বন্যা মোকাবিলায় ঢাকাকে সাহায্য করতে চায় দিল্লি | বিশ্ব | DW | 20.06.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

বন্যা মোকাবিলায় ঢাকাকে সাহায্য করতে চায় দিল্লি

বাংলাদেশকে বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে চায় ভারত। সেই সঙ্গে ৫৪টি নদীর সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বাংলাদেশকে বন্যা-মোকাবিলা ও ত্রাণে সাহায্য করতে চেয়েছেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বাংলাদেশকে বন্যা-মোকাবিলা ও ত্রাণে সাহায্য করতে চেয়েছেন।

ভারত-বাংলাদেশ জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের বৈঠকে প্রস্তাবটি দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। উদ্বোধনী ভাষণে জয়শঙ্কর বলেছেন, ''উত্তর বাংলাদেশে অভাবিত বন্যা হয়েছে। আমরা বাংলাদেশকে এই ব্যাপারে সাহায্য করতে চাই। ঢাকার পাশেই আছে দিল্লি। জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে বন্যানিয়ন্ত্রণে এবং ত্রাণে সাহায্য করতে চায় ভারত।''

জয়শঙ্কর বলেছেন, ''বাংলাদেশকে সাহায্য করতে পারলে ভারতের ভালো লাগবে। দুই দেশের সুসম্পর্কের অঙ্গ হিসাবেই ভারত এই কাজ করতে চায়। আমরা এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য সব তথ্য বাড়তি সময় নিয়ে বিনিময় করছি।'' 

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, ''দুই দেশের মধ্যে দিয়ে ৫৪টি নদী বয়ে গেছে। এই নদীগুলির সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দরকার। নদীগুলির সংস্কারও জরুরি। সেই সঙ্গে সুন্দরবনের প্রতি দুই দেশেরই দায়িত্ব রয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলিতে আমাদের কাজ করতে হবে। এখানে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করা খুবই জরুরি। পরিবেশ বাঁচানোর দায়বদ্ধতা দুই দেশেরই আছে।''

উত্তর বাংলাদেশ এবং ভারতের উত্তরপূর্বে বন্যার তাণ্ডবের পর দুই দেশের মধ্যে বয়ে চলা ৫৪টি নদীর সংস্কার ও যৌথ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছুদিন ধরে বলছেন। সুন্দরবনকে রক্ষা করার জন্যেও জরুরি ভিত্তিতে দুই দেশকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে বলে তারা জানিয়েছেন। জয়শঙ্করও সেই প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

চারটি নতুন ক্ষেত্র

জয়শঙ্কর বলেছেন, ''চারটি নতুন ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। এগুলি হলো, সাইবার সিকিউরিটি, স্টার্টআপ, আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স এবং ফিনটেক।''

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ''সম্প্রতি বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী ভারতে এসেছিলেন এবং তার সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রীর সফরের দিকেও ভারত তাকিয়ে আছে।''

তিনি জানিয়েছেন, ''বাংলাদেশের কাছে ভারত হলো এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় রফতানির জায়গা। এই বছরে ভারতে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে দুইশ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।''

মোদীর মা-কে ফুল

এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা-র জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে একশটি গোলাপের গুচ্ছ পাঠিয়েছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এই ফুল হীরাবেন মোদীর কাছে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ও টুইট করে জানিয়েছে, মোমেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তার মা-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জিএইচ/এসজি (ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি, এএনআই)