বাংলাদেশে ‘নিষিদ্ধ হচ্ছে′ ই-সিগারেট | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 05.10.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ‘নিষিদ্ধ হচ্ছে' ই-সিগারেট

ইলেক্ট্রনিক সিগারেটসহ মুখ দিয়ে ধোঁয়া ছাড়া যায় এমন সব তামাক পণ্যের উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রি বন্ধ করার কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার৷

বৈশ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন এই তথ্য জানিয়েছেন৷

তিনি বলেন, ‘‘ই-সিগারেটসহ নতুন ধরনের সব তামাক পণ্যের উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রি যত দ্রুত সম্ভব নিষিদ্ধ করতে হবে৷ শীর্ষ পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করব৷''

স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা তুলে ধরে সম্প্রতি ভারত ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করে৷ নিউ ইয়র্কেও সুগন্ধিযুক্ত ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷

শ্রীলঙ্কা, নেপাল, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরসহ ৩০টির বেশি দেশে এসব তামাক নিষিদ্ধের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব বলেন, ‘‘বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগাতে হবে৷''

বাংলাদেশের ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সি ৩৫ শতাংশের বেশি মানুষ কোনো-না-কোনো ধরনের তামাক সেবন করেন৷

যুক্তরাষ্ট্রে ই-সিগারেট পানে শ্বাসযন্ত্রে গুরুতর জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷ দেশটিতে সম্প্রতি ফুসফুসজনিত নানা রোগে ভোগা মানুষের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে ই-সিগারেট পানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অভিমত দেন৷

ইলেকট্রিক সিগারেট, ই-সিগ, ভেপ ইত্যাদি নামে পরিচিত এই সিগারেট ব্যবহারের হার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিশোর, তরুণদের মধ্যে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে৷

যন্ত্রটিকে ধূমপায়ীরা ধূমপান ছাড়ার উপায় হিসেবে দেখলেও বর্তমানে এটি নতুন ধরনের নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷

ক্যানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু'র এক গবেষণায় দেখা যায়, কম বয়সে ভেপ ব্যবহার করা ছেলে-মেয়েদের অধিকাংশই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে সিগারেট মুখে তুলে নিচ্ছে৷

এসআই/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, এফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন