বই ধ্বংস করে শিল্পকর্ম! | বিশ্ব | DW | 04.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

বই ধ্বংস করে শিল্পকর্ম!

বই কি শুধু পড়ার জন্য? এক স্কটিশ শিল্পী বইকে কার্যত ধ্বংস করে সেই ধ্বংসাবশেষ নিয়ে সৃষ্টিকর্ম মেতে উঠছেন৷ বইয়ের নামের বিমূর্ত রূপ তুলে ধরে তিনি মানুষকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে চাইছেন৷

টুকিটাকি কাগজের ছেঁড়া টুকরো, ধ্বংসের চিহ্ন৷ ভাল করে দেখলে সাহিত্যমোদীরা শিউরে উঠতে পারেন৷ বই ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ভাস্কর্য, রহস্যময় সত্বা, অতীতের সংস্কৃতি ও বিভিন্ন চরিত্রের আবক্ষ মূর্তিতে রূপান্তরিত করা হয়৷ শিল্পী জর্জিয়া রাসেল বলেন, ‘‘আমি এই টুকরোগুলিকে নিখুঁত ও সমানুপাতিক করে তুলতে চাই না৷ স্টুডিওতে কিছু সময় রেখে সেগুলিকে এদিক-ওদিক নিয়ে যেতে চাই, যাতে নির্দিষ্ট স্থানে রাখার আগে তাদের একটা জীবন থাকে৷ কারণ এভাবে তাদের নিজস্ব এক ব্যক্তিত্ব সৃষ্টি হয়৷''

জর্জিয়া রাসেলের হাতিয়ার স্ক্যালপেল বা খোদাই করার ছোট ছুরি৷ সেটি দিয়ে তিনি বইপত্র, ছবি, স্ক্রিন ছিন্নভিন্ন করতে পারেন৷ নিজেকে ‘ওয়ার্কিং মম' বা কর্মরতা মা বলেন তিনি৷ আপাতত তিনি পর পর ঝোলানো রং করা পর্দা নিয়ে কাজ করছেন৷

ভিডিও দেখুন 02:32
এখন লাইভ
02:32 মিনিট

বই যেভাবে মানুষকে সংবেদনশীল করতে পারে

জর্জিয়া বলেন, ‘‘মাঝেমাঝে দুশ্চিন্তা হয়, কারণ ধরুন আমি অনেক দিন ধরে একটা পেন্টিং নিয়ে কাজ করেছি৷ সেটি দেখতে ভালই লাগছে৷ কিন্তু আমি জানি, ছুরি চালিয়ে সেটি সম্পূর্ণ বদলে দেব৷ তাই কিছু পেতে গেলে কিছু হারাতে হয় – সবসময়ে সেটা মেনে নিতে হবে৷''

প্রদর্শনীর নাম ‘দ্য ওপেন উইন্ডো'৷ তাঁর সৃষ্টিকর্মের উপর দর্শকের দৃষ্টি স্থির থাকে না৷ জর্জিয়া রাসেল প্রকৃতি খুব ভালবাসেন৷ সেইসঙ্গে বইও পছন্দ করেন৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রথম থেকেই বইয়ের নাম আমাকে ভাবিয়েছে৷ সেই নাম থেকে প্রেরণা নিয়ে আমি সৃষ্টির কাজ করি৷ আরও অগ্রসর হলে আমার মনে হয়, অ্যাবস্ট্রাক্ট বা বিমূর্ত রূপ আরও যথাযথ হবে৷''

বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বই ধ্বংস করা হয়৷ জর্জিয়া রাসেল বুঝিয়ে বলেন, যে ধ্বংসলীলা সত্ত্বেও তিনি বইয়ের মধ্যে রাখা জ্ঞান সংরক্ষণ করতে চান৷ বিষয়টা বেশ অদ্ভুত মনে হলেও তিনি এভাবে মানুষকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে চান৷ 

কাটিয়া শালা/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন