প্রবীণদের সেবার জন্য অনেক কর্মী দরকার জার্মানির | বিশ্ব | DW | 02.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

প্রবীণদের সেবার জন্য অনেক কর্মী দরকার জার্মানির

জার্মানিতে প্রবীণদের দেখাশোনা করার কর্মী চাহিদার তুলনায় অনেক কম৷ তাই বিদেশি সেবাকর্মী নিয়োগ করে এ সমসার সমাধান খোঁজার চেষ্টা চলছে৷ এমনটাই জানালেন জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েনস স্পান৷

চ্যান্সেলর হিসেবে চতুর্থ মেয়াদ শুরু করেছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ জোট সরকার গঠনের আগেই ম্যার্কেল প্রবীণদের সেবাদানে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীতার গুরুত্ব উল্লেখ করেছিলেন৷ ড্যুসেলডর্ফের রাইনশে পোস্ট পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্পান জানিয়েছেন, নতুন জোট সরকার ইতিমধ্যে এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে সেবাকর্মী আহবান করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়৷ এর সঙ্গে জড়িতদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক দিলে ইতিমধ্যে যাঁরা অনান্য পেশায় যুক্ত হয়েছেন, তাঁদেরও এই পরিকল্পনায় আকৃষ্ট করবে৷ ''

জানা গেছে, সাম্প্রতিককালে জার্মানি টিউনিসিয়ার ৯ জন প্রশিক্ষিত সেবিকাকে নিয়োগ দিয়েছে৷ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামীতে আরো ৮ হাজার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের৷ জার্মানির প্রথম সারির সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্য বলছে, ৮ হাজারে কিছুই হবে না, কারণ এ মুহূর্তে চাহিদা মেটাতে অন্তত ১ লাখ সেবাকর্মী দরকার৷ 

গত কয়েক বছরে জার্মানিতে প্রবীণের সংখ্যা অনেক বেড়েছে৷ সেই অনুপাতে সেবাকর্মী বাড়েনি৷ জার্মানির রোগী অধিকার সংগঠন ডিএসপি'র এক উপদেষ্টা ডিডাব্লিউকে জানিয়েছেন, প্রবীণদের সেবা করার কাজ বছর দশেক করার পরেই অনেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন এবং এক সময় এ কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন৷ 

জার্মানিতে একজন স্বাস্থসেবাকর্মীর জন্য জার্মান ভাষা জানাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ কিন্তু দেখা যাচ্ছে, জার্মান ভাষার পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হচ্ছেন৷ ২০১৫ সালে ভাষা শিক্ষার পরীক্ষা আগের তুলনায় বেশ কঠিন করা হয়৷ অনেকে মনে করেন, এ কারণেই অকৃতকার্যের হার বেড়েছে৷ তাহলে কি পরীক্ষা আবার সহজ করে পাশের হার বাড়ানো উচিত? ডিএসপি'র চেয়ারম্যান ইউজেন ব্রিশ মনে করেন, পরীক্ষা সহজ করলে ফল খুব ভয়াবহ হবে, কেননা, সেবাকর্মীদের ভাষা ভালো জানা না থাকলে রোগী বা সেবাপ্রার্থীর সঙ্গে ভাব বা তথ্যের আদান-প্রদান করা কঠিন হবে৷

পিএস/এসিবি (কেএনএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়