বাংলাদেশে যেতে বিমানে ‘স্কাই মার্শাল′ চায় ভারত | বিশ্ব | DW | 28.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ-ভারত

বাংলাদেশে যেতে বিমানে ‘স্কাই মার্শাল' চায় ভারত

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলরত ভারতীয় বিমানে নিজস্ব সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করতে চায় ভারত৷ এই প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছে৷ তবে কেন ভারত এরকম চাইছে, তা স্পষ্ট করে বলছেন না কেউ৷

ভারতীয় দূতাবাস গত ১০ মার্চ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে উড়োজাহাজের ভেতরে সশস্ত্র স্কাই মার্শাল নিয়োগের ইচ্ছার কথা জানায়৷ তারা বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকেও (বেবিচক) চিঠির একটি অনুলিপি দিয়েছে৷

বেবিচক ডয়চে ভেলেকে এই চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়েছে৷ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি৷ তবে এটা কোনো বিশেষ ঘটনা নয় বলে দাবি করেছেন বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাঈম হাসান৷ ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘এয়ারলাইন্সগুলো চাইলে তাদের উড়োজাহাজে আলাদা সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী রাখতে পারে৷ এটা নিয়মের মধ্যেই আছে৷ শুধু প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে হয়৷ আমরা ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে চিঠি পেয়েছি৷ বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক হবে৷ তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে যে, অনুমোদন দেয়া হবে কিনা৷''

অডিও শুনুন 00:24

ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে চিঠি পেয়েছি: নাঈম

বাংলাদেশে গত মাসে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ ছিনতায়ের চেষ্টা হয়েছিল৷ এর পর তিন দফায় নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে চোখ এড়িয়ে বৈধ অস্ত্রসহ বিমানবন্দরে প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে৷ এখন প্রধান বিচারপতি'র মতো পদমর্যাদার ব্যক্তিদের নিরাপত্তা তল্লাশি করা হয়৷ এই সব মিলিয়ে বিশেষ কোনো কারণে ভারতের উড়োজাহাজে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের প্রশ্নটি এসেছে কিনা, জানতে চাইলে এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাঈম হাসান বলেন, ‘‘না, বিশেষ কোনো কারণ নেই৷ বিশেষ কোনো কারণের কথা বলাও হয়নি৷ আমাদের সব কিছুতেই একটু বেশি টেনশন, এটা স্বাভাবিক ঘটনা৷ যে-কোনো এয়ারলাইন্স চাইলে তাদের যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য অনুমোদন নিয়ে তাদের উড়োজাহাজে নিজস্বরক্ষী রাখতে পারে৷''

এই বিষয়ে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের কাছে জানতে চাইলে কোনো বিস্তারিত তথ্য পায়নি ডয়চে ভেলে৷ শুধু বলা হয়েছে, এই কাজের জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন৷ তিনি ফিরলে জানা যাবে৷

তবে ভারতীয় দূতাবাসের চিঠিতে স্কাই মার্শাল নিয়োগের আগে ভারতীয় ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)-এর একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে আলোচনার আগ্রহের কথা বলা হয়েছে৷

বাংলাদেশে ২৯টি বিদেশি এয়ারলাইন্স তাদের উড়োজাহাজ পরিচালনা করে৷

অডিও শুনুন 00:56

অনুমোদনের কাগজ এলে পালন করব: ফারুক

এরমধ্যে সৌদি আরবের এয়ারলাইন্স সাউদিয়া তাদের উড়োজাহাজে যাত্রীদের নিরাপত্তায় নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী ব্যবহার করে বলে ডয়চে ভেলেকে জানান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল ফরুক৷ তিনি বলেন, ‘‘ভারতীয় উড়োজাহাজে স্কাই মার্শালের ব্যাপারে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি সিদ্ধান্ত নেবে৷ এটি এয়ারপোর্ট পরিচালকের বিষয় নয়৷ আমার কাছে যখন অনুমোদনের কাগজ আসবে তখন আমি সেটা পালন করব৷''

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘এটা এয়ালাইন্সগুলোর নিজস্ব সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্টের বিষয়৷ কোন এয়ারলাইন্স উড়োজাহাজের ভেতর তার যাত্রীদের কীভাবে নিরাপত্তা দেবে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার৷ এটা কোনো বিশেষ ঘটনা নয়৷ এটা একটি স্বাভাবিক ঘটনা৷''

জানেন না মন্ত্রী

এদিকে বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ভারতীয় দূতাবাস তাদের উড়োজাহাজে সশস্ত্র স্কাই মার্শাল নিয়োগের কোনো প্রস্তাব দিয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই৷ তবে আমাদের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ ভালো৷ এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই৷''

প্রসঙ্গত, ভারতীয় ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড-এর বাছাই করা কমান্ডো দিয়ে স্কাই মার্শাল গঠন করা হয়৷ তারা উড়োজাহাজ ছিনতাই এবং জিম্মি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত৷

ভারতের এই চাওয়াকে কীভাবে দেখছেন? লিখুন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷ 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন