1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝে ‘ইসলামি পতাকা’ নিয়ে আলোচনা

প্রকাশিত ২৯ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝে ‘ইসলামি পতাকা’ নিয়ে আলোচনা, মিয়ানমারে সংঘাতে নিহত এক লাখেরও বেশি মানুষ, বাংলাদেশে অন্তত ৩১১ উগ্রপন্থি পলাতক: পুলিশ, ডেঙ্গু সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার শঙ্কা... আরো খবর এখানে।

https://p.dw.com/p/5GDYp
ঢাকায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিছিল
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘‘এসব (কালিমা-খচিত) পতাকা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটালে ব্যবস্থা নেয়া হবে৷’’ছবি: Munir Uz Zaman/AFP
স্কিপ নেক্সট সেকশন আপনার যা জানা দরকার

আপনার যা জানা দরকার

  • বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝে ‘ইসলামি পতাকা’ নিয়ে আলোচনা
  • মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংঘাতে নিহত এক লাখেরও বেশি মানুষ
  • বাংলাদেশে অন্তত ৩১১ উগ্রপন্থি পলাতক: পুলিশ 
  • বাংলাদেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার শঙ্কা
  • ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দুই হাজার
  • পাকিস্তানে বিমান হামলার দাবি আফগানিস্তানের
  • জার্মানিতে তাপপ্রবাহের মোকাবিলা নিয়ে সমালোচিত সরকার
  • সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্বে ছিল ঢাবি-র পড়ুয়ারা: তারেক
  • ভারতে বাস-ট্রাক ধাক্কা, আগুন, নিহত সাত
স্কিপ নেক্সট সেকশন বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝে ‘ইসলামি পতাকা’ নিয়ে আলোচনা
১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝে ‘ইসলামি পতাকা’ নিয়ে আলোচনা

ঢাকায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিছিল
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘‘এসব (কালিমা-খচিত) পতাকা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটালে ব্যবস্থা নেয়া হবে৷’’ ছবি: Munir Uz Zaman/AFP

সংবিধান অনুযায়ী ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ যখন ফিফা বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভাসছে, তখনই সারা দেশে ‘ইসলামি পতাকা’ উত্তোলনের আহ্বান জানান কট্টরপন্থি এক ধর্মীয় বক্তা৷ তাতে সাড়া দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় উত্তোলন করা হয় সেই পতাকা৷ 
মুসলিম-অধ্যুষিত বাংলাদেশে ফুটবল খুব জনপ্রিয়৷ দেশজুড়ে রয়েছে ফুটবলখেলুড়ে বিভিন্ন দেশের অসংখ্য সমর্থক৷ তাদের মধ্যে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের সমর্থকই সবচেয়ে বেশি৷ বিশ্বকাপের সময় দেশজুড়ে দক্ষিণ আমেরিকার দুই ফুটবল পরাশক্তির পতাকা ছড়িয়ে পড়াও দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা স্বাভাবিক ঘটনা৷
কট্টরপন্থি ধর্মীয় নেতা মুফতি হারুন ইজহার সম্প্রতি এক বক্তৃতায় তার অনুসারীদের আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা নামিয়ে সম্ভব সব জায়গায় কালিমা-খচিত সাদা পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানান৷ এরপর দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এ ধরনের পতাকা উড়তে দেখা যায়৷ বিষয়টি নজরে আসার পর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘‘এসব পতাকা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটালে ব্যবস্থা নেয়া হবে৷’’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, কালিমা-খচিত পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে৷ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘এটি বিশ্বজুড়ে ভুল বার্তা দিতে পারে৷’’
এসিবি/ জেডএইচ (এএফপি)

https://p.dw.com/p/5GOxe
স্কিপ নেক্সট সেকশন মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংঘাতে নিহত এক লাখেরও বেশি মানুষ
প্রকাশিত ১ জুলাই ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংঘাতে নিহত এক লাখেরও বেশি মানুষ

রাখাইন রাজ্যের ম্রাউক উ শহরের এক হাসপাতালে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়৷ মৃতদেহগুলো দাফনের জন্য সারি করে রাখা হয় সমাধিক্ষেত্রে৷ মৃতদেহের সামনে শোকার্ত স্বজনদের ভিড়৷ (ফাইল ফটো)
আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডাটা (এসিএলইডি) নামের সংঘাত পর্যবেক্ষণ সংস্থা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে সংঘাতে অন্তত এক লাখ ১১৪ জন মানুষ নিহত হয়েছে৷ছবি: AFP


একটি সংঘাত পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত এক লাখেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে৷
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী৷ ক্ষমতাচ্যুত করার পর শান্তিতে নোবেলজয়ী সুচিকে আটক করা হয়৷
ক্ষমতা দখলের পর অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ নিরাপত্তা বাহিনী কঠোরভাবে দমন শুরু করলে আন্দোলনকারীদের একাংশ শহর ছেড়ে গিয়ে গণতন্ত্রপন্থি গেরিলা গোষ্ঠী গড়ে তোলে৷ কেন্দ্রীয় শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসা জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিলে যুদ্ধ শুরু করে তারা৷ আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডাটা (এসিএলইডি) নামের সংঘাত পর্যবেক্ষণ সংস্থা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে সংঘাতে অন্তত এক লাখ ১১৪ জন মানুষ নিহত হয়েছে৷
পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ সংঘাত সম্পর্কে মিয়ানমারে কোনো সরকারি তথ্য বা পরিসংখ্যান নেই৷ ২০২১ সালের মার্চ মাস থেকে চলমান এই গৃহযুদ্ধকে এশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাত মনে করেন বিশ্লেষকদের অনেকেই৷
এসিএলইডি-র তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ফিলিস্তিনের পর মিয়ানমারই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে সংঘাতপূর্ণ দেশ৷
এসিবি/ জেডএইচ (এএফপি)

https://p.dw.com/p/5GOsM
স্কিপ নেক্সট সেকশন বাংলাদেশে অন্তত ৩১১ উগ্রপন্থি পলাতক: পুলিশ
প্রকাশিত ১ জুলাই ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে অন্তত ৩১১ উগ্রপন্থি পলাতক: পুলিশ

জুমার নামাজের পর ঢাকার পল্টনে হিযবুত তাহ্‌রীরের ব্যানার নিয়ে মিছিল৷ ২০২৫ সালের মার্চ মাসের ফাইল ফটো৷
পলাতকদের মধ্যে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-র ১৮৫ জন, আনসার আল ইসলামের ৮৩ জন, হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজি-বি)-র ১৬ জন, নব্য জেএমবির ১৬ জন, ‘আল্লাহর দল’-এর ৯ জন, জামাআতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ১ জন এবং ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’র ১ জন রয়েছেন৷ এর বাইরে নিষিদ্ধ আরেক সংগঠন হিযবুত তাহ্‌রীরের ৫৯ জন বিভিন্ন মামলায় পলাতক রয়েছেন বলে এটিইউর তথ্যে এসেছে৷ছবি: DW

বাংলাদেশে নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনের অন্তত ৩১১ সদস্য এখন পলাতক৷ হিযবুত তাহ্‌রীরের আরো ৫৯ জন এখন আত্মগোপনে৷ এক বিশেষ প্রতিবেদনে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)-কে উদ্ধৃত করে এসব তথ্য জানিয়েছে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার প্রথম আলো৷
নজরুল ইসলামের করা প্রতিবেদনে বলা হয়, পলাতক ও আত্মগোপনে থাকা এসব ব্যক্তি উগ্রবাদী তৎপরতাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মামলার আসামি৷ এর বাইরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের দিন গাজীপুরের কাশিমপুরের হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যান উগ্রবাদী তৎপরতাসংশ্লিষ্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৯ জন কারাবন্দি৷ পলাতক এসব উগ্রপন্থির অবস্থান ও তৎপরতা নিয়ে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট মহলের উদ্বেগের কথাও বলা হয় প্রতিবেদনে৷
পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) গত এপ্রিল পর্যন্ত হালনাগাদ করা তথ্য থেকে পলাতক উগ্রপন্থিদের তথ্য পাওয়া যায়৷ পলাতকদের মধ্যে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-র ১৮৫ জন, আনসার আল ইসলামের ৮৩ জন, হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজি-বি)-র ১৬ জন, নব্য জেএমবির ১৬ জন, ‘আল্লাহর দল’-এর ৯ জন, জামাআতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ১ জন এবং ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’র ১ জন রয়েছেন৷ এর বাইরে নিষিদ্ধ আরেক সংগঠন হিযবুত তাহ্‌রীরের ৫৯ জন বিভিন্ন মামলায় পলাতক রয়েছেন বলে এটিইউর তথ্যে এসেছে৷
পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট এটিইউর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের দেশের ১৬ কারাগারে উগ্রপন্থি বিভিন্ন সংগঠনের ৫৯ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত, ৪৬ জন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এবং ২৫ জন বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আছেন৷ এ ছাড়া কারাবন্দি আরো ৩২ জনের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোর বিচার চলছে৷
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অতীত অভিজ্ঞতা বিবেচনায় পলাতক ও জামিনে মুক্ত উগ্রপন্থিদের ওপর নজরদারি শিথিল করার সুযোগ নেই৷ বিশেষ করে কারাগার থেকে পালানো, জামিনে বেরিয়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়া এবং মামলার আসামি হয়ে পলাতক থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করা নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ৷
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশে উগ্রবাদী তৎপরতা ঘিরে মারাত্মক উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল৷ সেই সময় ব্লগার, লেখক, প্রকাশক, শিক্ষক ও বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা ঘটে৷ ২০১৬ সালে রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়৷ এর আগে ২০০৫ সালে ৬৩ জেলায় একযোগে ৫০০ বোমা ফাটায় জেএমবি৷
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অতীত অভিজ্ঞতা বিবেচনায় পলাতক ও জামিনে মুক্ত উগ্রপন্থিদের ওপর নজরদারি শিথিল করার সুযোগ নেই৷ বিশেষ করে কারাগার থেকে পালানো, জামিনে বেরিয়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়া এবং মামলার আসামি হয়ে পলাতক থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করা নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ৷
এসিবি/ জেডএইচ (প্রথম আলো)

https://p.dw.com/p/5GNbd
স্কিপ নেক্সট সেকশন বাংলাদেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার শঙ্কা
প্রকাশিত ১ জুলাই ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার শঙ্কা

মশারিতে মশা (প্রতীকী ছবি)
মে মাসের শেষে বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছিলেন মাত্র এক জন৷ কিন্তু জুন মাসের শেষে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮৷ এ সময়ে ডেঙ্গুতে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি ছিল আরো উদ্বেগজনক৷ মে মাসের শেষে  শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৭১৪, জুন মাসের শেষে সেই সংখ্যা আট গুণেরও বেশি বেড়ে হয়ে যায় পাঁচ হাজার ৯২৪৷ছবি: Syed Mahamudur Rahman/NurPhoto/picture alliance

দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ হাম সংক্রমণের সময়েই বাংলাদেশে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গুর সংক্রমণও দ্রুত বাড়ার শঙ্কা৷ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আর্দ্র আবহাওয়া ও মশা নিয়ন্ত্রণে অপর্যাপ্ত ব্যবস্থার কারণে ডেঙ্গু-পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ রূপ নিতে পারে৷
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেক গতি পেয়েছে৷ এর ফলে ২০২৩ সালে যে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল, সেরকম পরিস্থিতির আশঙ্কাও করছেন তারা৷
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, মে মাসের শেষে বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছিলেন মাত্র এক জন৷ কিন্তু জুন মাসের শেষে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮৷ এ সময়ে ডেঙ্গুতে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি ছিল আরো উদ্বেগজনক৷ মে মাসের শেষে  শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৭১৪, জুন মাসের শেষে সেই সংখ্যা আট গুণেরও বেশি বেড়ে হয়ে যায় পাঁচ হাজার ৯২৪৷
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘জুলাই মাসে ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা জুনের তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ হবে বলে আমাদের ধারণা৷ আগস্ট নাগাদ তিন থেকে চার গুণও বেড়ে যেতে পারে৷’’

এসিবি/ জেডএইচ (রয়টার্স)

https://p.dw.com/p/5GMyz
স্কিপ নেক্সট সেকশন ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দুই হাজার
প্রকাশিত ১ জুলাই ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দুই হাজার

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো এক হাজার ৯৪৩ জন। ১০ হাজার পাঁচশোর বেশি মানুষ আহত। ১৬ হাজার গৃহহীন, ৪৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ, ছয় লক্ষ ৮০ হাজার বাচ্চার মানবিক ত্রাণ দরকার, ৫৯ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

ভেনেজুয়েলাতে মঙ্গলবারও উদ্ধারকারীরা ভূমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারের চেষ্টা করে গেছেন। পরপর দুইটি ভয়ংকর ভূমিকম্পের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভয়ংকর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

উদ্ধারকারীরা এখনো আশা করছেন, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে বেঁচে থাকা মানুষদের তারা উদ্ধার করতে পারবেন। তবে তারা এখন মৃত মানুষদের খোঁজও করছেন। 

৪০ ঘণ্টা ধরে আটকে পড়া মা ও শিশুকে উদ্ধারের চেষ্টা করছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইকুযেডর থেকে আসা উদ্ধারকারীরা। কিন্তু মঙ্গলবার তারা ধ্বংসস্তূপে আর জীবনের চিহ্ন না পাওয়ায় সেই কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। 

জিএইচ/এসজি(এপি, এএফপি, রয়টার্স)

ভূমিকম্পে নজরদারি থেকে উদ্ধারকাজে আসছে সাইবর্গ তেলাপোকা?

https://p.dw.com/p/5GLmC
স্কিপ নেক্সট সেকশন পাকিস্তানে বিমান হামলার দাবি আফগানিস্তানের
প্রকাশিত ১ জুলাই ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানে বিমান হামলার দাবি আফগানিস্তানের

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমানায় প্রহরারত এক পাকিস্তানি সেনা।
পাকিস্তানে হামলা করার দাবি করলো আফগানিস্তান। ছবি: Abdul Basit/AFP

আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্স-এ পোস্ট করে দাবি করেছে, তারা পাকিস্তানের বালোচিস্তান, উত্তরপশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়ায় বিমান হামলা করেছে। এর ফলে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট বা আইএসের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে। 

 বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তালেবান সামরিক বাহিনীর কাছে পুরোদস্তুর বিমান বাহিনী নেই, তবে তারা মূলত ড্রোনের মাধ্যমে হামলা করে। 

পাকিস্তানও জানিয়েছে, আফগানিস্তান ড্রোন হামলা করেছিল। চারটি ড্রোন তারা ধ্বংস করেছে। তবে তারা কোনো মৃত্যুর খবর জানায়নি। আর আইএস কর্মীরা পাকিস্তানে আছে সেটা তারা স্বীকার করে না। 
    
এর আগে পাকিস্তান এই সপ্তাহে আফগানিস্তানের তিনটি প্রদেশে বিমান হামলা করেছিল। তারপর আফগান সরকার জানিয়েছিল, তারা প্রত্যাঘাত করবে। 

পাকিস্তান সেনার তরফে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনী বালোচিস্তানে চারটি ড্রোন হামলা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এই ড্রোনগুলিকে ধ্বংস করেছে।  সেনার তরফ থেকে বলা হয়েছে, আফগান তালেবানরা যদি এভাবে উসকানি দিতে থাকে, তাহলে তারা উচিত জবাব পাবে। 
   
জিএইচ/এসজি(এএফপি)

https://p.dw.com/p/5GLpv
স্কিপ নেক্সট সেকশন সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্বে ছিল ঢাবি-র পড়ুয়ারা: তারেক
প্রকাশিত ১ জুলাই ২০২৬শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬

সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্বে ছিল ঢাবি-র পড়ুয়ারা: তারেক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিচ্ছেন তারেক রহমান।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন। ছবি: Munir Uz Zaman/AFP

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এবার গণতন্ত্র সুসংহত করার পালা। এ ক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা রয়েছে

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

তারেক রহমান বলেন, ‘'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে পরিচিত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই আমাদের জন্য গৌরবের। এই উপলক্ষে আমি সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।'’

তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনিউরশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি, ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার বিকল্প নেই। শিক্ষাকে শুধু সার্টিফিকেটনির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে, যা বাস্তব জীবনে যেকোনো দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। এ কারণেই তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

জিএইচ/এসজি(প্রথম আলো)

https://p.dw.com/p/5GM0D
স্কিপ নেক্সট সেকশন ভারতে বাস-ট্রাক ধাক্কা, আগুন, নিহত সাত
১ জুলাই ২০২৬

ভারতে বাস-ট্রাক ধাক্কা, আগুন, নিহত সাত

 রাজস্থানের দৌসার কাছে দিল্লি মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীবাহী বাস গিয়ে একটি ট্রাকে ধাক্কা মারে। তারপরই বাস ও ট্রাকে আগুন লেগে যায়। এর ফলে সাতজন মারা গেছেন, ২২ জন আহত হয়েছেন। 

রাত আড়াইটে নাগাদ এই দুর্ঘটনা হয়। বাসটি উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর যাচ্ছিল। বাসটির গতি খুব বেশি ছিল।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুনে পুড়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। মাথায় আঘাত লেগে দুইজন মারা গেছেন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যখন বাস-ট্রাক সংঘর্ষ হয়, তখন অধিকাংশ যাত্রীই ঘুমাচ্ছিলেন।  দমকল এসে আগুন নেভায় ও যাত্রীদের উদ্ধার করে। 

জিএইচ/এসজি(পিটিআই, এএনআই)

https://p.dw.com/p/5GM1l
স্কিপ নেক্সট সেকশন জার্মানিতে তাপপ্রবাহের মোকাবিলা নিয়ে সমালোচিত সরকার
১ জুলাই ২০২৬

জার্মানিতে তাপপ্রবাহের মোকাবিলা নিয়ে সমালোচিত সরকার

ফোয়ারার জলে  নিজেদের শরীরকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছেন মানুষ।
গরমে নাজেহাল মানুষকে স্বস্তি দিচ্ছে ফোয়ারা, এমনকী পুলিশের জলকামান। ছবি: Christoph Hardt/Panama Pictures/picture alliance

জার্মানিতে প্রবল তাপপ্রবাহ চলার পর সরকারকে কাঠগড়ায় তুলছেন সমালোচকরা। তাদের দাবি, সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি। 

গত সপ্তাহান্তে জার্মানিতে তাপমান ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়ায়। বয়স্ক ও অসুস্থদের কাছে এটা অসহনীয় পরিস্থিতি, যা তাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিতে পারে। কারণ, নার্সিং হোম ও হাসপাতালগুলিতে হয় কোনো এয়ার কন্ডিশনার নেই বা খুবই কম আছে। 

প্রচন্ড গরমের ফলে ট্রেন ও ট্রাম পরিষেবাও বিঘ্নিত হয়েছে. অ্যাসফাল্টের রাস্তাতেও ফাটল দেখা দিয়েছে।  বিশেষজ্ঞরা অনেক দিন ধরে এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সাবধান করে আসছিলেন। ডিএলএফ রেডিওতে  পরিবেশ বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেঁ বেকার বলেছেন, জার্মানিতে তাপমাত্রা সমানে বাড়ছে এবং আগামী বছরগুলিতেও বাড়বে। 

জাতীয় পরিবেশ এজেন্সির তথ্য হলো, জার্মানিতে প্রতিদিন ৫০ হেক্টর ভূমি আবাসিক, বাণিজ্যিক, যাতায়াতের এলাকায় পরিণত হয়। ২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এই প্রবণতা চলেছে। যার অর্থ হলো ৭০টি ফুটবল মাঠের মতো প্রাকৃতিক ভূমি উধাও হয়ে যাচ্ছে। এর বিপুল প্রভাব পড়ছে। 

এই পরিস্থিতিতে নীতি নির্ধারকরা কী করতে পারেন? শহরগুলোর জন্য পরিকল্পনা আছে, কিন্তু তা কার্যকর করার জন্য সময় ও অর্থ দরকার। জাতীয় পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, তিনি মনে করেন না, এটা জাতীয় সরকারের দায়িত্ব। এটা বরং রাজ্য ও পুরসভার দায়িত্ব। তিনি তো এর জন্য কোনো অর্থও দিতে পারেন না। কারণ, জার্মান আইন অনুসারে তা সম্ভব নয়। রাজ্য ও পুরসভাগুলির কাছে একশ বিলিয়ান ইউরো এই কাজের জন্য আছে। 

গ্রিনহাউস গ্যাসের জন্য বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়ে। জার্মানি ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ ১৯৯০ সালের তুলনায় ৬৫ শতাংশ কম করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। এখনো পর্যন্ত তারা ৪৮ শতাংশ কম করতে পেরেছে। বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন, সরকার কি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে? বর্তমান সরকার আবার তেল ও গ্যাসভিত্তিক হিটিং ব্যবস্থা চালুর অনুমতকি দিচ্ছে। 

গ্রিনহাউস জার্মানির ইন্টারন্যাশনাল ক্লাইমেট পলিসির প্রধান মার্টিন কাইজার ডিডাব্সিউকে বলেছেন, অনেক পুরসভা বিপুল ঋণের বোঝায় ডুবে আছে। তাই তাদের কাছে বিশেষ তহবিলও অপর্যাপ্ত। যেমন তাপ-শোসক কংক্রিট সারফেস বাতিল করা, এমন সবুজ এলাকা তৈরি করা যা জলধারণ করতে পারে, ছায়াপ্রদানকারী গাছ লাগানোর মতো কাজগুলি করার মতো অবস্থায় তারা নেই। এর জন্য দীর্ঘদিন ধরে সরকারের সাহায্য পাওয়া দরকার। 

গ্রিনপিস-এর প্রস্তাব ছিল, বড়লোকদের উপর পরিবেশ কর বসানো হোক। কিন্তু এই প্রস্তাব জোট সরকার এখনো অনুমোদন করেনি। 

জেনস থুরো/জিএইচ/ডিডাব্লিউ

https://p.dw.com/p/5GLqx
স্কিপ নেক্সট সেকশন সাউথ আফ্রিকায় অভিবাসী-বিরোধী বিক্ষোভ
৩০ জুন ২০২৬

সাউথ আফ্রিকায় অভিবাসী-বিরোধী বিক্ষোভ

জোহানেসবার্গে অভিবাসী-বিরোধী বিক্ষোভ
জোহানেসবার্গের হিলব্রো এবং ইওভিল-এর যেসব এলাকায় অনেক অভিবাসীর বাস, সেই এলাকাগুলোতে বিক্ষোভকারীরা মিছিল করেছেন৷ মিছিল থেকে আলাদা হয়ে কিছু বিক্ষোভকারীকে জানালার কাচ লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে দেখা গেছে৷ছবি: Emmanuel Croset/AFP

সাউথ আফ্রিকা জুড়ে চলছে অভিবাসী-বিরোধী বিক্ষোভ৷ বিক্ষোভের সময় কোথাও কোথাও সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও তা ব্যাপক রূপ নেয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷
জোহানেসবার্গের হিলব্রো এবং ইওভিল-এর যেসব এলাকায় অনেক অভিবাসীর বাস, সেই এলাকাগুলোতে বিক্ষোভকারীরা মিছিল করেছেন৷ মিছিল থেকে আলাদা হয়ে কিছু বিক্ষোভকারীকে জানালার কাচ লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে দেখা গেছে৷ বিক্ষোভস্থলে পুলিশ ও বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মীরা রয়েছেন৷ তা সত্ত্বেও কিছু লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে৷ 
এক বিবৃতিতে পুলিশ উপমন্ত্রী ফিরোজ চাচালিয়া বলেন, যারা এই বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোরতম প্রয়োগ হবে৷ তিনি আরো বলেন, ‘‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত, গ্রেপ্তার এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে পুলিশ৷’’
এসিবি/ জেডএইচ (এপি, এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

https://p.dw.com/p/5GKf2
স্কিপ নেক্সট সেকশন পীর আবদুর রহমান হত্যা মামলা : জামায়াত নেতাসহ প্রধান দুই আসামি কারাগারে
৩০ জুন ২০২৬

পীর আবদুর রহমান হত্যা মামলা : জামায়াত নেতাসহ প্রধান দুই আসামি কারাগারে

প্রতীকী ছবি
দক্ষিণ–পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা পীর আবদুর রহমান পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, এমন অভিযোগে ১১ এপ্রিল তাঁকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়৷ ঘটনার পর ১৩ এপ্রিল শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন৷ছবি: picture-alliance/dpa/P. Zinken

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি জামায়াত নেতাসহ দুজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত৷ আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়৷
কারাগারে পাঠানো দুজন হলেন, হত্যা মামলার প্রধান আসামি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ খাজা আহমেদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান৷
বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আলী মর্তুজা ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনা্র প্রথম আলোকে বলেন, এ নিয়ে মামলাটির এজাহারভুক্ত চার আসামির মধ্যে তিনজনসহ মোট ছয়জনকে কারাগারে পাঠানো হলো৷
উপজেলার দক্ষিণ–পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা পীর আবদুর রহমান পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, এমন অভিযোগে ১১ এপ্রিল তাঁকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়৷ ঘটনার পর ১৩ এপ্রিল শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন৷
এসিবি/ জেডএইচ (প্রথম আলো)

https://p.dw.com/p/5GKCA
স্কিপ নেক্সট সেকশন কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করা: সমাধান, নাকি বাড়াবাড়ি?
প্রকাশিত ৩০ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ৩০ জুন ২০২৬

কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করা: সমাধান, নাকি বাড়াবাড়ি?

প্রতীকী ছবি
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-র সদ্য প্রকাশ করা জরিপ অনুযায়ী, স্কুল চলছে এমন দিনগুলোতে কম বয়সি ছেলে-মেয়েরা প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার ঘণ্টা এবং সপ্তাহান্তে ৬ ঘণ্টারও বেশি সময় স্ক্রিনের সামনে কাটায়৷ছবি: Cristina Quicler/AFP/Getty Images

সাম্প্রতিক এক জরিপে বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অঞ্চলে প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন কিশোর বা কিশোরী দিনে আট ঘণ্টারও বেশি সময় স্ক্রিনের সামনে কাটায়৷ প্রতিকারের একমাত্র উপায় কি সোশাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করা?

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-র সদ্য প্রকাশ করা জরিপ অনুযায়ী, স্কুল চলছে এমন দিনগুলোতে কম বয়সি ছেলে-মেয়েরা প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার ঘণ্টা এবং সপ্তাহান্তে ৬ ঘণ্টারও বেশি সময় স্ক্রিনের সামনে কাটায়৷

জরিপ নিয়ে করা প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ইইউ অঞ্চলের প্রায় ১৪ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি সাতজন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে একজন জানিয়েছে, সাধারণ অবস্থায় তারা স্ক্রিনের সামনে দিনে অন্তত ৮ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় কাটায়, শনি ও রবিবারে সেই সময় আরো বেড়ে দিনে ১০ ঘণ্টাও ছাড়িয়ে যায়৷

গত জুন মাসে বড় এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য৷ এক ঘোষণায় দেশটি জানিয়েছে, ২০২৭ সালের বসন্ত থেকে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডে ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে৷ এক্ষেত্রে আরো এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া৷ গত ডিসেম্বরেই দেশের সব অপ্রাপ্তবয়স্কের জন্য সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে তারা৷ নরওয়ে এবং ক্যানাডাসহ বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে কাজ করছে৷

ইইউর ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সারা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী৷ এর ফলে ইইউ অঞ্চলে ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট ও ডিজিটাল ফেয়ারনেস অ্যাক্ট-এর মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা সম্ভব হয়েছে৷ তবে ইইউর কয়েকটি সদস্য দেশ আরো কঠোর পদক্ষেপ দাবি করছে৷

জাতীয় পর্যায়ে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে ফ্রান্স, স্পেন, গ্রিস, অস্ট্রিয়া এবং ডেনমার্ক৷ তারা চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন জুড়েই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হোক৷ জার্মানিতে সরকার-নিযুক্ত একটি কমিশন সম্প্রতি ১৩ বছরের কম বয়সিদের জন্য সোশাল মিডিয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধের সুপারিশ করেছে৷

সোশ্যাল মিডিয়া ও কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে সহ-লেখক, অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের ডিকিন ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলো নন্দী বিজয়কুমারও মনে করেন সোশাল মিডিয়ার ইতিবাচক দিকগুলোকে এ যুগে অগ্রাহ্য করা অনুচিত৷ 

ইউরোপিয়ান ইয়ুথ ফোরামের প্রেসিডেন্ট রারেস ভইকু মনে করেন, ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার ফলাফল আগেই ভেবে দেখা জরুরি৷ তিনি বলেন, ‘‘সোশ্যাল মিডিয়ায় আর সময় কাটাতে না পারলে তখন কী করবে তারা? এমন কিছু কার্যক্রমের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন, যা সোশ্যাল মিডিয়ার মতোই পারস্পরিক সম্পৃক্ততার অনুভূতি গড়ে তুলতে সক্ষম৷''

রেনাটা পারনেগ্রোভা/এসিবি

https://p.dw.com/p/5GJTl
স্কিপ নেক্সট সেকশন মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
৩০ জুন ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

হাসানুল হক ইনু (ফাইল ফটো)
ট্রাইব্যুনাল ইনুর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগের প্রতিটিতে হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে৷ তবে আদালত জানায়, এই তিনটি সাজা একসঙ্গে চলবে৷ অর্থাৎ, ইনুকে মোট ১০ বছরই কারাগারে কাটাতে হবে৷ছবি: DW

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২৷ আজ মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করা হয়৷
মামলার একমাত্র আসামি ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়৷ এর মধ্যে অন্যতম অভিযোগ হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা করার নির্দেশসহ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় উসকানি দেওয়া৷
ট্রাইব্যুনাল ইনুর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগের প্রতিটিতে তাকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে৷ তবে আদালত জানায়, এই তিনটি সাজা একসঙ্গে চলবে৷ অর্থাৎ, ইনুকে মোট ১০ বছরই কারাগারে কাটাতে হবে৷
এসিবি/ জেডএইচ (দ্য ডেইলি স্টার)

https://p.dw.com/p/5GIuw
স্কিপ নেক্সট সেকশন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল জার্মানি-জাপান-নেদারল্যান্ডস
প্রকাশিত ৩০ জুন ২০২৬শেষ আপডেট ৩০ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল জার্মানি-জাপান-নেদারল্যান্ডস

হারের পর জার্মান দল
হারের পর জার্মান দলছবি: Peter Cziborra/REUTERS

প্যারাগুয়ের কাছে হেরে এবছরের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি। প্যারাগুয়ের সঙ্গে নক আউট পর্বের খেলায় পেনাল্টি শুট আউটে হেরে গেল জার্মানি। এই প্রথম বিশ্বকাপের কোনো খেলায় পেনাল্টি শুট আউটে হেরে গেল জার্মানি। 

তবে এদিন বস্টনের স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ ধরে রেখেছিল প্যারাগুয়ে। তাদের তৈরি করা ম্যাচে জার্মানি প্রতিদ্বন্দ্বীর জালে বল ঢোকানোর চেষ্টা করেছে মাত্র। এবারের জার্মানির দল নিয়ে অনেকেই অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু নক আউটের প্রথম পর্বেই বিদায় নিল জার্মানি। 

অন্যদিকে দুর্দান্ত শুরু করেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বাঁচাতে পারলো না জাপান। ব্রাজিলের সঙ্গে খেলায় প্রথম হাফে গোল দিয়ে এগিয়ে যায় জাপান। কিন্তু দ্বিতীয় হাফে দূর্দান্ত কামব্যাক করে ব্রাজিল। দ্বিতীয় হাফে জাপানকে কার্যত দাঁড়াতে দেয়নি ল্যাটিন অ্যামেরিকান সাম্বা। চাট ফুটবল খেলে দ্বিতীয় হাফের শুরুতেই গোল দেয় ব্রাজিল। আর জয়ের গোল আসে ম্যাচের একেবারে শেষ পর্বে। 

জার্মানির মতো নেদারল্যান্ডসও টাইব্রেকারে হেরে গেলো। মরক্কোর কাছে। মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনোর কাছে টাইব্রেকারে হার মানতে হলো নেদারল্যান্ডসকে। 

এসজি/জিএইচ (ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ)

https://p.dw.com/p/5GHoQ
স্কিপ নেক্সট সেকশন পেরুতে নতুন প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ফুজিমোরি
৩০ জুন ২০২৬

পেরুতে নতুন প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ফুজিমোরি

পেরুতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী দক্ষিণপন্থি ফুজিমোরি
পেরুতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী দক্ষিণপন্থি ফুজিমোরিছবি: Mauricio Munoz/AP Photo/picture alliance

এক সপ্তাহ ধরে গণনা এবং পুনর্গণনার পর অবশেষে পেরুর নির্বাচন কমিশন জানালো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন কেইকো ফুজিমোরি। দক্ষিণপন্থি এই নেত্রী নির্বাচনি প্রচারে বহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। 

পেরুতে নির্বাচন হয়েছিল গত ৭ জুন। এরপর গণনার পর পুনর্গণনা হয়। প্রতিটি ব্যালট পরীক্ষা করে দেখা হয়। অবশেষে এতদিন পর নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করলো। 

ফুজিমোরির পক্ষে ভোট গেছে ৫০ শতাংশের কিছু বেশি। অন্যদিকে বামপন্থি প্রার্থী রবার্তো স্যানচেজ পেয়েছেন ৪৯ শতাংশের কিছু বেশি ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৫০ হাজারেরও কম। 

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এএফপি)

https://p.dw.com/p/5GHpJ
আরো পোস্ট দেখান