ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার কারাদণ্ড | বিশ্ব | DW | 13.09.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সৌদি আরব

ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার কারাদণ্ড

মোবাইলে ছবি তোলায় এক প্লাম্বারকে পেটানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমান৷  অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দশ মাসের স্থগিত কারাদণ্ড দিয়েছে ফ্রান্সের আদালত৷

২০১৬ সালের ঘটনা৷ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বোন ও সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের মেয়ে হাসা বিনতে সালমান প্যারিসে তার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে প্লাম্বার আশরাফ আইদকে পেটানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন৷ আশরাফ আইদের অপরাধ তিনি বিনা অনুমতিতে ছবি তুলেছেন৷ এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ৪৩ বছর বয়সি রাজকন্যা তার দেহরক্ষীকে বলেন সাইদকে বেঁধে পেটাতে৷ তা-ই করা হয়৷ হাত-পা বেঁধে উপর্যুপরি কিল-ঘুসি মারা হয় সাইদকে৷ পেটানোর সময় রাজকন্যা হাসা চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘‘কুকুরটাকে মেরে ফেলো, ওর বেঁচে থাকার অধিকার নেই৷''

প্লাম্বারকে পেটানোর অভিযোগে সৌদি রাজকন্যার বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুরু হয় গত জুলাই মাসে৷ বৃহস্পতিবার প্যারিসের এক আদালত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করে৷ দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দশ মাসের স্থগিত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার ইউরো জরিমানা করে আদালত৷ এছাড়া দেহরক্ষী রানি সাইদাকে আট মাসের স্থগিত কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়৷ রায় ঘোষণার সময় হাসা বিনতে সালমান আদালতে ছিলেন না৷

প্লাম্বার আরশাদ আইদের দাবি, তিনি নিজের মোবাইলে শুধু রাজকন্যার অ্যাপার্টমেন্টের গোসলখানার ছবি তুলেছিলেন৷ এই অপরাধেই তাকে বেদম পেটানো হয়, মোবাইলটিও ভেঙে ফেলা হয়৷ রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমানের আইনজীবী বলেছেন,

মামলাটি কল্পনাপ্রসূত, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল  করা হবে৷

এসিবি/কেএম (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন