বন শহরের কাছেই তরুণী খুন, কেনীয় জার্মান গ্রেপ্তার | জার্মানি ইউরোপ | DW | 05.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

বন শহরের কাছেই তরুণী খুন, কেনীয় জার্মান গ্রেপ্তার

জার্মানির প্রাক্তন রাজধানী বনের কাছের সাঙ্কট আগুস্টিনে নিখোঁজ এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ হত্যার অভিযোগে ইতোমধ্যে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

সতেরো বছর বয়সি তরুণীর মরদেহ রবিবার সাঙ্কট আগুস্টিনের একশরণার্থী ও গৃহহীনদেরআশ্রয় শিবির থেকে উদ্ধার করা হয়েছে৷ শুক্রবার তাঁর নিখোঁজ হওয়ার খবর পুলিশকে জানানো হয়৷ পুলিশ প্রথমে স্থানীয়দের সহায়তায় শরণার্থী শিবিরের কাছে একটি লেকের পাশ থেকে নিহত তরুণীর পোশাক ও ব্যাগ উদ্ধার করে৷ এরপর রবিবার তরুণীর মরদেহ সেই লেকে আছে সন্দেহ করে বেশ কয়েকজন উদ্ধারকর্মী সেখানে তল্লাশি শুরু করে৷ এই কাজে পানির নীচে উদ্ধার অভিযান চালাতে সক্ষম ড্রোন এবং অন্যান্য আধুনিক সরঞ্জামও ব্যবহার করা হয়৷

তবে লেকে নয়, রবিবার মরদেহ মেলে আশ্রয়কেন্দ্রের ভেতরেই৷ পুলিশ জানিয়েছে, ১৯ বছর বয়সি এক তরুণ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন৷ কেনিয়াতে জন্ম নেয়া এই তরুণ ছোটবেলা থেকেই জার্মানিতে আছেন৷ ইতোমধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যম পুলিশ এবং অন্যান্য সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বারে সেই তরুণের সঙ্গে তরুণীকে দেখা গেছে৷ পরবর্তীতে তিনি সেই তরুণের সঙ্গেই আশ্রয়কেন্দ্রে যান৷ তবে সেই তরুণী তাঁর বাবা-মাকে বনে এক বান্ধবীর বাড়িতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছিলেন৷

স্থানীয় গণমাধ্যম আরো জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে তরুণীর সঙ্গে তরুণের বচসা হয় এবং এক পর্যায়ে তরুণটি সহিংস হয়ে উঠলে তরুণী মারা যায়৷ তবে তাঁকে হত্যায় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি বলেও প্রাথমিক তদন্তের বরাতে গণমাধ্যম জানিয়েছে৷

প্রসঙ্গত, এমন এক সময়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যখন জার্মানিতে শরণার্থীদের নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে৷ গত দুই-তিন বছরে অনেক শরণার্থীকে গ্রহণ করে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল উদারতার পরিচয় দিলেও তাঁর প্রতি জনসমর্থন ক্রমশ কমে যাচ্ছে৷ অবস্থা এমন যে, নিজ দল থেকে পদত্যাগের আগাম ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন তিনি৷

সাঙ্কট আগুস্টিনের এই ঘটনা নিয়েও জার্মানির গণমাধ্যমে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে৷ আলোচিত তরুণ এর আগেও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন বলে জানিয়েছে গণমাধ্যম৷ বন শহরের আদালতের প্রধান কৌঁসুলি রবিন ফাসবেন্ডার ওই তরুণকে গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘‘জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত তরুণ নিহত তরুণীর সঙ্গে সহিংস আচরণ করার কথা স্বীকার করেছেন৷ ফলে আমরা এটিকে একটি ইচ্ছাকৃত নরহত্যা বলে ধারণা করছি৷''  

নিকোল গোয়েবেল, এলিজাবেথ সুমাখার/এআই

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন