প্রতিরক্ষা বিলে ট্রাম্পের ভেটো | বিশ্ব | DW | 24.12.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

প্রতিরক্ষা বিলে ট্রাম্পের ভেটো

প্রতিরক্ষা বিলেও ভেটো দিলেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। যদিও কংগ্রেস তা মানতে রাজি নয়। 

সামরিক বাজেট বিলের পরে এবার মার্কিন প্রতিরক্ষা বিলেও ভেটো দিলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এ মাসেই ৭৪০ বিলিয়ন ডলারের এই বিল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়েছে কংগ্রেসে। ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, এই বিলটি আসলে রাশিয়া এবং চীনের জন্য একটি উপহার। এই বিল আইন হলে তা কেবল অন্যায় হবে না, অসাংবিধানিক হবে। যদিও সংবিধানের কোনো ব্যাখ্যা ট্রাম্প দেননি।

আগামী ২০ জানুয়ারি হোয়াইট হাউস ছাড়তে হবে ট্রাম্পকে। নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন জো বাইডেন। তার আগে একাধিক বিতর্কিত পদক্ষেপ নিচ্ছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ শিবিরের বক্তব্য, সামরিক বিলে ভেটো না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্টের পরামর্শদাতারা। কারণ, বিলটি কংগ্রেসে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়েছিল। নিয়ম হলো, কংগ্রেসে বিল পাস হওয়ার পরে তা প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। প্রেসিডেন্ট কোনো কারণে অনুমোদন না দিলে তা ফিরে আসে কংগ্রেসে। এরপর পার্লামেন্টের দুই কক্ষে বিলটি দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেলে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন ছাড়াই তা আইন হয়ে যায়। এই বিলটির ক্ষেত্রে তেমনই ঘটনার সম্ভাবনা। ট্রাম্পের রিপাবলিকান সেনেটররাও বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এর আগে আটটি বিলে ট্রাম্প ভেটো দিয়েছিলেন। প্রতিটিই আইন হয়ে গিয়েছে। যদি কোনো কারণে ট্রাম্পের ভেটো কংগ্রেস মেনে নেয়, তা হলে ৬০ বছর পরে প্রতিরক্ষা বিল অনুমোদন পাবে না।

বিলটিতে আফগানিস্তান এবং ইউরোপ থেকে সেনা সরানোর উপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যা ট্রাম্পের পছন্দ নয়। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি বিষয়ে ট্রাম্প আপত্তির কথা জানিয়েছেন। কিন্তু ট্রাম্পের সঙ্গে একমত নন রিপাবলিকান সাংসদরাও। বরং অধিকাংশই মনে করছেন, সময়ের নিরিখে বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিলে সামরিক কর্মীদের তিন শতাংশ বেতনবৃদ্ধির কথাও বলা হয়েছে।

এ দিকে ট্রাম্প বুধবার আরো আটজনের শাস্তি মকুব করেছেন। ক্ষমা করার অধিকার প্রয়োগ করে শাস্তি মকুব করেছেন তিনি। থ্যাংকসগিভিংয়ের সময় থেকেই ট্রাম্প একের পর এক ব্যক্তিকে ক্ষমা করছেন। বুধবার তাঁর দুই সাবেক পরামর্শদাতাকে ক্ষমা করেছেন ট্রাম্প। রাশিয়া-কাণ্ডে শাস্তি হয়েছিল তাঁদের। এ ছাড়াও তাঁর জামাইয়ের বাবাকেও ক্ষমা করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই ঢালাও ক্ষমা নিয়েও মার্কিন রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)