ফের তেল আভিভে হামলা, মৃত পাঁচ | বিশ্ব | DW | 30.03.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইসরায়েল

ফের তেল আভিভে হামলা, মৃত পাঁচ

গত সাতদিনে এই নিয়ে তৃতীয়বার এমন হামলা হলো ইসরায়েলে। মঙ্গলবারের হামলায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

তেল আভিভের একটি গোঁড়া ইহুদি অঞ্চলে এই হামলা হয়েছে বলে ইসরায়েলের সংবাদপত্র জানিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, একটি গাড়ির চালকের পাশে সিটে বসে ছিল বন্দুকধারী। অটোমেটিক মেশিনগান থেকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে সে গুলি চালাতে চালাতে এগোতে থাকে। ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছে। আহত বেশ কয়েকজন। পরে পুলিশের গুলিতে ওই বন্দুকধারীর মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই বন্দুকধারীর বয়স ২৭ বছর। ফিলিস্তিনের উত্তরে ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের বাসিন্দা সে। তবে ইসলামিক স্টেট বা ওই ধরনের কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে সে যুক্ত ছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কোনো গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।

গত সাতদিনে এই নিয়ে তৃতীয়বার ইসরায়েলে এমন হামলার ঘটনা ঘটল। প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল একটি বাসস্ট্যান্ডে। সেই ঘটনার দায় আইএস স্বীকার করেছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রেই হামলাকারীদের হত্যা করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবারের ঘটনার পর জরুরি বৈঠক ডাকেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। বুধবারও এ বিষয়ে জরুরি বৈঠক হওয়ার কথা পার্লামেন্টে। দেশের প্রশাসন জানিয়েছে, শক্ত হাতে এই ধরনের হামলার জবাব দেওয়া হবে। নিরাপত্তা আরো শক্ত করা হবে।

বস্তুত, ওয়েস্ট ব্যাঙ্কেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি দেশের আরব নাগরিকরা এই ঘটনাগুলির সঙ্গে যুক্ত। ওই সমস্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী বাড়ানো হয়েছে।

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমানে বিরোধী নেতা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, বহুদিনের মধ্যে এমন লাগাতার আক্রমণের মুখে পড়েনি ইসরায়েল। দেশের নাগরিকরা সন্ত্রস্ত। সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টও এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তবে হামাস আক্রমণকারীকে সমর্থন করেছে। তাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েল যেভাবে আক্রমণ চালিয়েছে, এগুলি তারই জবাব।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি, বিবিসি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়