প্রকৃতির শোষণ তুলে ধরতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন যে শিল্পী | অন্বেষণ | DW | 24.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

প্রকৃতির শোষণ তুলে ধরতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন যে শিল্পী

শিল্প কি বাস্তব জগতের সংকট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে? বার্লিনের এক শিল্পী জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে প্রকৃতির শোষণের মতো বিষয় তুলে ধরতে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে নানা সৃষ্টির কাজে মেতে রয়েছেন৷

জুলিয়াঁ শারিয়ের-এর কোনো শিল্পসৃষ্টির শুরুতেই এক ঝুঁকিতে ভরা অভিযান থাকতেই হবে৷ তিনি বিশ্বের এমন সব জায়গায় যান, যেখানে মানুষ সহজে পা রাখার সাহস পায় না৷ তাঁর সর্বশেষ প্রকল্পের জন্য তিনি আইসবার্গের ছবি তুলেছেন৷ বিষণ্ণ ও কাব্যিক এক ছায়াছবিতে সেই দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে৷ জুলিয়াঁ বলেন, ‘‘আচমকা আলোর আড়ালে অতিকায় এই বস্তুর আবির্ভাব ঘটে৷ জাদুময় অথচ করুণ৷ ঠিক যেন কোনো অপেরার চূড়ান্ত দৃশ্য৷ এ যেন পরম ভাস্কর্য, পরম বস্তু, ধরাছোঁয়ার বাইরে৷ মানুষ কখনো এমন বস্তু তুলে নিয়ে প্রদর্শনীতে দেখাতে পারবে না৷’’

দুই বছর ধরে তিনি সুইজারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ডের মতো বিশ্বের অনেক বরফে ঢাকা অঞ্চল চষে বেড়িয়েছেন৷ মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ড্রোনের সাহায্যে তিনি ভিডিও তুলেছেন৷

ভিডিও দেখুন 03:02

প্রকৃতির জন্য ঝুঁকি নেন তিনি

বার্লিনে নিজের স্টুডিওতে তিনি সেই ভিডিও ও অন্যান্য শিল্পকর্মকে চূড়ান্ত রূপ দেন৷ জন্মসূত্রে তিনি সুইজারল্যান্ডে মানুষ৷ যেমন সীসা দিয়ে মোড়া নারকেল দিয়ে এক ইনস্টলেশন৷ সেই নারকেল তেজস্ক্রিয় বিকিরণের শিকার৷ বিকিনি অ্যাটল থেকে সেই নারকেল আনা হয়েছে৷ বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেখানে অসংখ্য পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছে এবং যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে৷ সেই পদক্ষেপের পরিণাম নিয়ে জুলিয়াঁ শারিয়ের একটি চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন৷ তার জন্য তাঁকে পানির গভীরে ডুব দিতে হয়েছে৷

বর্তমানে তিনি নিজের স্টুডিওতে অতিকায় এক বাতি তৈরি করছেন, যার মধ্যে তিনি ইন্দোনেশিয়ার পাম তেল ভরে দিচ্ছেন৷ সে দেশে পাম তেলের খেতের জন্য রেন ফরেস্ট ধ্বংস করা হচ্ছে৷ ২০১৮ সালে বার্লিনের কিছু সংগীতশিল্পীদের নিয়ে তিনি একটি পারফর্ম্যান্স সৃষ্টি করেছেন, যার মধ্যে প্রকৃতি শোষণ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা রয়েছে৷ জুলিয়াঁ শারিয়ের বলেন, ‘‘এ এমন এক পৃথিবী, যেখানে ভবিষ্যতে ‘তিন ডিগ্রি উষ্ণায়ন’-কে সেরা প্রাপ্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়৷ সেখানে এমন প্রশ্ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক৷ এটা পুরোপুরি পাগলামি৷ এমন ঘটনা অবশ্যই আমার দৈনন্দিন জীবন বদলে দিচ্ছে৷ আমার শিল্পের মধ্যেও পরিবর্তন আনছে৷’’

জুলিয়াঁ শারিয়ের বেশ কয়েক বছর ধরে নিজের শিল্পকর্মের মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করছেন৷ ২০১২ সালে তিনি ভেনিসে পায়রার গায়ে খাবারের রং এঁকেছিলেন৷ স্থাপত্য বিয়েনালে উৎসবে সেগুলি স্বাধীন শিল্পকর্ম হয়ে উঠেছিল৷

গেয়ারহার্ড সনলাইটনার/এসবি

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির ছবিঘরটি দেখুন...

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন