ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশে নব্য-নাৎসি জঙ্গি নেটওয়ার্ক! | বিশ্ব | DW | 17.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশে নব্য-নাৎসি জঙ্গি নেটওয়ার্ক!

উগ্র ডানপন্থিদের হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের আইনি সাহায্য দেয়া এক আইনজীবীর মেয়েকে হুমকি দিয়েছে পুলিশ৷ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশে এক নব্য-নাৎসি নেটওয়ার্কের তথ্য৷

জার্মান সংবাদপত্র ফ্রাঙ্কফুর্ট আলগেমাইনে সাইটুং এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরের পুলিশ বাহিনীতে সন্দেহভাজন ডানপন্থি জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিষয়ে তদন্ত করছে হেসে রাজ্যের স্টেট ক্রিমিনাল পুলিশ- এলকেএ৷

আদালতেইসলামি জঙ্গিদের পক্ষে লড়াই করা তুর্কি বংশোদ্ভূত আইনজীবীকে হুমকি দিয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়৷ এই ঘটনা তদন্তে এলকেএ একটি বিশেষ দল গঠন করেছে৷

সেডা বাসায়-ইলডিজকে ফ্যাক্স করে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘নোংরা তুর্কি শূকর, তুমি জার্মানিকে ধংস করতে পারবে না৷ যত তাড়াতাড়ি পারো, এখান থেকে জীবিত বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করো, শূকর৷''

ফ্রাঙ্কফুর্টার নয়ে প্রেসেকে বাসায়-ইলডিজ জানিয়েছেন, চিঠির এই অংশটুকু তাঁকে নিয়মিতভাবে পাঠানো ঘৃণাবাচক অন্য চিঠিগুলোর মতোই৷ কিন্তু চিঠির পরের অংশটুকু তাঁকে শঙ্কিত করে তুলেছে৷

পরের অংশে বলা হয়েছে, ‘‘প্রতিশোধ নিতে...আমরা তোমার মেয়েকে হত্যা করবো৷'' চিঠিতে তাঁর ঠিকানা এবং তাঁর মেয়ের নামেরও উল্লেখ ছিল৷ চিঠির শেষে স্বাক্ষর করা ছিল- এনএসইউ ২.০৷উগ্র ডানপন্থি নব্য-নাৎসি দল ন্যাশনাল সোশালিস্টআন্ডারগ্রাউন্ড ২০০০ সাল থেকে সক্রিয় রয়েছে৷ বাসায়-ইলডিজ এই এএসইউয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধেও বেশ কয়েকটি মামলা লড়েছেন৷

জড়িত পুলিশ কর্মকর্তা

আগস্টে দেয়া এ হুমকির পর তদন্তে বের হয়ে এসেছে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য৷ তদন্তকারীরা অন্তত পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার একটি দলকে খুঁজে পেয়েছেন,যাঁরা একটি চ্যাট গ্রুপে নব্য-নাৎসি ম্যাসেজ ও ছবি শেয়ার করেন৷ জার্মানিতে এটি একটি বড় ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য৷

তদন্তকারীরা খুঁজে বের করেছেন, পুলিশের ব্যবহার করা একটি কম্পিউটার থেকে কোনো কারণ ছাড়াই সেই আইনজীবীর ব্যক্তিগত তথ্য খুঁজেছেন৷

ঘটনা আরো বড় হওয়ার শংকা ‘উড়িয়ে দিচ্ছেন না' তদন্ত কর্মকর্তারা৷ তদন্ত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত চার পুরুষ ও এক নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে৷

আলিস্টেয়ার ভালশ/এডিকে

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন