বন্যা ও ভূমিধসের কবলে জাভা, খুলে দেয়া হলো বালি বিমানবন্দর | বিশ্ব | DW | 29.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইন্দোনেশিয়া

বন্যা ও ভূমিধসের কবলে জাভা, খুলে দেয়া হলো বালি বিমানবন্দর

ইন্দোনেশিয়ার জাভায় বন্যা ও ভূমিধসের কবলে মারা গেছে অন্তত ১৯ জন৷ মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশংকা৷ ওদিকে মাউন্ট আগুং-এ বিস্ফোরণের পর সাময়িকভাবে খুলে দেয়া হয়েছে দেশটির অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বালির বিমানবন্দর৷

বুধবার পূর্ব ও মধ্য জাভায় ভূমিধসে মারা যায় অন্তত ১৫ জন৷ আর ঘুর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বন্যায় এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা চারজন৷ উদ্ধারকর্মীরা জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশী চালাচ্ছেন এখনো৷ জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরো নুগ্রোহো এক বিবৃতিতে বলেন, হাজার হাজার ঘরবাড়ি, চাষাবাদের জমি বন্যায় তলিয়ে গেছে৷ চার হাজারের বেশি লোককে তাঁদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে হয়েছে৷ জাভার অন্য একটি স্থান সুমেডাং-এ ভারী বর্ষণের কারণে ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে৷ জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার পক্ষ থেকে জাভা ও বালি দ্বীপে বন্যা, ভূমিধস ও টর্নেডোর আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে৷

অন্যদিকে, সাময়িকভাবে খুলে দেয়া হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বালি দ্বীপের বিমানবন্দর৷ গত রবিবার মাউন্ট আগুং-এ বিস্ফোরণের পর বাতাসে হাজার হাজার মিটার উচ্চতায় ছাই ছড়িয়ে পড়ায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল বিমানবন্দরটি৷

এনগুরাহ রাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র আরি আহসানুরহিম জানান, আগ্নেয়গিরির ছাই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হওয়ায় প্লেন উঠা-নামার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷ তবে পরিস্থিতির অবনতি হলে যে কোনো মূহূর্তে আবারো বন্ধ করে দেয়া হতে পারে বিমান চলাচল৷ তাঁর কথায়, ‘‘পুরো পরিস্থিতি আমরা খুব সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছি৷'' সোমবার থেকে বালির এনগুরাহ রাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়৷ বাতিল করা হয় অন্তত ৪৪০টি ফ্লাইট, আটকা পড়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার পর্যটক৷ এর আগে, রবিবার সন্ধ্যায় পূর্বের আরেক দ্বীপ লম্বোকের বিমানবন্দরও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল৷ বর্তমানে চালু রয়েছে এ বিমানবন্দরের কার্যক্রমও৷

তবে এখনো বালি দ্বীপে জারি রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থা৷ নিরাপত্তার স্বার্থে বিপদজনক এলাকা হিসেবে চিহ্নিত অংশে কাউকে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার সরকার৷ যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের আশংকা জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ভলকানোলজি এজেন্সি৷

আরএন/ডিজি (এপিই, ডিপিএই, এএফপিই)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন