পোর্ট এলিজাবেথে আটক প্যারিস হিল্টন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 03.07.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

পোর্ট এলিজাবেথে আটক প্যারিস হিল্টন

দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথে হেরে বিদায় নিল ব্রাজিল৷ হল্যান্ডের কাছে হার৷ তবে পোর্ট এলিজাবেথের শুক্রবারের খবর শুধু এটিই নয়৷ আরো একটি ঘটনা আছে৷ আর তা হলো প্যারিস হিল্টনের৷

default

প্যারিস হিল্টন (ফাইল ছবি)

মাত্র ২৯ বছর বয়সি হিল্টনকে কে না চেনে৷ একাধারে মডেল, শিল্পী, অভিনেত্রী, ফ্যাশন ডিজাইনার, রিয়ালিটি টিভি তারকা আরো কতো কী৷ তবে তাঁর আরো পরিচয় আছে জন্মসূত্রে৷ হিল্টন হোটেলের প্রতিষ্ঠাতা কনরাড হিল্টনের নাতনি৷ প্যারিস হিল্টন সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন ২০০৭ এর জুনে৷ ঐ সময় তাঁকে তিন সপ্তাহ কাটাতে হয় লস অ্যাঞ্জেলসের কারাগারে৷ অপরাধ ছিল বেপরোয়া গাড়ি চালানো৷ তবে অপরাধটা একটু বেশি গুরুতর হয়েছিল শিক্ষানবিশ অবস্থাতেই ঘটার কারণে৷

এবার মাত্র একদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকায় উড়ে যান হিল্টন৷ ব্রাজিলের জন্যই কী গিয়েছিলেন হিল্টন পোর্ট এলিজাবেথে? সেটি স্পষ্ট না হলেও ব্রাজিলের শোচনীয় হারের পরপরই ধরা পড়েন এই সেলিব্রেটি৷

Flash-Galerie Handschuhe

ফাইল ছবি

হিল্টনকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ৷ একেবারে মধ্যরাতে৷ রাত ১২.২০ টায় হাজির করা হয় বিশ্বকাপের আসর উপলক্ষে গঠিত বিশেষ আদালতে৷ ঐ আদালতের প্রথম অভিযুক্ত হিল্টন৷ তবে বিচারক জলিল লুলিজা তিন মিনিটের শুনানির পর মামলার নিষ্পত্তি করেন৷ মুক্তি দেওয়া হয় হিল্টনকে৷

ও হ্যাঁ, অভিযোগ ছিল মারিজুয়ানা সেবন৷ হিল্টন বেঁচে গেলেও ফেঁসে গেছেন তাঁর বন্ধু জেনিফার রোভেরো৷ মারিজুয়ানা বহনের দায়ে অভিযুক্ত হন রোভেরো৷ শাস্তি হয় ৩০ দিনের কারাবাস নতুবা এক হাজার রান্ড জরিমানা৷ অবশ্য, জরিমানা দিয়ে মুক্ত হন তিনিও৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন