ফের গ্রেনেড হামলা কাশ্মীরে | বিশ্ব | DW | 19.11.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

ফের গ্রেনেড হামলা কাশ্মীরে

গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আহত অন্তত ১২ জন সাধারণ মানুষ। নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে চার সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু।

ফের পুলওয়ামা। ফের গ্রেনেড হামলা। বছরকয়েক আগে পুলওয়ামায় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে একটি সিআরপিএফ জওয়ানদের কনভয় উড়িয়ে দিয়েছিল বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। বহু জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। যা নিয়ে এখনো বিতর্কের শেষ নেই। কিছু দিন আগে পাকিস্তানের সংসদে এক মন্ত্রী ওই হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ থাকার কথা স্বীকার করেছিলেন। যদিও পরে তিনি তাঁর বয়ান পাল্টে ফেলেন। ভারত ওই ঘটনার পরেই পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটিতে সার্জিকাল স্ট্রাইক করে। তা নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি।

সেই পুলওয়ামেতেই ফের গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। বুধবার একটি সিআরপিএফ কনভয় লক্ষ্য করেই তারা হামলা চালায়। কিন্তু গ্রেনেড সেই কনভয় মিস করে। রাস্তার মাঝখানে বিস্ফোরণ হয়। তাতে ১২ জন সাধারণ কাশ্মীরী আহত হয়েছেন। সকলেরই শরীরে স্প্লিনটার ঢুকে গিয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সিআরপিএফ জওয়ানদের কোনো ক্ষতি হয়নি।

ঘটনার পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং সেনা। আক্রমণকারীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকালে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে চার সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু হয়েছে। কোনো গোষ্ঠী এখনো পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি।

আগামী ২৮ নভেম্বর কাশ্মীরে স্থানীয় ভোট। ৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্তির পরে এটাই প্রথম ভোট কাশ্মীরে। তার আগে আরো বেশ কিছু নাশকতার ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। ফলে গোটা কাশ্মীর জুড়েই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বুধবারের ঘটনা আরো ভয়াবহ চেহারা নিতে পারতো বলেই মনে করছেন নিরাপত্তরক্ষীরা।

এ দিকে নির্বাচন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে কাশ্মীরের নেতাদের। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, বিজেপি প্রার্থীদের জেতানোর জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। যাতে সাধারণ মানুষ ভোটই দিতে যেতে না পারেন। বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বস্তুত, স্থানীয় নির্বাচন হলেও, এ বারের ভোট কাশ্মীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের ভোটে আসলে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং কেন্দ্রশাসিত রাজ্যের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিফলন পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, এএনআই)

বিজ্ঞাপন