বাঁচলেন না ডাক্তার অদিতি | বিশ্ব | DW | 29.06.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বাঁচলেন না ডাক্তার অদিতি

চিকিৎসক অদিতি সরকার ‘স্বামীর ওপর রাগ করে' নিজের গায়ে আগুন দিয়েছিলেন৷ পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর মারা গেলেন ৩৮ বছর বয়সি এই চিকিৎসক৷

গত শুক্রবার থেকে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি ছিলেন চিকিৎসক অদিতি সরকার৷ আগুনে তার শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল৷

বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদিতির মৃত্যু হয় বলে বার্ন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন জানান৷

মিটফোর্ড হাসপাতালের নবজাতক শিশু বিভাগের রেজিস্ট্রার অদিতি সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ৩১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন৷ পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে হেয়ার স্ট্রিটের বাসায় তিনি নিজের গায়ে আগুন দেন অদিতি৷

ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে ওয়ারি থানার ওসি কবির হোসেন হাওলাদার সেদিন বলেছিলেন,  ‘‘স্বামীর সঙ্গে রাগারাগি করে অদিতি নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন বলে বার্ন ইনস্টিটিউটের ডাক্তারদের কাছে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন৷

 ‘‘বাসায় জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহারের স্পিরিট ছিল৷ সেগুলো ঢেলেই তিনি গায়ে আগুন লাগিয়েছেন বলে স্টেটমেন্টে উল্লেখ করেছেন৷ এ বিষয়ে থানায় কোনো মামলা হয়নি৷’’

অদিতির স্বামী প্রকৌশলী মানস মণ্ডলের দাবি, তার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে ‘অসুস্থ ও আপসেট' ছিলেন৷ শুক্রবার দুপুরে বাসায় ফিরে জামাকাপড় পাল্টানোর সময় তিনি পাশের ঘরে স্ত্রীর চিৎকার শুনতে পান৷

গিয়ে দেখেন অদিতির শরীরে আগুন জ্বলছে৷ বাথরুমে নিয়ে তার শরীরে পানি ঢালেন৷ এরপর ৯৯৯ নম্বরে কল করে একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে অদিতিকে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান বলে মানসের ভাষ্য৷

ঘটনার সময় তার দুই সন্তানসহ পরিবারের লোকজন বাসাতেই ছিলেন বলে জানান তিনি৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন