প্রবৃদ্ধিতে চীন, ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ | বিশ্ব | DW | 09.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

প্রবৃদ্ধিতে চীন, ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ

চলতি অর্থবছরে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির যে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক তাতে বাংলাদেশ ভারত বা পাকিস্তানকেই শুধু নয় বরং শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ চীনকেও ছাড়িয়ে যাবে৷

২০১৯/২০ অর্থ বছরে (৩০ জুন) বাংলাদেশের  প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ  হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে৷পরবর্তী অর্থ বছরে যা আরো খানিকটা বেড়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে৷

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ২০২০ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হবে৷ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় দেশজ বিনিয়োগ ও দেশজ চাহিদা বাড়ায় উৎপাদনও বাড়বে৷ ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নত হওয়ায় এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ার সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক৷

ভারতে ব্যাংক নয় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তেমন বিনিয়োগ আসে না, যে অবস্থা আরো দীর্ঘমেয়াদী হবে৷ ফলে ২০১৯/২০ অর্থ বছরে (৩১ মার্চ) দেশটির প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা কমে ৫ শতাংশ হবে৷ তবে পরবর্তী অর্থবছরে তা আবার বেড়ে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ হবে৷

 পাকিস্তানে ২০১৯/২০ অর্থ বছরে (জুন ৩০) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৪ শতাংশ হবে৷ পরবর্তী অর্থবছরে তা বেড়ে ৩ শতাংশ হতে পারে৷

২০ ডিসেম্বর ২০১৯ সাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশ্বব্যাংক এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে ধীরে ধীরে উন্নতির মাধ্যমে গত বছরের তুলনায় এবছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা দ্রুত হওয়ার আভাস দেওয়া হয়েছে৷ ২০১৯ সালে বিশ্বে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং এবার যেটা ২ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে৷

কয়েকটি উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশ গত বছরের সংকট কাটিয়ে নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটাবে, এই আশা থেকেই বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধির এই পূর্বাভাস দিয়েছে৷ যদিও একই সঙ্গে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং আরো কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কিছুটা হ্রাস পাবে৷

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে জড়িয়ে  যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদনে যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে তার জেরে দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে ১ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে৷ শিল্পনির্ভর ইউরো অঞ্চলেও ‘ইন্ডাসট্রিয়াল অ্যাক্টিভিটি' হ্রাস পাওয়ায় জিডিপিতে নিম্নগতি থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে৷

তবে ব্রাজিলের মত উদীয়মান অর্থনীতির দেশে গত বছরের তুলনায়  মোট দেশজ উৎপাদন বাড়বে৷ মেক্সিকো ও তুরস্কে ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি প্রায় শূন্য ছিল, এ বছর ওই অবস্থার উন্নতি ঘটা উচিত বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক৷ ধীরে হলেও আর্জেন্টিনার অর্থনৈতিক অগ্রগতিও হচ্ছে৷ তবে গত দুই বছরের তুলনায় এবার প্রবৃদ্ধির গতি  কমে যেতে পারে৷

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্রম নেতিবাচকগতি এবার থামবে বলা হয়েছে৷ সেইসঙ্গে ২০২১ সাল নাগাদ দেশটি প্রবৃদ্ধি আবারও অগ্রগতির পথে উঠে আসবে৷ কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ইরানের রাজনীতিতে যে চরম সংকট দেখা দিয়েছে তা বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসকে পুরো উল্টে দিতে পারে৷ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ইরানে এই সংকট তৈরির আগে করা৷

পূর্ব এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চল  ২০২০ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে৷ যদিও বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলের শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ চীনের প্রবৃদ্ধিতে কিছুটা নিম্নগতি দেখা দিতে পারে৷ এ বছর দেশটির জিডিপি ৫ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে৷ তবে কলম্বিয়া, ফিলিপিন্স, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের জিডিপি বাড়বে৷

এসএনএল/কেএম (বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন