ফালুজা অভিযানে বেসামরিক বাসিন্দারা বিপন্ন | বিশ্ব | DW | 25.05.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ফালুজা অভিযানে বেসামরিক বাসিন্দারা বিপন্ন

অভিযানের তৃতীয় দিনেও ইরাকি সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে৷ আশিটিরও বেশি পরিবার ফালুজা থেকে পালাতে পেরেছে বলে খবর৷ বাকি পঞ্চাশ হাজার বাসিন্দার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ৷

২০ মে যাবৎ ফালুজা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন মানুষজন, কিন্তু ‘দায়েশ' বা আইএস এখনও কারফিউ জারি করে চলেছে, এছাড়া চারদিকে স্নাইপার, বলে প্রকাশ৷ কিছু নারী ও শিশু এভাবে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর৷

ইরাক অথবা সিরিয়ার অন্য যে কোনো শহরের চেয়ে বেশিদিন আইএস-এর হাতে রয়েছে রাজধানী বাগদাদের মাত্র ৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত সুন্নি অধ্যুষিত শহর ফালুজা৷ ২০১৪ সালের গোড়ায় আইএস ফালুজা দখল করে৷ গত বছর থেকেই ইরাকি সেনাবাহিনী শহরটিকে ঘিরে রেখেছে; মাঝেমধ্যে গোলাবর্ষণ করছে ও শহরটি পুনর্দখল করার চেষ্টা চলেছে৷

এবার দৃশ্যত ইরাক সরকার ফালুজাকে মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর৷ তাই ‘ব্রেক টেররিজম' নাম দিয়ে এই ‘গ্রাউন্ড অপারেশন' শুরু করা হয়েছে৷ গত রবি বার ইরাকি সৈন্যদের ফালুজার উপকণ্ঠ থেকে ‘সেলফি' তুলতে ও পাঠাতে দেখা যায়৷

সোমবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ফালুজা অভিযান শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করেন৷

মঙ্গলবারও ইরাকি সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ অব্যাহত রাখে৷

মঙ্গলবারই কুর্দি-আরব সেনাবাহিনী সিরিয়ার রাকা প্রদেশে তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের অভিযান শুরু করে৷ ‘সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস' এদিন রাকা সিটি-র বিরুদ্ধে তাদের এ পর্যন্ত বৃহত্তম অভিযানের কথা ঘোষণা করেছে৷ এসডিএফ-এর এই যোদ্ধারা নাকি আংশিকভাবে মার্কিন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও মার্কিন অস্ত্রসজ্জিত৷ এছাড়া মার্কিন জঙ্গি বিমান অভিযানে এয়ার সাপোর্ট দেবে বলেও প্রকাশ৷

অপরদিকে ফালুজা অভিযানে ইরাকি সেনাবাহিনী ছাড়াও হাশেদ আল-শাবি নামধারী একটি আধা সামরিক সংগঠনের যোদ্ধারা বিশেষভাবে সক্রিয়৷ এই সংগঠনে তেহরান-সমর্থিত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির প্রাধান্যই বেশি৷ কাজেই একদিকে সুন্নি আইএস, অন্যদিকে শিয়া ও কুর্দি – এভাবেই দু'টি পৃথক রণাঙ্গণে গুরুতর চাপের মুখে পড়েছে ইসলামিক স্টেট৷

এসি/এসিবি (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন