‘ফায়ার সার্ভিসের স্যাটেলাইট ইউনিট স্থাপন করতে চাইছি′ | আলাপ | DW | 14.01.2022
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সাক্ষাৎকার

‘ফায়ার সার্ভিসের স্যাটেলাইট ইউনিট স্থাপন করতে চাইছি'

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায়শ ঘটছে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা৷ এ নিয়ে ডয়চে ভেলের সাথে কথা বলেছেন বাংলাদেশের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ্ রেজওয়ান হায়াত৷

২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে উখিয়ার পৃথক দুটি ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে৷ সবশেষ রোববার বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে পুড়ে যায় শতাধিক রোহিঙ্গা বসতি৷

এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি৷ এসব বিষয় নিয়ে ডয়চে ভেলের সাথে কথা বলেছেন বাংলাদেশের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ্ রেজওয়ান হায়াত৷

প্রশ্ন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায় ঘটছে৷ এ ঘটনা নিয়েও অনেকবার কমিটিও করা হয়েছে৷ অগ্নিকাণ্ড ঘটার কারণ জানা গেছে কিনা? কেন বারবার এ ঘটনা ঘটছে?

শাহ্ রেজওয়ান হায়াত : রোহিঙ্গারা অনেক সময় ঘরে লাকড়ির জিনিসও ব্যবহার করে, এই যে অসর্তকতা, এগুলোর জন্য হয়৷

প্রশ্ন: আমরা সম্প্রতি দেখেছি তুরস্কেও হাসপাতাল পুড়ে গেছে৷ সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন

বাংলাদেশে৷ তিনি আসার পর তাদের বেশ কিছু কাজের উদ্বোধনও করেছেন তিনি৷ এ ঘটনার পরপরই আমরা বিভিন্ন জনের কাছে শুনেছি রোহিঙ্গারা বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার জন্য নিজেরাই আগুন দিয়েছে৷ এই অভিযোগটি কতটুকু যৌক্তিক?

শাহ্ রেজওয়ান হায়াত: এ ব্যাপারটি আমি বলতে পারবো না, কারণ আমি তো গোয়েন্দা সংস্থার লোক না৷ তবে এটা খুব সম্ভবত কয়েকদিন আগে আইওএম-এর (আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা) একটা সাইটে আগুন লাগে৷ তার আশেপাশে তো কোনো শেল্টার ছিল না৷ এটা বিভিন্নজনে বিভিন্ন কারণে করতেই পারে বা বিভিন্ন সন্দেহ হতেই পারে৷ কিন্তু আমি আমরা আসলে জানি না৷

অডিও শুনুন 04:48

বিভিন্ন সন্দেহ হতেই পারে৷ কিন্তু আমি আমরা আসলে জানি না: শাহ্ রেজওয়ান হায়াত

প্রশ্ন : রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন সময়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে৷ এটা আবার বিভিন্ন সময় ব্যাপক বিস্তৃতি আকার ধারন করছে৷ এ ঘটনায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না কেন? ওখানে কি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটের সংখ্যা কম, নাকি অন্য কোনো কারণ?

শাহ্ রেজওয়ান হায়াত: ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে, আমাদের বিল্ডিং বাড়ানো হচ্ছে৷ আর একটা বিষয় হলো পানি তো সব জায়গায় পাওয়া যায় না৷ পানি থাকাটাও তো দরকার৷ দুই নাম্বার হলো বাঁশ এবং তারপোলিং, এগুলো কিন্তু একটার পাশে আরেকটা লাগানো, যার ফলে ইজিলি স্প্র্যাডআউট হয়৷

প্রশ্ন : কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফে দুইটি বিশাল রিফিউজি ক্যাম্প৷ এ ক্যাম্পে ভবিষ্যতে যাতে অগ্নিকাণ্ড না ঘটে এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ আপনারা নিচ্ছেন কিনা?

শাহ্ রেজওয়ান হায়াত: আমরা আসলে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কিছু স্যাটেলাইট ইউনিট স্থাপন করতে চাচ্ছি৷ উখিয়া এবং টেকনাফে৷ অলরেডি উখিয়ার ৪ নাম্বারে একটি স্থাপন করা হয়েছে৷

প্রশ্ন : যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য কি সহায়তা দেয়া হচ্ছে?

শাহ্ রেজওয়ান হায়াত: যখন আগুন লাগল তখন আমরা তাদের শুকনো খাবার দিলাম, বিভিন্ন লার্নিং সেন্টার, কমিউনিটি সেন্টার অফিসে তাদের আশ্রয় দিলাম৷ পরদিন সকালে তাদের নাস্তা দেয়াসহ আপাতত মাথা গোঁজার জন্যে শেল্টার দেয়া হলো এবং আমাদের তরফ থেকে আমরা বেশকিছু তাঁবু স্থাপন করলাম৷ আপনি যদি ছবি দেখে থাকেন তাহলে দেখতে পাবেন অনেক তাঁবু আমরা দিয়েছি এবং আমরা এখন একটা সাইট ওপেনিং করতেছি, সেখানে টয়লেট হয়ে গেছে৷ এটা হয়ে গেলে পুরোদমে আমাদের শেল্টার স্থাপন কার্যক্রম শুরু হবে৷

প্রশ্ন : কী সংখ্যক ঘরবাড়ি বা দোকান পাট পুড়ে গেছে?

শাহ্ রেজওয়ান হায়াত: পুরোপুরিভাবে পুড়ে গেছে এরকম শেল্টারের সংখ্যা হলো ৩৮৫৷ আংশিক সহ টোটাল ৪৩৫টি শেল্টার৷

প্রশ্ন : অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা তাঁবু পেয়েছে?

শাহ্ রেজওয়ান হায়াত: সবাই আপাতত মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে গেছে৷ কোনো হতাহত হয়নি, ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ১,৯৮৮ জন৷

সংশ্লিষ্ট বিষয়