ফরাসি জিনিস বয়কটে পাক সরকার, দাবি কট্টরপন্থী দলের | বিশ্ব | DW | 18.11.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

ফরাসি জিনিস বয়কটে পাক সরকার, দাবি কট্টরপন্থী দলের

মহানবী(সাঃ)-র কার্টুন বিতর্কের জেরে ফরাসি জিনিস বয়কটে রাজি পাকিস্তান। দাবি করট্টরপন্থী সুন্নি ইসলামি পার্টির।

পাকিস্তানের কট্টরপন্থী তেহরিক-ই-লেব্বাইক-পাকিস্তান(টিএলপি) দাবি করেছে, ফরাসি জিনিস বয়কটে রাজি হয়েছে পাক সরকার। দলটির বক্তব্য, তাদের সঙ্গে সরকারের চুক্তি হয়েছে। তাতে সরকার সব আটক টিএলপি নেতা-কর্মীদের ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে। সেই সঙ্গে ফরাসি জিনিস বয়কটকরা হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও আর রাখা হবে না বলে সরকার জানিয়েছে বলে দাবি ওই দলটির। এই সমঝোতার পরেই শুক্রবার থেকে আন্দোলন প্রত্যাহার করেছে টিএলপি।

ফ্রান্সে মহানবী হযরত মোহাম্মদ(সাঃ)-র কার্টুন বিতর্ক ও তা নিয়ে প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে এই কট্টরপন্থী সংগঠন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল। তাদের দাবি ছিল, ইমরান খান সরকারকে ফরাসি জিনিস বয়কটের নির্দেশ দিতে হবে এবং ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে পাকিস্তান থেকে বের করে দিতে হবে।

সমঝোতা হয়েছে না হয়নি

টিএলপি মুখপাত্র জানিয়েছেন, সরকার তাঁদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। সরকারের তরফে স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী এবং ইসলামাবাদের কমিশনার সমঝোতায় সই করেছেন।

 কিন্তু সংবাদসংস্থা এএফপি-কে এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করার কোনো ইচ্ছে সরকারের নেই। কোনো দেশের সঙ্গেই তারা কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করতে চায় না। শান্তিপূর্ণভাবে বিষয়টি দেখা হবে।

ধর্মনিন্দা ও পাকিস্তান

পাকিস্তানে ধর্মনিন্দা খুব বড় বিষয়। কেউ ইসলাম বা মহানবী(সাঃ)-র নিন্দা করলে তার মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। পাকিস্তানের ধর্মিনন্দা সংক্রান্ত আইন খুবই কড়া।

২০১৮ সালে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট আসিয়া বিবিকে ধর্মনিন্দার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। তারপর টিএলপি আন্দোলন করে কার্যত পাকিস্তান অচল করে দেয়। তিনদিন ধরে তারা বিক্ষোভ দেখায়।

তবে পাকিস্তানের অধিকাররক্ষা কর্মীদের অভিযোগ, অনেক সময় ব্যক্তিগত বিরোধ ও শত্রুতার জেরেও ধর্মনিন্দার অভিযোগ আনা হয়।

জিএইচ/এসজি(এএফপি, এপি, রয়টার্স)