প্রমীলা ফুটবলে জাপানি রূপকথা | খেলাধুলা | DW | 16.07.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

খেলাধুলা

প্রমীলা ফুটবলে জাপানি রূপকথা

ভূমিকম্প, সুনামি, পরমাণু বিপর্যয়ের মাত্র চার মাস পরে জাপানি মেয়েরা যেন তাদের জাতি, তাদের দেশের জন্য এক অপরূপ রূপকথা রচনা করছে৷ জার্মানি ও সুইডেনকে বিদায় করার পর ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে৷

Abby Wambach (L) of USA celebrates with team-mate Megan Rapinoe after scoring 1-2 during the semi-final soccer match of the FIFA Women's World Cup between France and the USA at the Borussia-Park stadium in Moenchengladbach, Germany, 13 July 2011. Foto: Friso Gentsch dpa/lnw +++(c) dpa - Bildfunk+++

শিরোপা জয়ের স্বপ্নে বিভোর মার্কিন প্রমীলারা

ওদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘নাদেশিকো'৷ এক ধরনের গোলাপি ফুল, সৌষ্ঠব, সাবলীলতা এবং সৌন্দর্যের প্রতীক৷ এবং সুইডেনের বিরুদ্ধে এই খাটো গড়নের, ক্ষিপ্র এশীয় মেয়েগুলির উদ্দীপ্ত খেলা যারা দেখেছেন, তারাই বলবেন, নাদেশিকো ফুটবল খেললে বোধহয় এরকমই দেখাতো৷

অথচ ফাইনাল জেতার পুরস্কার? না, পুরস্কারের জন্য খেলছে না এই মেয়েরা৷ কোনো বিরাট বোনাসও তাদের প্রাপ্য নেই৷ তবে একটা হাতঘড়ি পেতে পারে, বলেছেন কোচ নারিও সাসাকি৷ অবশ্য সে'বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন জাপানের ফুটবল সমিতির প্রধান৷ তিনিও কি জানতেন যে, নাদেশিকো'রা সোজা ফাইনালে পৌঁছে যাবে!

United States' Abby Wambach, second left, celebrates with teammates scoring their side's second goal during the semifinal match between France and the United States at the Women’s Soccer World Cup in Moenchengladbach, Germany, Wednesday, July 13, 2011. (Foto:Frank Augstein/AP/dapd)

প্রমীলা ফুটবলে ১৯৮৬ সাল যাবৎ জাপান ২৫ বার খেলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে৷ তার মধ্যে জাপান ড্র করেছে তিনবার এবং হেরেছে ২২ বার৷ কিন্তু এবার কোচ সাসাকি'কেও বলতে শোনা যাচ্ছে, জাপান যুক্তরাষ্ট্রকে হারানোর ক্ষমতা রাখে৷ আরো একটি কথা জানেন সাসাকি: যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বাকি বিশ্বের সমর্থন এবং সহানুভূতি এই আশ্চর্য জাপানি দলটির প্রতি৷ তার একটা কারণ হল, জাপানি মেয়েদের খেলা অনেককেই বার্সেলোনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে৷ প্রাক্তন মার্কিন কোচ এপ্রিল হাইরিখস স্বয়ং সে-কথা বলেছেন৷ বলেছেন, ফ্রান্স এবং জাপানের মতো দল খেলার মান বাড়িয়ে দিচ্ছে৷

সাসাকি'র বক্তব্য হল: জাপানি খেলোয়াড়রা খুব লম্বা নয়৷ তাই তাদের ভালো পাসিং'এর ওপর মনোযোগ দিতে হয়েছে, যা'তে সকলেরই অংশগ্রহণ করা দরকার৷ কে জানে, রবিবারের ফাইনালের পর সাসাকি হয়তো তাঁর বিনয়ের অবসান ঘটাবেন৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই