প্রিয় খাদ্যের মধ্যেই তারকাদের আসল পরিচয় | অন্বেষণ | DW | 16.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

প্রিয় খাদ্যের মধ্যেই তারকাদের আসল পরিচয়

ভোজনরসিক হিসেবে বাঙালির সুনাম রয়েছে৷ আমাদের পছন্দের খাবারদাবারই কি আমাদের পরিচয়? এক আলোকচিত্রী অনেক বিখ্যাত মানুষদের পছন্দের খাবারের ছবি তুলে তাঁদের আসল পরিচয় তুলে ধরছেন৷

ড্যান ব্যানিনো স্টুডিও নয়, রান্নাঘরে ছবি তোলেন৷ পিনাট বাটার দিয়ে স্যান্ডউইচ বানিয়ে তারপর ক্যামেরার শাটার টেপেন৷ খাবারদাবারই তাঁর কাজের মূল উপকরণ৷ তিনি জানান, বিশেষ করে ইটালির খাবার চিরকাল বড় ভূমিকা পালন করেছে৷

ড্যান ব্যানিনো তারকাদের পছন্দের খাবারের ছবি তোলেন৷ যেমন মারায়া কেরি নাকি বেগুনি রংয়ের খাবার খুব পছন্দ করেন৷ শোনা যায়, লেডি গাগা নাকি ট্যুরে বেরোলে বেবিফুড খেয়েই থাকেন৷ লেমোনেড, চিকেন নাগেট ও আলু ভাজা নাকি ইউসেন বোল্ট-এর প্রিয় খাদ্য৷ বিশ্বের দ্রুততম মানুষ ফাস্ট ফুড খেতে বড়ই পছন্দ করেন৷

ড্যান ব্যানিনোর ক্যামেরায় এই সব খামখেয়ালীপনা ধরা পড়ে৷ তাঁর ‘স্টিল ডায়েটস' নামের ছবির সিরিজে খাবারের মাধ্যমে মানুষের প্রতিকৃতি ফুটে ওঠে৷ ড্যান বলেন, ‘‘সামান্য একটি প্লেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র গড়ে তোলা সম্ভব৷ খাবার সবারই চেনা এক ভাষা, যা অনেক কাহিনি বলতে পারে৷ খাবারের দিকে তাকিয়ে সবাই তার নিজস্ব কাহিনি পড়ে নিতে পারে৷''

তাঁর নতুন প্রকল্পের বিষয় জার্মানির মডেল হাইডি ক্লুম৷ হাইডির পছন্দের খাবার তিনি ‘স্টিল লাইফ' শৈলিতে ক্যামেরাবন্দি করেছেন৷ ৪৬ বছর বয়সি এই মডেল নাকি ৮০ ভাগ স্বাস্থ্যকর খাবার খান, বাকিটা নিয়ে বাছবিচার করেন না৷ সেই রুচিবোধ তুলে ধরতে ড্যান কিছু স্কেচ দিয়ে কাজ শুরু করেছেন৷ পরের সৃষ্টিকর্মের ছবির কম্পোজিশন তাতে ফুটে উঠেছে৷ ড্যান ব্যানিনো নিজের কাজের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘‘আমি অবশ্যই ক্যামেরা ব্যবহার করি, তাই আমাকে আলোকচিত্রী বলতে পারেন৷ কিন্তু ফটো আমার কাজের প্রক্রিয়ার শেষ ধাপ৷ আমি আইডিয়া আঁকতে শুরু করছি৷ ক্যামেরা সে কাজে সাহায্য করছে৷''

ভিডিও দেখুন 04:08

প্রিয় খাদ্যের মধ্যেই তারকাদের আসল পরিচয়

সোফিয়া লোরেন নাকি বলেছিলেন, স্প্যাগেটি খেয়েই তাঁর শরীরের ভাঁজ এত সুন্দর হয়েছে৷ এমন উদ্ধৃতি বা আলব্যার্ট আইনস্টাইনের নিরামিষ খাদ্যাভ্যাস তাঁকে প্রেরণা জুগিয়েছে৷ অথবা ডায়েট কোকের প্রতি কার্ল লাগারফেল্ড-এর মতো ডিজাইনারের আশক্তি৷

ড্যান ব্যানিনো-র ফটো প্রতিকৃতি বারোক যুগের চিত্রপট, কারাভাজোর মতো শিল্পীর সেরা সৃষ্টিকর্ম অথবা ফ্রেমিশ শিল্পের স্বর্ণযুগের কথা মনে করিয়ে দেয়৷ সে যুগেও খাবারদাবার শিল্পের বিষয়বস্তু ছিল৷ কারণ তার মাধ্যমে সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যেত৷ ড্যান বলেন, ‘‘তাঁরা সবাই আমাকে প্রেরণা জোগান৷ আমার মনে বারোক যুগের শিল্পকর্ম ও স্টিল লাইফের সংগ্রহশালা সৃষ্টি হয়েছে৷ তাই ছবি সৃষ্টির সময় আমি তাঁদেরই শিল্পকর্মের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলি৷ মনের ছবি স্কেচের মধ্যে ফুটে ওঠে৷''

হাইডি ক্লুম-এর ফটোর জন্য বরাবরের মতো তাঁর বাসাই ফটো স্টুডিও হয়ে উঠেছিল৷ তাঁর কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেট বা প্রেক্ষাপট গড়ে তোলা৷ সেখানেই স্কেচে আঁকা আইডিয়া বাস্তবে রূপান্তরিত হয়৷

হাইডি ক্লুম-এর পছন্দের পিনাট বাটার স্যান্ডউইচ ও নুডলস সাজানো হচ্ছে৷ সেগুলিকে ঘিরে রয়েছে নানা স্বাস্থ্যকর উপকরণ, যেগুলি তিনি মিক্সারের মাধ্যমে স্মুদি বা ঘন সরবতে পরিণত করেছেন৷

অবশেষে ছবি তোলা হলো৷ হাইডি ক্লুম-এর প্রতিকৃতি প্রস্তুত৷ ড্যান ব্যানিনো পরিশ্রমের ফলাফল ও উপকরণগুলি একইসঙ্গে উপভোগ করেন৷

হেন্ড্রিক ভেলিং/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন