‘বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি ভিত্তিক বিষয় বাড়াতে হবে’ | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 04.07.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞান পরিবেশ

‘বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি ভিত্তিক বিষয় বাড়াতে হবে’

ঘরে ঘরে তথ্য প্রযুক্তির পরিষেবা পৌঁছে দিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার৷ এখন পর্যন্ত এক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতিও হয়েছে বলে মনে করেন তথ্য প্রযুক্তি খাতের সাথে জড়িত উদ্যোক্তা গোলাম রব্বানী৷

ডিডাব্লিউ-এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের এআরএ টেকনোলজিস'এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম রব্বানী তুলে ধরেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রগতি ও বাধা-বিপত্তির নানা দিক৷ বাংলাদেশের বর্তমান মহাজোট সরকার তৃণমূল পর্যায়েও তথ্য প্রযুক্তির পরিষেবা পৌঁছে দিতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে - সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার অগ্রগতির পথে অনেক দূর এগিয়েছে৷ যেমন আমাদের দেশে এখন ল্যাপটপ উৎপাদন হচ্ছে৷ এখন আমাদের ঘরে ঘরে ফাইবার অপটিক দিয়ে তৈরি পণ্য সরবরাহ এবং সংযোগ প্রদান শুরু হয়েছে৷ এর ফলে ইতিমধ্যে দু'টি এনটিটিএন লাইসেন্স প্রদান করেছে সরকার৷ ফাইবার অপটিক সংযোগ পাওয়ার ফলে উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে৷ এছাড়া সরকার জেলা পর্যায়ে, থানা পর্যায়ে এবং এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দিয়েছে৷ ইউনিয়ন পরিষদে সরকার ল্যাপটপ-কম্পিউটার দিয়েছে এবং সেখান থেকে গ্রামের কৃষকরাও ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য, নির্দেশনা, পরামর্শ পেতে পারেন৷''

Titel 3 : IT Expert von Bangladesch Md Golam Robbani in DW Gebäude, Bonn Bildunterschrift: IT Expert von Bangladesch Md Golam Robbani in DW Gebäude, Bonn Text: IT Expert von Bangladesch Md Golam Robbani in DW Gebäude, Bonn Datum: 23.06..2012 Eigentumsrecht: A H M Abdul Hai, Freelance Editor, Bengali Redaktion, Deutsche Welle Stichwort: , IT, Expert, Bangladesch, Md, Golam, Robbani, DW, Bonn, Bangla, Bangladesh,

ডিডাব্লিউ ভবনে এআরএ টেকনোলজিস'এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম রব্বানী

তথ্য প্রযুক্তির পরিষেবা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছানো হলেও গ্রামের মানুষ এসব পরিষেবার কতটা গ্রহণ করতে পারছে - এমন প্রশ্নের উত্তরে এক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতার কথা জানালেন গোলাম রব্বানী৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘আসলে এসব পরিষেবা থেকে উপকার পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে৷ আমাদের মতো একটি গরিব দেশের পক্ষে এটা সম্ভব নয় যে, প্রত্যেকটা মানুষ একটি করে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার কিনে ব্যবহার করবে৷

অডিও শুনুন 04:07

সাক্ষাৎকারটি শুনতে ক্লিক করুন এখানে

আবার সরকারের পক্ষেও এটা সম্ভব নয় যে, প্রত্যেক পরিবারে একটি করে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার তুলে দেবে৷ ফলে তথ্য প্রযুক্তির প্রকৃত সুবিধা ভোগ করার ক্ষেত্রে এ ধরণের কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে৷ এছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও কিছু ঘাটতি রয়েছে৷ কারণ তথ্য প্রযুক্তির উপকরণগুলো ব্যবহার করতে হলে সেগুলো চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন৷ অথচ আমাদের গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এ ব্যাপারে যথেষ্ট প্রশিক্ষণের সুবিধা নেই৷''

তাই বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্য প্রযুক্তির বিষয়গুলো আরো বেশি হারে সংযোজন করা এবং সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষক নিয়োগ করার সুপারিশ করেন রব্বানী৷

সাক্ষাৎকার: হোসাইন আব্দুল হাই
সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন