প্রতি তিন ইউরোপীয়′র একজন মানসিক সমস্যায় ভোগে | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 06.09.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞান পরিবেশ

প্রতি তিন ইউরোপীয়'র একজন মানসিক সমস্যায় ভোগে

সম্প্রতি ইউরোপীয়দের সম্পর্কে একটা উদ্বেগজনক তথ্য জানা গেছে৷ বলা হচ্ছে, তাদের নাকি মানসিক সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে৷ তিন বছর গবেষণা শেষে এমনটাই বলছে ইউরোপীয়ান কলেজ অব নিউরোসাইকোফার্মাকোলজি বা ইএনসিপি৷

ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদ বেড়েই চলেছে৷

ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদ বেড়েই চলেছে৷

ইনসোমনিয়া, আলৎসহাইমার, ডিমেনশিয়া, পারকিনসন্স - জটিল সব রোগের নাম৷ দক্ষিণ এশিয়ায় এসব রোগে ভোগা লোকের সংখ্যা হয়ত খুব বেশি নয়৷ কিংবা, হয়তো রোগ নির্ণয়ের পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবে অনেকে জানেনইনা যে তাদের এই রোগ রয়েছে৷ তবে ডিপ্রেশন সঙ্গে দুশ্চিন্তাগ্রস্ততা - এমন অনেককেই পাওয়া যাবে ঐ অঞ্চলে৷

দক্ষিণ এশিয়া ছেড়ে এবার ইউরোপের কথায় আসা যাক৷ গবেষণায় জানা গেছে, ইউরোপের শতকরা ৩৮ ভাগ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় মানসিক সমস্যায় ভোগেন৷ ফলে একবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে একে দেখছেন গবেষকরা৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ সহ নরওয়ে, আইসল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড, মানে মোট ৩০টি দেশের মানুষের উপর জরিপটি চালানো হয়৷ এসব দেশে জনসংখ্যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৫১ কোটি৷ এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ প্রতি বছর মানসিক সমস্যায় ভোগে৷ অর্থাৎ প্রতি তিনজনে একজন৷

কিন্তু আশঙ্কার কথা হলো, অন্যান্য রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা দিনদিন যতটা উন্নত হচ্ছে সেখানে মানসিক রোগের চিকিৎসায় ততটা অগ্রগতি নেই৷ এছাড়া চিকিৎসা পেতেও অপেক্ষা করতে হয় অনেকদিন৷

Depression Symbolbild

মানসিক সমস্যায় কাবু সমাজের একটা বড় অংশ

জার্মানির ড্রেসডেন শহরে অবস্থিত টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ইন্সটিটিউট অব ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি অ্যান্ড সাইকোথেরাপির পরিচালক হান্স-উলরিশ ভিটশেন৷ তিনি এই গবেষণা দলের প্রধানও৷ মানসিক সমস্যা সমাধানে স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ওষুধ কোম্পানিগুলোকে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ভিটশেন ও তাঁর দলের গবেষকরা৷

ভিটশেন বলেন, অনেকদিন মনে করা হতো সাইকোলজিক্যাল ও নিউরোলজিক্যাল সমস্যাগুলো কিছু নির্দিষ্ট মানুষের হয়ে থাকে৷ কিন্তু এই ধরনের চিন্তাভাবনা হাস্যকর বলে মনে করেন তিনি৷ ভিটশেন বলেন, শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিস্ক অনেক বেশি জটিল৷ তাহলে কীভাবে অন্যান্য অংশের চেয়ে মস্তিস্ক বেশি সুস্থ থাকবে, এমন প্রশ্ন তাঁর৷

গবেষকরা বলছেন বিশ্বের অনেক মানুষের মৃত্যু ও অক্ষমতার কারণ হলো মানসিক সমস্যা৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই আভাস দিয়েছে যে, ২০২০ সালের মধ্যে নানা রোগব্যাধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে যেগুলো তার মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে ডিপ্রেশন বা অবসাদ ও বিষাদগ্রস্ততা৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়