বর্ণবাদবিরোধী গান ‘দিস ইজ অ্যামেরিকা′ গ্র্যামিতে সেরা | বিশ্ব | DW | 11.02.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

বর্ণবাদবিরোধী গান ‘দিস ইজ অ্যামেরিকা' গ্র্যামিতে সেরা

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লেখা ও গাওয়া ‘দিস ইজ অ্যামেরিকা' গ্র্যামিতে সেরা গান, সেরা মিউজিক ভিডিও এবং বছরের সেরা ‘রেকর্ড'-এর পুরস্কার জিতেছে৷ এই গানটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদ এবং বন্দুক সহিংসতার কথা তুলে ধরা হয়েছে৷

চাইল্ডিশ গ্যামবিনো আসলে অভিনেতা ডোনাল্ড গ্লোভার৷ তিনি ছদ্মনামে গানটি প্রকাশ করেছিলেন৷ গানটি লিখেছেন এবং প্রযোজনা করেছেন গ্লোভার নিজে৷ ভিডিও এবং গানের কথায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক কিছু দিক তুলে ধরা হয়েছে৷ যেমন, বন্দুক সহিংসতা, কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণ ইত্যাদি৷ মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন গ্লোভার: সেরা গান, সেরা মিউজিক ভিডিও এবং বছরের সেরা গানের রেকর্ড৷

সেরা র‌্যাপ অ্যালবাম ‘ইনভেশন অব প্রাইভেসি'র জন্য গ্র্যামি জিতেছেন শিল্পী কার্ডি বি৷ ক্যানাডিয়ান র‌্যাপার ড্র্যাকের ‘গড'স প্ল্যান' সেরা র‌্যাপ গানের পুরস্কার জিতেছে৷ সেরা কান্ট্রি অ্যালবাম ক্যাসি মাসগ্র্যাভসের ‘গোল্ডেন আওয়ার'৷ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো গ্র্যামি জিতেছেন শিল্পী আরিয়ানা গ্রান্ডে৷ তাঁর ‘সুইটেনার' অ্যালবামটি সেরা পপ অ্যালবামের পুরস্কার জিতেছে৷ তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না গ্রান্ডে৷

হলিউড তারকা হিউ জ্যাকম্যানও অনুপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রথম গ্র্যামি পুরস্কার জেতার দিন৷ ভিজুয়াল মিডিয়ায় সেরা গানের সংকলনের পুরস্কার জিতেছে তাঁর ‘দ্য গ্রেটেস্ট শোম্যান' চলচ্চিত্রটি৷ লেডি গাগা এবং হলিউড স্টার ব্র্যাডলি কুপার যৌথভাবে সেরা পপ গানের পুরস্কার জিতেছেন, ‘আ স্টার ইজ বর্ন' চলচ্চিত্রের ‘শ্যালো' গানটির জন্য৷ ভিজুয়াল মিডিয়ার জন্য লেখা ২০১৮ সালের সেরা গানও নির্বাচিত হয়েছে এটি৷

হলিউডের হিট ছবি ‘ব্ল্যাক প্যান্থার'-এর কম্পোজার লুডভিগ গোরানসন জিতেছেন সেরা স্কোর সাউন্ডট্র্যাকের পুরস্কার৷ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারও এবার গ্র্যামি জিতেছেন৷ এটি তাঁর তৃতীয় গ্র্যামি৷ তাঁর বই ‘ফেইথ-আ জার্নি ফর অল'-এর জন্য এর পুরস্কার পান তিনি৷ কার্টার ‘বেস্ট স্পোকেন ওয়ার্ড অ্যালবাম' ক্যাটাগরিতে পুরস্কারটি জিতেছেন৷ এর আগে ২০০৭ এবং ২০১৬ সালে একই ক্যাটাগরিতে গ্র্যামি জিতেছিলেন তিনি৷

সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা'র উপস্থিতি ছিল অনুষ্ঠানের একটি চমক৷ সেখানে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে তাঁর চমৎকার বক্তব্য সবাইকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে৷ নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন লেডি গাগা, জেনিফার লোপেজ, সঞ্চালিকা এলিসিয়া কিইস এবং অভিনেত্রী জাডা পিনকেট-স্মিথও৷

এপিবি/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন