবসা উদ্যোগ বা স্টার্টআপের সম্ভাবনা বিপুল৷ অনেক সম্ভাবনাময় উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখছে৷ বিদেশিরাও এ খাতে অর্থলগ্নি করছে৷ আবার অনেকগুলোই মুখ থুবড়ে পড়ছে৷

মিলি (ছদ্ম নাম) সাজতে পছন্দ করেন৷ পেশাগত কারণেও মেকাপ করতে হয়৷ খবর রাখেন কখন সাজের কোন পণ্যটি বেরুলো৷ এছাড়া গরমে, শীতে কখন ত্বকের কোন ধরনের যত্ন নিতে হবে, সে বিষয়ে আপডেট থাকা চাই তাঁর৷

আগে পত্রিকার সঙ্গে যে লাইফস্টাইল কাগজগুলো থাকতো, সেখানেই চোখ থাকতো তাঁর৷ এরপর ইউটিউব, ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ছাড়াও মেকআপ ও ত্বকের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে গড়ে ওঠা নানান ব্লগও ফলো করতেন৷ এখন অবশ্য তাঁকে খুব বেশি খোঁজাখুঁজি করতে হয় না৷ সব পেয়ে যান সাজগোজ ডটকমে৷ এই প্লাটফর্মটিতে তিনি নিয়মিত ত্বকের যত্নে নিত্য নতুন কন্টেন্ট পান৷ কাজ চলে যায়৷

সাজগোজ ডটকম মিলির মতো প্রায় লাখো বাংলাদেশি নারীর কাছে পৌঁছে গেছে৷ এই ডিজিটাল স্টার্টআপটির ফেসবুক ফলোয়ার প্রায় তেরো লাখ৷

‘‘বাংলাদেশে এমন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো এখন গড়ে উঠছে৷ খুব সুবিধা হয়৷ শুধু কি ত্বক? এখন তো জামাকাপড়ও কিনি অনলাইনে৷''

মিলির মতো অনেকেই তাঁর প্রয়োজনের সেবাটি আজকাল অনলাইনেই পেয়ে যান৷ বিশেষ করে গেল কয়েক বছরে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে৷ যেসব ক্ষেত্রে এই পোর্টালগুলো সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, তা হলো, পরিবহন, খাবার, লাইফস্টাইল, মেডিকেল ও শিক্ষাখাতের ই-কমার্স ও কন্টেন্ট সেবাগুলো৷

যোগাযোগ খাত

বাংলাদেশে যোগাযোগ খাতের অ্যাপভিত্তিক সেবাগুলোর চাহিদা বেশ বেড়েছে৷ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান উবার বাংলাদেশে গাড়িতে করে যাত্রী পরিবহণের পাশাপাশি বাইক সেবাও দিচ্ছে৷

এক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও' খুব ভালো করছে৷ প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা হুসেইন ইলিয়াস এর আগে ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘ প্রথমে ছিল অন ডিমান্ড প্রডাক্ট ডেলিভারি৷ কিন্তু ভালো করছিলাম না৷ ২০১৬ সালের নভেম্বরে আমরা অন ডিমান্ড প্রডাক্টের বদলে অন ডিমান্ড রাইড চালু করি৷ খুব সাড়া পাই৷'' তিনি জানান যে, গত বছর জুলাই পর্যন্ত ২ লাখের বেশি মানুষ ‘পাঠাও' ডাউনলোড করেছেন৷

এছাড়া, নিজের বাইক দিয়ে এই অ্যাপভিত্তিক প্লাটফর্মের মাধ্যমে সেবা দিতে ১০ থেকে ১৫ হাজার জন ডাউনলোড করেছেন ‘পাঠাও'-এর ড্রাইভার অ্যাপ৷ সম্প্রতি এই স্টার্টআপে দুই লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে ইন্দোনেশিয়ার ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম স্টার্টআপ গো-জেক৷ অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হচ্ছে বাংলাদেশি স্টার্টআপগুলো, যেটি নি:সন্দেহে ইতিবাচক৷

নারীদের জন্যও আছে বিশেষ বাইক রাইডিং সেবা ‘পিংক স্যাম'৷ এখানে নারীই যাত্রী, নারীই চালক৷ আবার সহজ ডটকমের মতো ডিজিটাল অ্যাপগুলোর মাধ্যমে সহজেই কেনা যাচ্ছে দূরপাল্লার বাস কিংবা লঞ্চের টিকেট৷ 

খাবার

নাগরিক জীবনে খাবারের সংস্কৃতি অনেকটাই বদলে দিয়েছে এই খাবারের হোম সার্ভিসগুলো৷ পছন্দের রেস্টুরেন্টের খাবার এক ঘন্টার মধ্যে পৌঁছৈ যাচ্ছে নগরবাসীর টেবিলে৷

ঢাকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় বহুজাতিক কোম্পানি ফুডপান্ডা৷ ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে বহুজাতিক কোম্পানি ফুডপান্ডা যাত্রা শুরু করে এ দেশে৷ সাড়ে ছয়শ' রেস্টুরেন্টের সঙ্গে তাদের চুক্তি আছে৷

তবে এ ধরনের সার্ভিস প্রথম দিতে শুরু করে ‘হাংরি নাকি'৷ তারা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে কাজ করছে৷ এছাড়া আছে ফুডমার্ট, খানাহিরো ইত্যাদি হোমসার্ভিস৷

অডিও শুনুন 09:37
এখন লাইভ
09:37 মিনিট

‘আমাদের সাইটগুলো পণ্যের মার্কেটিংয়েও বড় রোল প্লে করছে’

পোশাক ও ঘরের সামগ্রী

এগিয়ে আছে পণ্যের ডিজিটাল মার্কেট ধরনের স্টার্টআপগুলোও৷ বাগডুম ডটকম, এসো ডটকম, রকমারি ডটকম, চালডাল ডটকম, প্রিয়শপ ডটকম, আইটি বাজারবিডিসহ অসংখ্য অনলাইনভিত্তিক এসব মার্কেটপ্লেস আছে৷ এরা সাধারণত বিজনেস-টু-কনজিউমার বা বিটুসি পদ্ধতিতে কাজ করে৷ অর্থাৎ মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্য এদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেনা যায়৷ এতে বেচে যায় সময়৷

যেমন, বাগডুম ডট কম আগে ‘এখনি ডট কম' নামে যাত্রা শুরু করে৷ ২০১৬ সালে তারা ‘বাগডুম ডট কম' নামে নিজেদের ব্র্যান্ডিং করে৷

তাদের ওয়েব পোর্টালে ৪৫০টি অ্যাক্টিভ ব্র্যান্ডের পণ্য আছে৷ প্রতিষ্ঠানটির সিইও মিরাজুল হক মনে করেন, এসব সেবা সুলভে পাওয়াই ই-কমার্স প্রসারের সবচেয়ে বড় কারণ৷ ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন,‘‘গেল দুই-তিন বছরেই আসলে বাংলাদেশে ই-কমার্স ভালো জায়গা করে নিতে পেরেছে৷ '' 

‘‘আমরা কাস্টমারকে সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি দেবার চেষ্টা করি৷ কাস্টমার পণ্য অর্ডার দেবার পর তা আমরা এখানে গুণগত মান যাচাই করে তবেই পৌঁছে দিই৷''

বাগডুমের এখন ১০ লাখের বেশি অ্যাক্টিভ কনজিউমার আছেন৷ ডেটাবেজ আছে ১৫ লাখ জনের৷ মিরাজুল মনে করেন, মানুষ সহজে পণ্য পাচ্ছে, অর্থাৎ পণ্য দেখার জন্য বাজারে যাওয়া, দোকান ঘুরে কেনা এবং বাড়ি নিয়ে আনা, এতসব কাজ সহজ করে দিচ্ছে এই অনলাইন পোর্টালগুলো৷ তাঁর দাবি, ‘‘শুধু তাই নয়, আমাদের সাইটগুলো বড় বড় মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যের মার্কেটিংয়েও বড় রোল প্লে করছে৷''

তাঁর মতে, স্টার্টআপগুলোর জন্য এখনো কয়েকটি চ্যালেঞ্জ আছে৷ ‘‘ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে পৌঁছাতে সময় লেগে যায়৷ লজিস্টিক্সের জায়গা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আমরা৷''

এছাড়া, এসব কাজে প্রচুর কনজিউমার ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়৷ তাই ডেটা সায়েন্টিস্টেরও ঘাটতি আছে বলে মনে করেন তিনি৷

স্বাস্থ্যসেবা

স্বাস্থ্যসেবায়ও অনেক ডিজিটাল অ্যাপ কাজ করছে৷ যেমন ডক্টোরোলা, জিয়ন, ইজিপ্রেস, সিএমইডিসহ অনেকগুলো ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান সেবা চালু করেছে৷ এগুলোর কোনো কোনোটি খুব ভালো করছে৷

যেমন, ডক্টোরোলা গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ফোর্বস ম্যাগাজিনের স্টার্টআপ কোম্পানির তালিকায় স্থান করে নিয়েছে৷ ওই তালিকায় পুরো পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেছে বেছে মোট ৮টি কোম্পানির নাম উল্লেখ করা হয়েছে৷ তার মধ্যে ডক্টোরোলার স্থান ষষ্ঠ৷

অডিও শুনুন 06:34
এখন লাইভ
06:34 মিনিট

‘ইউজাররা তাঁদের অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে আস্থাহীনতায় ভোগেন’

এই প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে খুব সহজেই নির্দিষ্ট রোগের ডাক্তার খুঁজে পাওয়া যায় এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট করা যায়৷

শিক্ষা

শিক্ষাক্ষেত্রেও অনেকগুলো ডিজিটাল স্টার্টআপ গড়ে উঠেছে৷ এর মধ্যে আয়মান সাদিকের টেন মিনিট স্কুল তো ভীষণ জনপ্রিয়৷ এছাড়া আরো অসংখ্য প্লাটফর্ম আছে৷ কেউ কেউ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইডিএক্স, ফিউচার লার্নের মতো অনলাইন লার্নিং প্লাটফর্ম গড়ে তুলেছেন৷ যেমন, রেপটো এডুকেশন সেন্টার৷ এখানে অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়ে কোর্স করা সম্ভব৷

এসব কোর্সের লেকচার প্রতিষ্ঠানটি ক্রাউড সোর্সিং করে থাকে৷ অর্থাৎ কেউ একটি লেকচার তৈরি করে তা এখানে রাখতে পারবেন, এবং সেটি বিক্রয়ের সুযোগ পাবেন৷ আর ব্যবহারকারীরা অর্থের বিনিময়ে এসব কোর্স করে উপকৃত হবেন৷

বাংলাদেশের শিক্ষাপদ্ধতির বাইরে যেন একজন প্রয়োজনীয় একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন, সেই সুযোগ দিচ্ছে এই প্লাটফর্ম৷

ই-পেমেন্ট

ই-পেমেন্টও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে৷ ইদানিং মানুষ ডিজিটাল ওয়ালেটের দিকে ঝুঁকছেন৷ বিকাশ, রকেটের মাধ্যমে অনেকেই লেনদেন করেন এবং এটি বেশ জনপ্রিয়৷ এছাড়াও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান পেয়জা'র বাংলাদেশ অপারেশন আছে৷ ডিজিটাল এসব কার্ডের মাধ্যমে দেশ বিদেশ থেকে পণ্য কেনাবেচাসহ লেনদেন করতে পারবেন৷

তবে এ ধরনের ই-পেমেন্ট নিয়ে এখনো যথেষ্ট আস্থা তৈরি হয়নি মানুষের মধ্যে, তেমনটিই জানাচ্ছিলেন, মোবাইল পেমেন্ট ওয়ালেট পে৩৫৬ এর প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর নাহিদ আল আমিন৷

‘‘ইউজাররা তাঁদের অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে আস্থাহীনতায় ভোগেন৷'' ডয়চে ভেলেকে বলছিলেন তিনি৷

‘‘আমরাও আস্তে আস্তে কাজ করছি৷ এখন পর্যন্ত ২০টি মার্চেন্ট কোম্পানি নিয়ে আমরা কাজ করছি৷ আমাদের অ্যাক্টিভ ইউজার সংখ্যা ২ হাজার৷''

নাহিদ বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয় এসব ই-পেমেন্ট ওয়ালেটগুলোতে৷ ‘‘ট্রানজেকশনের সময় ইউজারের আইডেন্টিটি আমাদের কাছে থাকে না৷ তাঁর ডিটেইল থাকে ব্যাংকের কাছে৷ আমাদের অ্যাপ একটি নাম্বারের মাধ্যমেই ইউজারকে চেনে৷ সেই নাম্বারের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে লেনদেন হয়৷''

বাংলাদেশে ক্যাশলেস ট্রানজেকশনের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলেই মনে করেন তিনি৷

অডিও শুনুন 15:53
এখন লাইভ
15:53 মিনিট

‘স্রোতে গা ভাসানো উচিত নয়’

ডিজিটাল স্টার্টআপের সম্ভাবনা

বাংলাদেশে ডিজিটাল স্টার্টআপের সম্ভাবনা ব্যাপক৷ বর্তমান সরকার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা দিচ্ছে৷

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)-র এক হিসেব দেখাচ্ছে, গেল বছর বাংলাদেশে সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাত কোটি ছাড়িয়েছে৷

এদের ৯৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ গ্রাহক মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে৷

১৭ কোটি মানুষের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ৷ এর অর্থ, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বড় অংশটিই তাদের মোবাইলের মাধ্যমে তা ব্যবহার করেন৷

এছাড়া জনসংখ্যার ৬০ ভাগ তরুণ৷ গড় বয়স ২৫-এর কাছাকাছি৷

তাই তরুণদের মাঝে স্টার্টআপের প্রতি আগ্রহেরও কমতি নেই৷ তাই প্রতিদিনই স্টার্টআপ জন্ম নিচ্ছে৷ 

এখন দেশে বারশ’রও বেশি আইটি কোম্পানি আছে৷ গেল নভেম্বরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক জানান যে, এ খাত থেকে ২০১৭ সালে আয়ের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ছ’হাজার কোটি টাকা, যা ২০১৮ সালে আট হাজার কোটি স্পর্শ করবে৷ ২০২১ সালে এ খাত থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে৷ 

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, স্টার্টআপগুলোর বেশিরভাগই টিকছে না৷ এর কারণ, এ সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব৷ এ বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট রাসেল টি আহমেদ ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘অনেকেই না ভেবে, না জেনে স্টার্টআপ খুলে বসছে, পরে সফলতা না পেয়ে হতাশ হচ্ছে৷''

তাঁর মতে, একজন তরুণ বা নতুন উদ্যোক্তা যা করতে চান, তার সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান থাকতে হবে এবং ব্যবসা বুঝতে হবে৷

‘‘সারা বিশ্বে এবং আমাদের দেশেও স্টার্ট আপ ইভেন্টভিত্তিক হয়ে যাচ্ছে৷ আমরা বেসিস ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও ইভেন্ট করেছি৷ এতে দেখা যায়, একটা বিশ্ববিদ্যালয় সদ্য পাশ হওয়া তরুণের মাথায় একটা কিছু এলে তা নিয়ে চলে আসে৷ এ সম্পর্কে তার যথাযথ জ্ঞান না থাকায় এবং ব্যবসা না বুঝতে পারায় ব্যর্থ হয়৷ কেউ যখন স্রোতে গা ভাসিয়ে স্টার্ট আপ করতে যায়, সেক্ষেত্রে তার ব্যর্থ হবার আশঙ্কা অনেক বেশি৷''

 

ডিজিটাল স্টার্টআপের চ্যালেঞ্জগুলো কি কি? মন্তব্য করুন নিচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন