প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য | বিশ্ব | DW | 01.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য

মঙ্গলবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে সাবেক ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের।

দিল্লির লোদী রোডে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের। তার আগে সকালে তাঁর মরদেহ রাখা হয়েছে রাজাজি মার্গের বাসভবনে। সেখানে বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সোমবার ৮৪ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। মৃত্যুর এক মাস আগেও বাড়িতে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। আলোচনা করেছেন বিবিধ বিষয়ে। তবে করোনা লকডাউন শুরু হওয়ার পরে আর বাড়ি থেকে বেরোননি। বাড়িতেই বাথরুমে পড়ে যান তিনি। সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দেখা যায়, তাঁর মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে। সফল অস্ত্রপচারও হয়। কিন্তু একই সঙ্গে তাঁর করোনা ধরা পড়ে। প্রায় ২১ দিন হাসপাতালে থাকার পর সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়।

সোমবারই দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্তের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিশিষ্টজনেরা প্রণববাবুর স্মৃতিচারণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী টুইট করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতিকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণামের ছবি। মঙ্গলবারও প্রণববাবুর বাস ভবনে দীর্ঘ সময় ছিলেন মোদী। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সেনার তিন প্রধান, সামরিক বাহিনীর প্রধান বিপিন রাওয়াত প্রণববাবুর বাড়িতে গিয়ে শেষ সম্মান জানান। বিকেলে লোদী রোডে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। উপস্থিত থাকবে সামরিক বাহিনীর সমস্ত ফৌজের জওয়ানরা।

করোনার কারণে গান ক্যারেজে প্রণববাবুর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে না। কারণ, করোনার সময়ের রীতি মানতে হবে। তবে বাড়িতে এবং শ্মশানে তাঁর মরদেহ রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সোমবারই দেশ জুড়ে সাত দিনের শোকদিবসের নোটিস জারি করেছিল। মঙ্গলবার থেকে দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

প্রণববাবুর মৃত্যুর জন্য শোক পালন হচ্ছে বাংলাদেশেও। সেখানেও রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রণববাবুর সম্পর্ক বহুদিনের। হাসিনা যখন দিল্লিতে ছিলেন তখন প্রণববাবুর গোটা পরিবারের সঙ্গেই তাঁর সুসম্পর্ক ছিল। ১৯৭১ এর যুদ্ধেও ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই)

বিজ্ঞাপন