বাংলাদেশী নাগরিকরা ভোট দিচ্ছেন ব্রিটেনের নির্বাচনে! | বিশ্ব | DW | 05.05.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশী নাগরিকরা ভোট দিচ্ছেন ব্রিটেনের নির্বাচনে!

বাংলাদেশের একটি বস্তিতে বাস করেন গায়ক আব্দুল সবুজ৷ পাসপোর্ট নেই তার৷ কিন্তু তিনি ভোট দিচ্ছেন ব্রিটেনের সংসদ নির্বাচনে!

default

প্রধানমন্ত্রী পদের মূল তিন প্রতিদ্বন্দ্বী

কী অবাক হচ্ছেন! না, অবাক হবার কিছু নেই৷ ব্যাপারটি সত্যি৷ ব্রিটেনের নির্বাচনে সবুজকে ভোট দিতে সহায়তা করছে ‘গিভ ইওর ভোট' প্রকল্প৷ এর মাধ্যমে সবুজ নির্দিষ্ট একটি মোবাইল নম্বরে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে এসএমএস করবে৷ আর তার এই ভোটটি ঐ প্রকল্পের সহায়তায় চলে যাবে ব্রিটিশ একজন ভোটারের কাছে, যিনি এই প্রকল্পের মাধ্যমে তার ভোটটি দিবেন বলে, আগে থেকেই নাম নিবন্ধ করে রেখেছেন৷ এভাবে ভোটগ্রহণের দিন ঐ ব্রিটিশ ভোটার বাংলাদেশী ভোটারের পছন্দের প্রার্থীকে ভোটটি দেবেন৷ আগামীকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটেনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে৷

কেন একজন ব্রিটিশ ভোটার একজন অপরিচিত বাংলাদেশী মানুষের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন? সকলের মনে এতক্ষণে নিশ্চয় এই প্রশ্নটি দোল খাচ্ছে, তাই না? উত্তর হলো, ঐ ব্রিটিশ নাগরিক চান, ব্রিটিশ রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন নীতি ব্রিটেন ছাড়াও যেসব দেশকে প্রভাবিত করে সেসব দেশের জনগণও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিক৷ জানিয়ে দিক তাদের মতামত৷ আর তাই কয়েক হাজার ব্রিটিশ নাগরিক তাদের ভোটটি ‘দান' করে দিয়েছেন৷

এতক্ষণে নিশ্চয় জানা হয়ে গেছে যে, ‘গিভ ইওর ভোট' প্রকল্পের মূল লক্ষ্যটা আসলে কী৷ বাংলাদেশ ছাড়াও ঘানা ও আফগানিস্তানের নাগরিকরা এই প্রক্রিয়ায় ভোট দিতে পারবেন৷ এই তিনটি দেশকে বেছে নেয়ার কারণ হলো-- ব্রিটিশ জলবায়ু নীতির প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের উপর, পররাষ্ট্রনীতির প্রভাব আফগানিস্তানের উপর, আর অর্থনৈতিক নীতির প্রভাব পড়ছে ঘানার উপর৷

শুরুতেই বলেছিলাম একজন বাংলাদেশী গায়ক সবুজের কথা৷ তিনি ইতিমধ্যে ভোট দিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটদের পক্ষে৷ এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন যে, দলটি ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন বহুলাংশে কমানোর অঙ্গীকার করেছে৷

নিক ক্লেগের লিবারেল ডেমোক্রেট দলের অবস্থান বাংলাদেশে সবার উপরে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পটির লন্ডনের এক কর্মকর্তা মে আব্দাল্লা৷ এর পরেই রয়েছে প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের লেবার আর তৃতীয় স্থানে ডেভিড ক্যামেরনের কনজারভেটিভ দল৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন