‘প্রসিকিউটরদের দক্ষতা নিয়ে ঢালাও অভিযোগ ঠিক নয়’ | বিশ্ব | DW | 23.03.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

‘প্রসিকিউটরদের দক্ষতা নিয়ে ঢালাও অভিযোগ ঠিক নয়’

নতুন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুন্যালে শিগগিরই প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয়া হবে৷ আইন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে অদক্ষতার ঢালাও অভিযোগ ঠিক নয়৷ তিনি এই অভিযোগকে একধরনের প্রচারণা বলে মনে করেন৷

যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরুর দু'বছরের মাথায় আরো একটি নতুন ট্রাইবুন্যাল গঠন করা হয়েছে বৃহস্পতিবার৷ ঐ ট্রাইবুন্যালের বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷ শুক্রবার আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন ট্রাইবুন্যালের কাজ শুরু হবে৷ এজন্য নতুন প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয়া হবে৷ তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুন্যালের প্রসিকিউটরদের দক্ষতা নিয়ে ঢালাও অভিযোগ করা হচ্ছে৷ এই অভিযোগ ঠিক নয়৷ এটা একধরনের প্রচারণা৷

এদিকে ট্রাইবুন্যালের তদন্তকারীরা বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে তদন্ত করছে৷ তদন্ত সংস্থার সমন্বয়কারী ডিআইজি আব্দুল হান্নান খান জানান,তারা চৌধুরী মইনুদ্দিন এবং আশরাফুজ্জামান খান নামে দু'জনকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন যারা একাত্তরে সরাসরি বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে জড়িত৷ তাদের অপরাধের যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ তবে তারা এখন দেশের বাইরে পলাতক আছেন৷

হান্নান খান জানান, এর বাইরে আরো ৬ জনের বিরুদ্ধ তদন্ত হচ্ছে৷ তিনি আশা করেন, আগামী জুন মাস নাগাদ তাদের সবার বিরুদ্ধে ট্রাইবুন্যালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা যাবে৷ আর তারা যাতে পালাতে না পারেন, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে৷

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুন্যাল গঠন করার পর এপর্যন্ত ৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে ৷ তাদের মধ্যে জামায়েত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন