বর্ণবাদ ও করোনা নিয়ে জি-টোয়েন্টি আন্তঃধর্ম সম্মেলন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 08.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সৌদি আরব

বর্ণবাদ ও করোনা নিয়ে জি-টোয়েন্টি আন্তঃধর্ম সম্মেলন

করোনা, বর্ণবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন আর সামাজিক নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে আলোচনা হবে ‘জি-টোয়েন্টি ইন্টারফেইথ ফোরাম’-এ৷ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে৷

অক্টোবরের ১৩ থেকে ১৭ তারিখ ‘জি-টোয়েন্টি ইন্টারফেইথ ফোরাম’-এর সপ্তম আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হবে৷ এই সম্মেলনে বিভিন্ন ধর্ম ও বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণী সংস্থাগুলোর পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নিবেন৷ জাতিসংঘ, ইন্টারন্যাশনাল ডায়ালগ সেন্টার (কেএআইসিআইআইডি), অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক কনফারেন্স (ওআইসি), ওয়ার্ল্ড মুসলিম লিগ ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রতিনিধিরাও অংশ নিবেন৷ তবে করোনার কারণে এবার অতিথিরা মূলত যুক্ত হবেন ভার্চুয়াল মাধ্যমে৷

এক বিবৃতিতে আয়োজকরা জানিয়েছেন, সম্মেলনে ধর্মীয় নেতা ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের বক্তব্যের মাধ্যমে বৈশ্বিক সংকটের সমাধান খোঁজার চেষ্টা করা হবে৷ নীতি নির্ধারণে ধর্মীয় নেতাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের জন্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছেও আহবান তুলে ধরা হবে৷ এই সম্মেলনে উঠে আসা পরামর্শগুলো নভেম্বরে রিয়াদে জি টোয়েন্টি সম্মেলনে পেশ করা হবে৷ চলতি বছর এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করবে সৌদি আরব৷

এর আগে ইন্টারফেইথ ফোরাম এর ছয়টি আঞ্চলিক বৈঠক হয়েছে৷ এমন তথ্য জানিয়ে এই সম্মেলনের সভাপতি অধ্যাপক কোল ডারহাম বলেছেন, প্রতিটি বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা জি টোয়েন্টি নেতাদের কাছে তুলে ধরার জন্য বৈশ্বিক নীতি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোকপাত করেছেন৷ বিশ্বে যেসব পারস্পরিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে সেগুলো মোকাবিলায় ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য এই ফোরাম একটি বড় সুযোগ বলে মনে করেন তিনি৷

সহ আয়োজক কেএআইসিআইআইডি-এর মহাসচিব ফয়সাল বিন মুয়াম্মার বলেছেন, ‘‘নীতিনির্ধারণে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অংশীদারিত্বের বিষয়টি অনেক সময়ই উপেক্ষিত থেকে যায়৷ জি টোয়েন্টি ইন্টারফেইথ কমিউনিটি ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর একে অপরের ও সরকারের সঙ্গে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চায়, যেন তাদের বক্তব্য শোনা হয় এবং অবদানকে গুরুত্ব দেয়া হয়৷’’

সবাইকে নিয়ে শক্তিশালী একটি সমাজ গঠনে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করেন জাতিসংঘের অ্যালায়েন্স অফ সিভিলাইজেশনস এর প্রতিনিধি মিগেল আংহেল মোরাতিনোস৷ তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বে প্রতি দশজনের আটজন মানুষ কোনো না কোনো ধর্মীয় পরিচয় বহন করেন৷ যে কারণে সংহত ও অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজগুলোকে আরো শক্তিশালী করতে ধর্মীয় নেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন৷''

পাঁচদিনব্যাপী ইন্টারফেইথ ফোরামটি সরাসরি ওয়েবসাইটে (www.G20Interfaith.live) সম্প্রচার করা হবে৷

বর্ণবাদ ও ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য মোকাবিলায় ধর্মীয় নেতারা সরকারের সঙ্গে কীভাবে কাজ করতে পারেন সে বিষয়ে আলোচনায় গুরুত্ব দেয়া হবে৷ এছাড়াও অভিবাসী, শরণার্থী, নারী ও তরুণদের উন্নয়নের বিষয়গুলোও উঠে আসবে৷ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনও রয়েছে এজেন্ডাতে৷ কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার জন্য রয়েছে একটি আলাদা দিন৷

ফোরামে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন ওআইসি মহাসচিব ড. ইউসুফ বিন আহমেদ-আল ওথাইমিন, মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের মহাসচিব ড. মোহাম্মদ আল ইসা, অর্থডক্স আর্চবিশপ বার্থোলোমিউ ও ক্যাথলিক চার্চের প্রতিনিধি কার্ডিনাল মিগ্যাল আংহেলা ইউসো৷

এফএস/জেডএইচ (কেএনএ, জি টোয়েন্টি ইন্টারফেইথ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন