1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
ইউক্রেন
ছবি: UKRAINIAN PRESIDENTIAL PRESS SERVICE/AFP
সমাজইউক্রেন

পূর্ব ইউক্রেনের যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় জেলেনস্কি

৬ জুন ২০২২

যুদ্ধ চলছে, পূর্ব ইউক্রেনের এমন বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করলেন জেলেনস্কি। ইউক্রেনকে মাঝারি পাল্লার রকেট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিল যুক্তরাজ্য।

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF/a-62040195

ঝাপোরিজঝিয়ায় এখনো তীব্র লড়াই চলছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম সেই অঞ্চল পরিদর্শন করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ওই সমস্ত অঞ্চল ঘুরে রোববার রাতের দৈনিক ভিডিওবার্তায় তিনি প্রচুর পরিমাণে মানবিক সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন। লিসিচানস্ক এবং সোলেদার বলে দুইটি জায়গায় এদিন বেশ কিছু সময় কাটান জেলেনস্কি। তার পরনে ছিল বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সেনা প্রধান ওলেখজান্ডার স্তারুখ। জাতীয় পুলিশ বাহিনীর স্থানীয় প্রধানও ছিলেন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলের প্রশাসন, সেনা এবং স্থানীয় মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছেন। তিনি তাদের সঙ্গে হাত মেলাতে পেরে গর্বিত বোধ করছেন।

স্তারুখ জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকাই এখন রাশিয়ার দখলে। যুদ্ধের ফলে স্থানীয় গ্রামগুলি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৭৭টি গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। ওই অঞ্চল থেকে বহু মানুষ পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। গৃহহীন সেই সমস্ত মানুষের জন্য কিছু আশ্রয়শিবির তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বিপুল পরিমাণ মানবিক সাহায্য প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।

যুক্তরাজ্যের সাহায্য

যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, দ্রুত তারা ইউক্রেনকে এম ২৭০ মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম পৌঁছে দেবে। অত্যাধুনিক এই রকেট লঞ্চারের সাহায্যে আশি কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যে নির্ভুল আঘাত হানা যায়। অ্যামেরিকার সঙ্গে আলোচনার পরেই যুক্তরাজ্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষাসচিব বেন ওয়ালেস। রাশিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে এই রকেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে অ্যামেরিকাও ইউক্রেনকে আধুনিক রকেট লঞ্চার পাঠিয়েছিল। তবে অ্যামেরিকার সঙ্গে ইউক্রেনের চুক্তি হয়েছে, রাশিয়ার ভিতর কোনো অঞ্চলে রকেট আক্রমণ চালাবে না ইউক্রেন।

সিভিয়েরোদোনেৎস্ক দখলের চেষ্টায় রাশিয়া

রাশিয়ার কূটনীতি

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বেলগ্রেডে একটি বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার কথা। কিন্তু তার আগে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একাধিক দেশ নিজেদের এয়ারস্পেস বন্ধ করে দিয়েছে। অর্থাৎ, ওই দেশগুলির উপর দিয়ে রাশিয়ার বিমান যেতে পারবে না।

বুলগেরিয়া, মন্টিনেগ্রো, উত্তর ম্যাসিডোনিয়া নিজেদের এয়ারস্পেস বন্ধ করে দিয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবার কোন রাস্তায় বেলগ্রেড যাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তিনি আদৌ বেলগ্রেড যেতে পারবেন কি না, তা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। রাশিয়া অবশ্য বিকল্প পথ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

কিয়েভে ফের বিস্ফোরণ

ফের রকেট হামলা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের অদূরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ছবি আপলোড করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে ক্রুজ মিসাইল এসে আঁছড়ে পড়ছে কিয়েভের মাটিতে। রাশিয়া জানিয়েছে, পূর্ব ইউরোপের দেশগুলি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র পাঠিয়েছিল ইউক্রেনকে। রাশিয়া সেই অস্ত্রই ধ্বংস করেছে মিসাইল আক্রমণ চালিয়ে। ইউক্রেনও পরে স্বীকার করেছে, তাদের বেশকিছু অস্ত্র নষ্ট হয়েছে। তার মধ্যে ট্যাংকও ছিল।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Symbolbild Euro Crash

ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি রেকর্ড

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান