ফলে ফরমালিন ব্যবহার না করা নিয়ে পাঠকদের ভাবনা | পাঠক ভাবনা | DW | 14.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

ফলে ফরমালিন ব্যবহার না করা নিয়ে পাঠকদের ভাবনা

ডয়চে ভেলে বাংলার ‘ফরমালিন: ভুল, সবই ভুল!' শিরোনামের প্রতিবেদনটি অনেক পাঠকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না৷ তাঁদের মনের সংশয়ের কথাই তাঁরা তুলে ধরেছেন ফেসবুক পাতায়৷ 

‘‘আমের চামড়া শুকিয়ে যায়, কিন্তু আম পচে না, এটা কি রাসায়নিক? গবেষকরা কী জানাবেন? নাকি সামনে আমের সিজন, তাই এক শ্রেণির ব্যবসায়ী এটা ছড়িয়ে দিচ্ছেন জনগণের মাঝে?'' পাঠক মশিউর রহমান ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনটি পড়ে প্রশ্ন রেখেছেন সকলের কাছে৷

একই প্রতিবেদন পড়ে পাঠক মাসুম হাসানও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে, বাংলাদেশে ফলে ফরমালিন মেশানো হয় না বা মেশালেও ক্ষতি হয় না৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘যাদের এতটুকু বিজ্ঞান বিষয়ে জ্ঞান আছে, তারাও ব্যাপারটা বোঝে...''৷ সৈয়দা মারিয়া জামাল মেরি বলছেন, ‘‘আজ যা জেনেছি কাল হয়তো শুনবো সেটাও ভুল৷''

‘‘কোনোরকম ল্যাব-পরীক্ষা বা শতকরা একশ' ভাগ নিশ্চিত না হয়ে তৈরি করা'' বলে ধারণা পাঠক আবদুল বাশারের৷ তিনিও বিষয়টি মোটেই বিশ্বাস করতে পারছেন না৷

মোহাম্মদ হারুন অর রশিদও বিশ্বাস করছেন না৷ পাঠক ওয়াসিমও মনে করছেন না  আম, আপেল, আঙুর ইত্যাদি ফলে ফরমালিন মেশানো হয় না এবং মেশালেও পচন রোধ করা যায় না৷ তবে বিশ্বাস না করার কারণটাও তাঁরা স্পষ্টভাবে জানাননি৷

তবে পাঠক জসিমউদ্দিন বিষয়টি ভালো করে জানতে চান৷ তাই তিনি লিখেছেন,

‘‘কার্বাইড-এর ব্যবহার এবং অপব্যবহার নিয়ে লিখুন, প্লিজ৷''

পাঠক ফইজুর রহমানের কাছে বিষয়টি বেশ অস্পষ্ট, তাই তাঁর প্রশ্ন, ‘‘মাছ কেন ফরমালিনে সংরক্ষণ করা যাবে না?''

‘সমাজবিজ্ঞান থেকে পাশ করা ম্যাজিস্ট্রেটরা বৈজ্ঞানিক হয়ে টিভি ক্যামেরায়, হিরোগিরি দেখানোর জন্য মোবাইল টিম বানিয়ে তামাশা করে' মন্তব্য সুমন চৌধুরীর৷অন্যদিকে পাঠক আবদুল্লাহ আল মাসুম পুরোপুরি নিশ্চিত যে শাক-সবজি এবং ফল-মূলে ফরমালিন দেওয়া হয়৷

যাঁরা অবিশ্বাস করছেন, বা যাঁরা জানতে চান, তাঁদের জন্য শুধু ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনের একটি অংশ এখানে উল্লেখ করা যায়৷ প্রতিবেদনে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের পরিচালক কৃষিবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেছেন,  ‘‘ফল-মূল এবং শাক-সবজি ফরমালিন দিয়ে  সংরক্ষণ করা যায় না৷ আর সংরক্ষণের কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি, যা হয়েছে তা ভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়৷'' তিনি জানিয়েছেন, ‘‘ফল-মূল, শাক-সবজি এগুলো হলো ফাইবার৷ এখানে ফরমালিন দেয়ার কোনো সুযোগই নেই৷ কেউ যদি না বুঝে দেয়ও, তাহলেও কোনো কাজে আসবে না৷ সংরক্ষণে কোনো ভূমিকা রাখবে না৷ কারণ, এখানে কোনো প্রোটিন নেই৷ আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে ধারণা যে, ফল-মূল, শাক-সবজিতে ফরমালিন দেয়া হয়৷ এটা দুর্ভাগ্যজনক৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন