বসনিয়ায় তুষারপাত, দুর্দশা বাড়ছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের | বিশ্ব | DW | 04.12.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউরোপ

বসনিয়ায় তুষারপাত, দুর্দশা বাড়ছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের

শীত যত বাড়ছিল, দুর্ভোগ ততটাই বাড়ার শঙ্কা ছিল অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে৷ শীত মৌসুমের প্রথম তুষারপাত সে দুর্দশা বাড়িয়ে দিলো আরো কয়েকগুণ৷

বসনিয়ার ভেলিকা ক্লাদুসা

বসনিয়ার ভেলিকা ক্লাদুসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের তাঁবু

ভেলিকা ক্লাদুসার জঙ্গল থেকে ডয়চে ভেলে বাংলা যখন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে, তখনই শীতের হাত থেকে বাঁচতে হিমশিম খাচ্ছিলেন তারা৷ বাইরের ঠান্ডা থেকে বাঁচতে পলিথিনের তৈরি অস্থায়ী ঘর তৈরি করেছেন তারা৷ কিন্তু সেটির ভেতরেও সহজেই জমে কুয়াশার ফোঁটা৷ 

আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা লাকড়ি দিয়েই রান্না ও শরীর গরম রাখার চেষ্টা করছিলেন অনেকে৷ কিন্তু তাদের রসদও ফুরিয়ে আসছিল দ্রুতই৷

বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, তুষারপাতের মধ্যেও বেশ কিছু অভিবাসনপ্রত্যাশী সেই পলিথিনের অস্থায়ী ঘরগুলোতেই বাস করছেন৷

অনেকক্ষেত্রেই পলিথিনের তাঁবুর ওপর বরফ জমে তা বাঁকা হয়ে যাচ্ছে, ভেঙেও পড়ছে৷ উলের তৈরি টুপি, গরম পোশাক ও রেইনকোট পরে শীত মোকাবিলার চেষ্টা করছেন তারা৷ তবে প্রচণ্ড ঠান্ডার তুলনায় এসব ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল বলে বর্ণনা করা হয়েছে এপির সংবাদে৷

বাংলাদেশ থেকে আসা ৩০ বছর বয়সি শাহীন এপিকে বলেন, ‘‘এখন প্রচণ্ড ঠান্ডা, গত রাতে আমরা খুবই সমস্যায় পড়েছিলাম৷ আমাদের কোথাও ঘুমানোরও জায়গা নেই৷’’

তুষারপাতের জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না অভিবাসনপ্রত্যাশীরা৷ অনেকে নিজেদের একমাত্র গরম কাপড় ধুয়ে শুকানোর জন্য ঝুলিয়ে রেখছিলেন৷ বরফ পড়ে মুহূর্তেই জামা-কাপড়-জুতা এমনকি অনেকের রাতের একমাত্র সম্বল কম্বলও ভিজে যায়৷

২২ বছরের আহমেদ জানান, তিনি কোথাও থাকার জায়গা পাচ্ছেন না৷ পরিস্থিতি দিনদিন টিকে থাকার জন্য ‘অসম্ভব’ হয়ে পড়ছে বলেও জানান তিনি৷

ভিডিও দেখুন 21:26

গেমের নাম ইউরোপ

১৯৯০-এর দশকে যুদ্ধের পর থেকে এখনো অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বসনিয়া৷ ভয়াবহ মূল্যস্ফীতির কারণে ইউরোপ মহাদেশের অন্যতম দরিদ্র দেশ হিসেবেই পরিচিত বসনিয়া৷ তার ওপর হাজার হাজার অভিবাসীর চাপ দেশটিকে আরো বিপদে ফেলেছে৷

বসনিয়ার রাজনীতিবিদরাও একমত হতে না পারায় সংকট মোকাবিলায় সঠিক পদক্ষেপও গ্রহণ করতে পারছে না দেশটির সরকার৷

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কেউই বসনিয়ায় থাকতে চান না৷ তাদের লক্ষ্য সীমান্তের ওপাড়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ ক্রোয়েশিয়া গিয়ে দেখান থেকে ফ্রান্স, ইটালি, জার্মানির মতো অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশগুলোতে যাওয়া৷

কিন্তু ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে ব্যাপক কড়াকড়ির মধ্যে অবৈধভাবে পাড়ি দিতে গিয়ে ধরা পড়েন বেশিরভাগ অভিবাসনপ্রত্যাশী৷ তাদের ক্রোয়েশিয়া বা স্লোভেনিয়া থেকে বসনিয়ায় ফেরত পাঠানোর সময় নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে৷

ক্রোয়েশিয়া পুলিশের বিরুদ্ধে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ বারবার উঠলেও এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷

এডিকে/এসিবি (এপি)

২৭ অক্টোবরের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন