‘বাংলাদেশের আইএস′ যুক্তরাষ্ট্রের নিষিদ্ধ তালিকায় | বিশ্ব | DW | 28.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

‘বাংলাদেশের আইএস' যুক্তরাষ্ট্রের নিষিদ্ধ তালিকায়

তথাকথিত জঙ্গি গোষ্ঠী  ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই ব্যক্তি ও বাংলাদেশি একটি গ্রুপসহ সাতটি সংগঠনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র৷ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ এই নিষেধাজ্ঞা দেয়৷

ট্রেজারি বিভাগের ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল বিভাগ বা ওএফএসি-র ওয়েবসাইটে নিষিদ্ধ ব্যক্তির তালিকায় নাইজেরিয়ার নাগরিক আবু মুসাব আল-বার্নাবি এবং সোমালিয়ার মাহাদ মোয়ালিমের নাম যুক্ত করা হয়েছে৷ পাশাপাশি বাংলাদেশ, মিশর, ফিলিপাইন্স, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া ও টিউনিশিয়ার সাতটি জঙ্গি সংগঠনকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আনার কথা বলা হয়েছে৷

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আলাদা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তথাকথিত  জঙ্গি সংঘটন আইএস-এর নতুন ৪০ জন ব্যক্তি, সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, যারা ২০১১ সাল থেকে আইএস-এর হয়ে কাজ করছে৷ এতে বলা হয়েছে, ‘‘এদের নিষিদ্ধ করা হলে আইএস-এর ‘নিরাপদ স্বর্গ' নষ্ট হয়ে যাবে, অর্থাৎ তাদের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বিদেশি যোদ্ধাদের তারা নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হবে৷ ফলে ইরাক ও সিরিয়ায় তাদের আধিপত্য খর্ব হবে, সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং গৃহহীন মানুষরা নিজের দেশে ফিরে যেতে পারবে৷''

বাংলাদেশ ছাড়া আইএসআইএস-ইজিপ্ট, আইএসআইএস-ফিলিপাইন্স, আইএসআইএস-সোমালিয়া, আইএসআইএস-ওয়েস্ট আফ্রিকা, জুন্দ আল-খলিফা-টিউনিশিয়া (আইএসআইএস-টিউনিশিয়া) এবং ফিলিপিন্সভিত্তিক মাউতি গ্রুপকে ঐ তালিকায় যুক্ত করেছে ইউএস ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট৷

বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে বিভিন্ন জঙ্গি হামলা ও হত্যার দায় স্বীকার করে আইএস-এর পক্ষ থেকে বার্তা পাঠানো হলেও সরকার ও পুলিশ সবসময়ই সে দাবি নাকচ করে আসছে৷

 ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডেরপর মুক্তমনা লেখক, ব্লগার, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ভিন্ন মতাবলম্বীরা সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন৷ সে বছরের ২৮শে সেপ্টেম্বর গুলশানে এক ইটালীয় এনজিওকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়৷ এর পাঁচ দিনের মাথায় রংপুরের এক গ্রামে একই কায়দায় খুন হন জাপানি নাগরিক হোশি কোনিও৷ দু'টি ঘটনার পরই আইএস (ইসলামিক স্টেট) হত্যার দায় স্বীকার করে বলে খবর দেয় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘সাইট ইন্টিলিজেন্স গ্রুপ'৷

এরপর ২০১৬ সালের ১ জুলাই  শুলশানের হোলি আর্টিজান ক্যাফেতে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশিসহ অন্তত ২২ জন নিহত হন৷

এই ঘটনার তদন্তে গিয়ে পুলিশ সন্দেভাজন হামলার হোতাদের চিহ্নিত করার পর বলেছিল, তারা  বাংলাদেশে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীজামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-জেএমবির নতুন সংস্করণ ‘নব্য জেএমবি'৷

এপিবি/ডিজি (রয়টার্স)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন