বড়দিনের আগেই জার্মানিতে নতুন সরকারের আশা দেখছেন শলৎস | বিশ্ব | DW | 14.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

বড়দিনের আগেই জার্মানিতে নতুন সরকারের আশা দেখছেন শলৎস

জার্মানির এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎস চলতি বছরের শেষেই জোট সরকার গঠনের আশা করছেন৷ শুক্রবারই সম্ভবত তিন সম্ভাব্য শরিক পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানাবে৷

জার্মানির বিদায়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে ওলাফ শলৎস আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এক বৈঠক ও জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে যোগ দিতে ওয়াশিংটন সফর করছেন৷ সেখানেও জার্মানির সরকার গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আগ্রহ কম নয়৷ সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শলৎস বলেন, তিন দলের প্রাথমিক আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে৷ গঠনমূলক পরিবেশে সংলাপ চলছে৷ এই প্রকল্পের সাফল্য সম্পর্কে আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বড়দিনের আগেই নতুন সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল৷

শলৎসের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও জার্মানির আগামী সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রাথমিক আলোচনা থেমে নেই৷ বৃহস্পতিবার এসপিডি, এফডিপি ও সবুজ দলের সাধারণ সম্পাদকরা সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন৷ ঐকমত্যের ভিত্তিতে জোট গঠনের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা আদৌ সম্ভব কিনা, সম্ভবত শুক্রবারই সেই সিদ্ধান্ত জানা যাবে৷ মধ্যস্থতাকারীরা সেই খসড়া যে যার দলের কাছে পেশ করে অনুমোদন পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপের ঘোষণা করা হতে পারে৷

সেপ্টেম্বর মাসের সংসদ নির্বাচনে এসপিডি প্রায় ২৫, সবুজ দল প্রায় ১৫ এবং এফডিপি দল প্রায় দশ শতাংশ ভোট পেয়ে ‘ট্রাফিক লাইট কোয়ালিশন' গড়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে৷ জনসমর্থনের বিচারে তিন দলের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও যে যার নিজস্ব অ্যাজেন্ডা যতটা সম্ভব কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর৷ জার্মানির আধুনিকীকরণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের মতো বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও অর্থায়ন, করের বোঝার মতো কিছু বিষয়ে অনেক মতপার্থক্যও রয়েছে৷ বিশেষ করে উদারপন্থি এফডিপি দলের পক্ষে বাকি দুই ‘বাম ঘেঁষা' দলের সঙ্গে আপোশ করা কঠিন কাজ৷ তবে তিন দলই আগামী সরকারের অংশ হিসেবে নিজস্ব নীতি কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর৷ ফলে আদর্শগত অবস্থানে কিছুটা আপস করে বাস্তববাদী মনোভাব দেখিয়ে দলগুলি শেষ পর্যন্ত জোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ রক্ষণশীল ইউনিয়ন শিবিরের বেহাল অবস্থার কারণে এফডিপি দলের সামনে বিকল্প জোটের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই আশা আরও বাড়ছে৷

এমন প্রেক্ষাপটে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং থমকে যাওয়া আধুনিকীকরণের গতি বাড়াতে তিন দল মিলে যৌথভাবে আগামী জোট সরকারের রূপরেখা রচনা করতে পারে৷ প্রত্যেক দল সেই খসড়ায় নিজস্ব মৌলিক অবস্থান অটুট হিসেবে তুলে ধরে মুখরক্ষা করতে পারে৷ মন্ত্রণালয়ের বণ্টন নিয়ে দরকষাকষি করে ছোট দুই শরিক দল নিজস্ব শক্তি অক্ষূণ্ণ রাখার ‘প্রমাণ' তুলে ধরতে পারে৷ অসংখ্য খুঁটিনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলের কিছু দাবিও জোট সরকারের অভিন্ন কর্মসূচিতে স্থান পেতে পারে৷ 

এসবি/কেএম (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়