বড়দিনে বার্লিনের বাঙালি | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 24.12.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বড়দিনে বার্লিনের বাঙালি

ক্রিসমাস কেবল খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় উৎসব নয় আর, জাতিধর্মনির্বিশেষে সামাজিক উৎসবও৷ আত্মীয় পরিজন বন্ধুদের সঙ্গে একত্রে খাওয়াদাওয়া, আনন্দযজ্ঞে মেতে ওঠা৷ উপহার কেনাকাটি৷ নানা ঝলমলে আলোয় ক্রিসমাস ট্রি সাজানো উৎসবেরই অঙ্গ৷

default

সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছায় সান্টা ক্লজ

বাংলা প্রবাদে কয়, সঙ্গদোষে লোহা ভাসে৷ কিছু সঙ্গ অবশ্যই শ্লাঘার৷ এবং তা সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে আনন্দজনক৷ এই পরিমন্ডল পারিপার্শ্বিকের ছোঁয়ায়৷ ধর্ম নয়, সামাজিকতাই পরম৷ যে সমাজে যখন বাস, ওই সমাজের সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিলে অনায়াসেই সামাজিক হওয়া যায়৷ ধর্মের বালাই নেই এখানে৷

Orhodox Christmas

ছেলে-মেয়ে, ধনী-দরিদ্র - বড়দিন সবার জন্য

বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি (বাংলাদেশ/পশ্চিমবঙ্গেও বাঙালি খ্রিষ্টান আছেন)৷ নিশ্চয় দেশে থাকতে শখ করে বড়দিন তথা ক্রিসমাস উপলক্ষে ক্রিসমাস ট্রি কিনে রঙবেরঙের টুনিবাতি দিয়ে ঘর সাজাতেন না সব সময়৷ কিন্তু বার্লিনে সাজিয়েছেন৷ না সাজিয়ে উপায় নেই, বিশেষত যাদের ছোট ছেলেমেয়ে আছে৷

BdT Indien Weihnachten

ভারতের দুজন সান্টা ক্লজ

ছেলেমেয়ে স্কুলে যায়৷ পাশের বাড়ির বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলো করে৷ জানতে চায় ওরা, কে কেমন ঘর সাজিয়েছে, ক্রিসমাস ট্রি কতো বড়ো, আলোকমালার বাহার কী রকম৷ নানা প্রশ্ন৷ শুনতে হয় বাবা-মা-কেও৷ বাচ্চারাও চায় তাদের ঘরদোর সাজানো হোক৷ আলোকিত হোক৷ বন্ধুদের সগর্বে বলতে পারবে৷ বাংলাদেশের মইন চৌধুরীর স্ত্রী জার্মান৷ ক্যাথলিক৷ ওঁদের এক কন্যা৷ বার্লিনবাসী মইন চৌধুরী বলেন, কয়েক বছর ধরেই ঘরদোর সাজাই, বড়দিন উপলক্ষে৷ স্ত্রীর জন্যে নয়, কন্যার জন্যে৷ তবে, এটা এখন আমাদের কাছে সামাজিক কালচার৷ ধর্মীয় নয়৷ একই কথা, জাফর ইকবালের৷ তাঁর গৃহিণী বাঙালি৷ জাফর বলেন, বড়দিনকে আমরা ধর্মীয় দিক থেকে দেখিনা, সামাজিক আনন্দ-উৎসব হিসেবেই আমাদের কাছে গ্রহণীয়৷

প্রতিবেদন: দাউদ হায়দার, বার্লিন

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

বিজ্ঞাপন